আল কুরআন বিশ্বের বুকে একমাত্র সত্য ধর্ম গ্রন্থ (ইসলামের দাওয়াত প্রদানের উদ্দেশ্যে), পাঠ-১ [সিরিজ- দ্বীন প্রচার (ধারাবাহিক), প্রবন্ধ-৩

আউজুবিল্লাহি মিনাশশাইত্বোনির রাজীম। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

আজ বৃহস্পতি বার। ০১ সফর ১৪৪৩ হিজরী, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রি. ও ২৫ ভাদ্র ১৪২৮ বঙ্গাব্দ।  

[ যিনি পড়ছেন অথবা শুনছেন ও দেখছেন; হ্যালো ভাই, আপনাকে বলছি, আপনি যদি অমুসলিম হন; তাহলে আপনাকে ইসলামের দাওয়াত প্রদান করলাম এবং পরামর্শ প্রদান করলাম যে, আপনি একমাত্র সত্য ধর্ম ইসলাম গ্রহণ করুন। আর যদি এ বিষয়টি আপনার বুঝে না আসে তাহলে এ ওয়েবসাইটে (bondhonfoundation.com) প্রকাশিত, বিশেষ করে দ্বীন প্রচার সিরিজের ও ইসলামের পরিচয় সিরিজের এ প্রবন্ধ গুলো মনযোগ দিয়ে পড়ার জন্য এবং সংশ্লিষ্ট ভিডিও গুলো মনযোগ দিয়ে দেখার জন্য আপনাকে বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হলো। হে আমার অমুসলিম ভাই! প্লিজ আমাকে অবহেলা করবেন না, প্রবন্ধ পড়া বা ভিডিও দেখা এড়িয়ে যাবেন না বা বন্ধ করবেন না; একটু পড়ুন, শুনুন ও দেখুন আমি কী বলতে চাই। আপনার প্রতি আমার বিশেষ অনুনয়, এ দু’সিরিজের (উপরে উল্লেখিত) প্রবন্ধ গুলো, বিশেষ করে দ্বীন প্রচার সিরিজের প্রবন্ধ ও সংশ্লিষ্ট ভিডিও গুলো নিয়ে একটু গবেষণা করবেন; এ আপনার প্রতি আমার আন্তরিক রিকোয়েস্ট। সে সাথে মুসলিমদেরকেও ঈমান তরুতাজা করার লক্ষ্যে, জ্ঞান অর্জন এবং আমলের উদ্দেশ্যে ও আমাকে সহযোগিতা করার লক্ষ্যে প্রবন্ধ গুলো পড়ার জন্য এবং সংশ্লিষ্ট ভিডিও সমূহ দেখার জন্য অনুরোধ করা হলো।]

[লিখকের দায়বদ্ধতা ও কন্টেন্ট এর আপডেট প্রসঙ্গে লিখকের ওয়েবসাইট (গুগল বা ক্রোমে লিখে সার্চ করুন 

bondhonfoundation.com ), এ সাইটটি থেকে পড়ে নিতে পরামর্শ প্রদান করা হলো]

দেখুন, এ কুরআনে লিখা আছে, এটি মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহু তা’য়ালার কিতাব। এতে সন্দেহের বা ভূল-ভ্রান্তির লেশমাত্রও নেই। এতে চ্যালেঞ্জ দেয়া আছে, পুরো বিশ্বের সকল জ্বীন ও মানুষ সকলে একত্রিত হয়ে সর্বাত্মক চেষ্টা করেও এর সমকক্ষ কোন কিতাব বা এ কিতাবের একটি অধ্যায়ের সমান কিছু নিয়ে আসতে বা রচনা করতে পারবে না এবং এটি মানুষের জন্য পরিপূর্ণ, চুড়ান্ত ও সর্বশেষ আসমানী গ্রন্থ। তাহলে নিচের প্রশ্ন গুলো নিয়ে গবেষণা করুন ও এর উত্তর প্রদানে সচেষ্ট হোন। যেহেতু মানুষ হিসেবে রবের পরিচয় পাওয়া এবং তাঁকে মেনে চলা আমাদের কর্তব্য।

১) এ ধরনের কথা ও চ্যালেঞ্জ কি কোন মানুষ দিতে পারে? না কেউ এ পর্যন্ত দিতে পেরেছে? এর মোকাবিলায় প্রতিউত্তর দিতে এ পর্যন্ত কেউ কি এগিয়ে আসতে পেরেছে?

