নিপীড়ন ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জ্ঞাপন এবং এর সুষ্ঠ বিচার ও শাস্তির আবেদন।

 

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

18 মে 2021,   উক্ত আবেদনটি মোট 25 

পৃষ্ঠায় সম্পাদিত (যেহেতু  সংবেদনশীল 

আবেদন)।

মাননীয় সভাপতি,মসজিদ পরিচালনা কমিটি, হাজী জিনাত আলী ভূঞাঁ জামে মসজিদ।

(যেহেতু অনলাইনে প্রকাশ করার ইচ্ছা আছে, তাই ঠিকানা প্রদান করা হয়নি)

বিষয়: মসজিদের পরিচালক এবং ঈমাম 

সাহেবকে অপসারণের আবেদন।

মাধ্যম: ফেসবুক, ইউটিউব এবং ওয়েবসাইট (টেক্সট ও ভিড়িও এর মাধ্যমে এবং উদাহরণ হিসেবে সমাজকে শিক্ষা প্রদানের উদ্দেশ্যে)

 জনাব,

সবিনয় নিবেদন এই যে, এ বছর সুন্নাত এতেকাফে 

আপনাদের মসজিদে অবস্থানের সময় তথ্যসন্ত্রাস ও বাহুবলের মাধ্যমে সম্পূর্ণ অবৈধ ব্যক্তিগত 

স্বার্থে মসজিদ, নামাজ ও সমাজ ব্যবস্থাকে কলুষিত করে এবং মসজিদে নামাজের পরিবেশ বিঘ্নিত করে মসজিদের পরিচালক (আমার ইমিডিয়েট বড় ভাই) এবং ঈমাম সাহেব কর্তৃক আমাকে সীমাহীন ও অবর্ণনীয় মানসিক যন্ত্রণা প্রদান করা হয়। এতে আমি প্রায় রোগী হয়ে পড়ি। আমার মানসিক ভারসাম্য হুমকির সম্মুখিন হয়ে পড়ে। আমার ভাই, মসজিদের পরিচালককে খুশি রাখতে এবং তার ইঙ্গিতে এ দু’জন, বিশেষ করে হুজুর কর্তৃক, যেহেতু সাধারণ মানুষ তাকে বিশ্বাস ও ভক্তি, শ্রদ্‌ধা করে, আর এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আমাকে মানুষের কাছে দুষ্ট প্রকৃতির লোক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। মসজিদকে তারা যেন খেলার মাঠ বা তামাসার ক্ষেত্র এবং নামাজকে যেন অভিনয় আর ক্রীড়া, কৌতুকে 

রুপান্তরিত করে আমাকে অবদমিত, পদদলিত ও আঘাত করে সমাজে অপমাণিত ও নিম্নমূখী করা (যা হয়ত আমার ভাইদের দোষ ঢাকার একটি নকশাও হতে পারে) এবং প্রতি হিংসা ও গরীব লোকদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য এবং অবদমিত করে রাখার কূ-স্বভাব বশত: তারা সমাজে সম্মানী ও দামী থাকা, এটিই এ পরিস্থির মূল কারণ বলে মনে করি। যেহেতু এর মূল উৎপত্তি আমাকে ঘিরে এবং আমাদের বংশ থেকে, তাই এ আবেদনের সংঙ্গে এ বিষয়ক প্রয়োজনীয় বিবরণ সংযুক্ত করে (ঈমাম সাহেবের বিরুদ্ধে অভিযোগ সমূহ সহ) আপনার জ্ঞাতার্থে পেশ করলাম।অতএব, আমার প্রার্থিত বিষয়ে গবেষণা ও অনুসন্ধান করে উক্ত দু’জনকে অপসারণ করত: মসজিদ, নামাজ তথা দ্বীনকে হেফাজত করার জন্য বিনীত প্রার্থনা করছি।

নিবেদক,

মুহাম্মদ আরিফ উল্যাহ,

উদ্যোক্তা, প্রতিষ্ঠাতা ও এমডি, বন্ধন ফাউন্ডেশন

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

অপরাধ প্রমাণের স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় বিবরণ

17 মে 2021

(মসজিদ, নামাজ ও মানুষের মানসম্মানের দিকে দেখে হলেও কষ্ট করে এ প্রবন্ধের পুরোটা পড়বেন এবং সক্ষমতা অনুযায়ী নিজ নিজ এলাকায় এ ধরনের সমস্যা গুলোতে ব্যবস্থা নিবেন।)