২) কুরআন নাযিল হয়েছে হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সা:) এঁর উপর। আর ইতিহাসে ইহা স্বীকৃত যে, তিনি পৃথিবীর কোন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা বা কোন ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লেখা-পড়া করেন নি এবং তিনি ইয়াতিম ছিলেন। তাহলে এ ধরনের একটি কিতাব তাঁর রচিত; কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লেখা-পড়া না করে এবং ইয়াতিম হিসেবে দারিদ্রের কষাঘাতে জর্জরিত হয়ে এ ধরনের নির্ভূল এবং বিজ্ঞানময় ও বিধানাবলী সম্ভলিত সর্বাধুনিক একটি কিতাব তিনি রচনা করেছেন;  ইহা আপনি যুক্তি দিয়ে বুঝাতে পারবেন? তবে ইহা আল্লাহু তা’য়ালার কিতাব নয়, কোন দেবতার বা কোন মানুষের বা অন্য যে কারো কিতাব (নাউজুবিল্লাহ), এর স্বপক্ষে আপনার কাছে কী কী যুক্তি রয়েছে? দয়া করে আপনার যুক্তি গুলো পেশ করুন! অথবা ইহা যে সর্বশক্তিমান আল্লাহু তা’য়ালার কিতাব, এ বিষয়টি আপনি কেন মেনে নিবেন না? আমি অনুরোধ করছি, যুক্তির আলোকে আপনি বিষয়গুলো বিচার করুন এবং সিদ্ধান্তে উপনিত হোন যে, ইহা আমাদের রব একমাত্র আল্লাহু তা’য়ালার কিতাব। কারণ দুনিয়াতে বেশি দিন বাঁচবেন না, আপনাকে রবের কাছে জবাব দিহী করতেই হবে। আপনি যে ধর্মের অনুসারীই হন না কেন।

৩) আল কুরআনে যে ভাবে জ্ঞান-বিজ্ঞান, নীতিবাক্য, ইতিহাস, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত পুরো জীবনের বিধানাবলী, সাহিত্য, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনা ইত্যাদি বিষয় সুস্পষ্ট ভাবে রয়েছে; অন্য কোন ধর্মগ্রন্থে বা আপনার ধর্মগ্রন্থে মানুষের জীবনের প্রয়োজনীয় বিষয় গুলো কি এভাবে রয়েছে? তবে আলকুরআনের সমকক্ষ এবং মানুষের প্রয়োজনীয় বিষয় গুলো সহ সন্নিবেশিত অন্যকোন ধর্মগ্রন্থের নাম কি আপনি বলতে পারবেন? পারবেন না । তাই আমার অনুরোধ যেহেতু প্রকৃত রবের আরাধনা আপনাকে করতেই হবে, তাই গবেষণা করুন। আর যতই গবেষণা করুন না কেন, আল কুরআনের সমকক্ষ অন্য কোন ধর্মের ধর্মগ্রন্থ আপনি পাবেন না। অতএব কেন আপনি আলকুরআনই একমাত্র সত্যধর্ম গ্রন্থ, ইহা মেনে নিবেন না? একটু খারাপ লেগেছে (?), আমি নিজেই উত্তর দিয়ে দেয়াতে? মূলত আমি চিরন্তন সত্য প্রকাশ করেছি এবং আপনাকে গবেষণা করতে প্রলুব্ধ করেছি। সুতরাং আপনার প্রতি একান্ত অনুরোধ আপনি গবেষণা করুন। মনে রাখবেন ইহজীবন ক্ষণস্থায়ী আর পরজীবন চিরস্থায়ী; এ চিরস্থায়ী জীবনে আপনার সুখ একান্তই প্রয়োজন। তাছাড়া আপনার কী হলো, যিনি আপনাকে সৃষ্টি করেছেন, আপনার জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় সব কিছুর যোগান দিচ্ছেন, আপনাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন; তাঁকে চেনার জন্য আপনি কি একটু গবেষণাও করবেন না?  আপনি কি নীতিগত ভাবে এ সিদ্ধান্তে উপনিত হয়েছেন যে, আপনি আপনার রবকে চিনতে চাইবেন না? অথবা চিনলেও আপনি তাঁকে মানবেন না? এর কি এই কারণ যে, আপনি দুনিয়ার জীবনটাকেই বড় করে নিয়েছেন!!? তাহলে এ বিষয়ে গবেষণা বা চিন্তা-ফিকির করবেন না কেন?

৪) সারা বিশ্বের যতগুলো মানুষ আল কুরআন পাঠ করে, হুবহু মুখস্থ করে, আর কোন কিতাব বা ধর্মগ্রন্থ কি এ রকম? আপনার ধর্মগ্রন্থ কি বেশি করে পঠন-পাঠনের ব্যবস্থা আপনার সৃষ্টিকর্তা [তথাকথিত (যুক্তির প্রয়োজনে ও সঙ্গত কারণে কথাটি বলা হয়েছে)] আপনার ধর্মের মাধ্যমে করেছেন? শুধু শুনে শুনে আর বাপ-দাদাদের দেখানো সংস্কার মতে আবেগের বশেই কি আপনাদের বেশি সংখ্যক স্ব-জাতি ধর্ম-কর্ম করছেন না? আপনার ঘরে বা আপনার বাপ-দাদাদের ঘরে আপনাদের ধর্মগ্রন্থ রয়েছে বা ছিলো? তা পড়েন, না পড়তেন? কুরআনে যেখানে এক হরফ পাঠ করলে দশ নেকী পাওয়া যায় এবং নামাযে ইহা পাঠ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ইত্যাদি, ইত্যাদি। আবার এর হেফাজতের দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহ তা’য়ালাই নিয়েছেন। যার জন্য কুরআন নাজিলের এত বছর পরও বিশ্বের কোথাও এ পর্যন্ত কুরআনের লিখায় কোন বেশ-কম নেই বা ছিলো না। একটি যের-যবর বা দাড়ি-কমাও না (বিরাম বা সাংকেতিক চিহ্ন)। এ ছাড়া কুরআন নাযিলের ও কিতাব আকারে রচিত হওয়ার পর এ পর্যন্ত এর কোন পুন:সংস্করণ হয়নি, অর্থাৎ কোন আয়াতকে বাদ দিয়ে বা সংশোধন করে পূন:সংস্করণ প্রকাশ করা হয়নি এবং কেয়ামত পর্যন্ত আর কোন সংস্করণ কারো দ্বারা সম্ভব হবেও না। কারণ মহান আল্লাহু তা’য়ালা আল কুরআনকে পরিপূর্ণতার ও সম্পূর্ণ করার চুড়ান্ত সিদ্ধান্তের এবং এর হেফাজত তিনি নিজেই করবেন বলে ঘোষণা, এ কিতাবের মধ্যেই দিয়ে দিয়েছেন। হযরত মুহাম্মদ (সা:) যাকে একবার কুরআনের আয়াত বলে প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, তা হুবহু কুরআনে স্থান পেয়েছে। ঐ আয়াতটির সংশোধনী দিয়ে পরবর্তীতে আর এর পরিবর্তন করা হয়নি। অবস্থার প্রয়োজনে হয়ত এ একই বিষয়ে অন্য আয়াত নাজিল করা হয়েছে। কিন্তু এ আয়াতটি যে ভাবে প্রকাশিত হয়েছিলো ঠিক সে ভাবেই রেখে দেয়া হয়েছে। কুরআন নাজিলের শুরুতেই অর্থাৎ কথা বলার বা লিখার প্রারম্ভেই তার মানে মানুষের বিবিধ প্রয়োজনে সম্পূর্ণ কুরআন শরীফ ফেরেশতাকুল শীরমনি হযরত জীবরাইল (আ:) মারপথ পৃথিবীতে হযরত মুহাম্মদ (সা:) এঁর নিকট আগমিত হতে সময় লেগেছিলো ২৩ বছর; এর শুরুতেই এবং একধম শুরুতেই ( কিতাব আকারে পান্ডলিপি প্রস্তুতের দিক থেকে) পবিত্র কুরআন  আরম্ভ করা হলো এভাবে, এর মধ্যে ভূল-ত্রুটি বা সন্দেহের লেশ মাত্রও নাই এবং পরে আবার বলা হলো পুরো বিশ্বের মানব জাতি ও জ্বীন জাতির সকল সদস্য একত্রিত ভাবে যৌথ প্রচেষ্টা করলেও এ কিতাবের একটি অধ্যায়ও রচনা করতে পারবে না। শুধু তাই নয়, পৃথিবীর জ্ঞানী-বিজ্ঞানীদের দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে যে এবং বর্তমানে তারা স্বীকার করেছে যে, ইহা বিশ্বের সেরা সাহিত্য, ইতিহাস, বিজ্ঞান আর বিধানের গ্রন্থ। উপরের বিষয়গুলো নিয়ে গবেষণা আর চিন্তা-ভাবনা করলে, ইহা স্পষ্ট যে, কেবলমাত্র মহান রবের কাছ থেকে কোন বাণী বা কিতাব নাযিল হলে, শুধু উহাই এ রকম বৈশিষ্ট্যের হতে পারে। না হয় কোন মানুুষের রচিত কিতাবের বৈশিষ্ট্য কোন দিনই এ রকম হতে পারে না। পবিত্র কুরআনকে