ভূমিকা: সমাজের নের্তৃস্থানীয় ও কূচক্রীমহল কর্তৃক নিরীহ ও নির্দোশ মানুষের উপর নির্যাতন ও নিপিড়নের বর্ণনা এবং এ ন্যাংকারজনক ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জ্ঞাপন।

বিষয়: দশ দিনের যন্ত্রণাদায়ক এতেকাফ  এবং মসজিদ, নামাজ ও সমাজ ব্যবস্থার বীভৎস রুপের বিবরণ এবং এ দু:খজনক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের সুপারিশ। একই সাথে এর সুষ্ঠ  বিচার ও উপযুক্ত শাস্তি দাবী করে উক্ত মসজিদ কমিটির নিকট আবেদনের স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা প্রদান।

মসজিদের পরিচালক এবং বিশেষ করে ঈমাম  সাহেবের বিরুদ্ধে (যেহেতু তিনি আলেম) আনিত বড় ধরনের অভিযোগ সমূহ:

  1. 1. কোমলমতি সরল মানুষদের সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা; নিজের অবৈধ স্বার্থে এবং জেনে-শুনে তাদেরকে ভূল বোঝানো।

  2. 2. নির্দোশ মানুষের উপর দোষের তোহমত চাপানো ও সংক্ষুদ্ধ পক্ষকে অপরাধে প্রলুব্ধ করা।

  3. 3. সমাজে ফেৎনা সৃষ্টি করা।

  4. 4.গীবত ও চোগলখুরী করা।

  5. 5.মানুষকে মিথ্যা আশ্বাস দেয়া।

  6.  6.জুলুম করা।

বিবরণ: আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। বর্তমান 1442 হিজরী সনে সুন্নাত এতেকাফের উদ্দেশ্যে আপনাদের মসজিদে আমি গমন করি। আমার সম্পর্কের সীমাবদ্ধতা, সময় ও বিদ্যার স্বল্পতা এবং সম্পদের অপ্রতুলতা হেতু এবং বিষয়টি ষ্পর্শকাতর হওয়ায় আমি শুধু মূল বিষয়গুলি লিখছি। কারণ যাদের বিরুদ্ধে লিখছি ও বলছি তাদের একজন আমার সহোদর বড় ভাই (মসজিদের পরিচালক) এবং অন্যজন সম্মানিত আলেম ( মসজিদের ঈমাম সাহেব)। যেহেতু আত্মীয়তা ছিন্নকারী বেহেশতে যাবে না এবং আলেমগণ পয়গম্বরগণের ওয়ারিশ (ব্যাখার জন্য হাদিস শরীফ দ্রষ্টব্য) এ দুটি সত্যবাণীর উপস্থিতিতে এবং এ বাস্তববাণীর মোকাবেলায় এ রিলেশানের কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা ও শাস্তি দাবী করা একান্তই সতর্কতামূলক। তাই বাস্তব ফিল্ড ও নিজ জ্ঞান দ্বারা বিষয়টি অনুধাবন করে নেয়ার জন্য এবং এ বিষয়ে চিন্তা, ফিকিরের মাধ্যমে ও ঘটমান এ সমাজ থেকে জ্ঞান আহরন করে নেয়ার জন্য অনুরোধ করছি। আর এটি বুঝানোর স্বার্থে আপনাদেরকে কিছুটা ব্যাকগ্রাউন্ডের এক্টিভিটিস ডিসপ্লে করা প্রয়োজনীয় মনে করছি। আমি একটি বিশেষ কারণে জীবনে অর্থ, সম্পদ, চাকুরী;  এমনকি জ্ঞান বুদ্ধি সব হারিয়ে আমার ভাই, বন্ধু, পরিবার, পরিজন সকলের অবহেলা ও ভোঝার পাত্র হয়ে গিয়েছিলাম। তবে জ্ঞান- বুদ্ধি ও সৎসাহস হারানোর পিছনে অনেকাংশে মানুষ কর্তৃক বিভিন্ন ভাবে অপমাণ, লাঞ্চনা, অবহেলা ও অত্যাচারকেই দায়ী করছি। সবাই মনে করলো আমার ভিতর আর কোন সম্ভাবনা নেই; অচিরেই ছোট বড় সকলের তুচ্ছ তাচ্ছিল্লের পাত্রে