নিয়ে আমি যেভাবে বিশ্লেষণ করেছি; দয়া করে এ বিষয় গুলোকে নিয়ে আপনারা একটু গবেষণা করুন। এতে আপনার কাছে কী মনে হয়, ইহা কোন মানুুষের তৈরী হতে পারে? আপনার ধর্মগ্রন্থকে নিয়ে এভাবে গবেষণার পর এবং এ আলোকে আপনি কি এ সিদ্ধান্তে উপনিত হতে পারবেন যে, ইহা আল কুরআনের সমকক্ষ? অথবা আপনার ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী আপনার নিকট কোান্ কোন্ যুক্তি রয়েছে যে, আপনাদের ধর্মগ্রন্থ সৃষ্টিকর্তা হতে প্রেরিত? সৃষ্টিকর্তাকে চেনার জন্য এসব নিয়ে কি কখনো গবেষণা করেছিলেন? কেন গবেষণা আর চিন্তা-ভাবনা করবেন না; পৃৃথিবীতে বিরাজমান একই সাথে একাধিক ধর্ম কি কখনাে সত্য হতে পারে? পারে না। দেখুন আমি বুঝে-শুনে বলছি যে, ইসলামই একমাত্র সত্য ধর্ম। তাই আমি আন্তরিক ভাবে আপনাকে অনুরোধ করছি যে, আপনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করুন। আর যদি আপনার এখনো বুঝে না আসে, তাহলে আপনার প্রতি আমার উপদেশ হচ্ছে, বিষয়টি বোঝার লক্ষে আপনি নিরপেক্ষ ভাবে আপনাদের ধর্মীয় কালচার, নিয়ম-কানুন, ধর্ম প্রচারক, ধর্মগ্রন্থ ও এর স্বাপেক্ষে মানুষের প্রয়োজনীয়তায় ধর্মের অবদান ও চাহিদা এবং বর্তমানে আপনাদের স্ব-জাতিদের বিভিন্ন অবস্থা ইত্যাদি নিয়ে গবেষণা করবেন। আর সাথে সাথে উপরে লিখিত বর্ণনা অনুযায়ী আমার এ ওয়েবসাইট থেকে প্রকাশিত প্রবন্ধ ও ভিডিও সমূহ কোথাও স্কিপ না করে বা টেনে টেনে বা কোথাও বাদ না দিয়ে সম্পূর্ণ পড়বেন, দেখবেন এবং গবেষণা চালিয়ে যাবেন। আর মহান প্রভূর কাছে, কোনটি সত্য ধর্ম, কে প্রকৃত প্রভূ, তা বুঝিয়ে দেয়ার জন্য কায়মনোবাক্যে দোয়া করতে থাকবেন। দেখুন, আমি আপনার স্বজাতি নয় বলে, আমাকে হিংসা করবেন না। আমি আসলে আপনার হিতাকাংখী, আপনার মঙ্গলকামী; কখনো হিংসুক নই। আপনারা ক্ষতিগ্রস্থ হোন, ইহজীবন আপনাদের ব্যর্থ হয়ে যাক, পরজীবনে আগুনের মধ্যে আযাবে আবদ্ধ থাকেন, আর সীমাহীন কষ্টে নিপতিত হন; ইহা আমি চাইনি, ইহা ভাবতেই আমার প্রাণ কেঁদে উঠে। কারণ দুনিয়াতে বিভিন্ন প্রয়োজনে একসাথে, একই সমাজে এবং বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে একত্রে সময় কাটিয়েছি। তাই আপনাদের অনেককে ভালোবেসে ফেলেছি, দয়া-মায়া জন্মে গিয়েছে। এ জন্যে অনেক সময় নিরবে ভাবি, হায় আপনি বুঝি নরকে চলে যাবেন!? অথচ দুনিয়াতেতো অনেক সময় একসাথে ছিলাম; অনেক সময় বিভিন্ন সুবিধাদিও নিয়েছিলাম। তাহলে আপনার জন্য আমি কিছুই করতে পারবো না? দ্বীন প্রচারের দায়িত্ববোধ এবং এ মর্মবেদনা থেকেই আমার এ প্রচেষ্টা, ত্যাগ স্বীকার ও সময় ব্যয়। আশাকরি আমায় ভূল বুঝবেন না। গবেষণা চালিয়ে যাবেন। এ আশাবাদ ব্যক্ত করে এবং আগামী প্রবন্ধ ও ভিডিওতে অংশগ্রহণ করার জন্য এবং এ লক্ষ্যে আমার চ্যানেল ও পেজটি সাবস্ক্রাইব, লাইক, ফলো করার জন্য এবং আমাদের  ওয়েবসাইটটিতে (উপরে উল্লেখিত) নিয়মিত ভিজিট করার জন্য অনুরোধ জানিয়ে আজকের মত এখানেই শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

(চলবে)

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বন্ধন ফাউন্ডেশন: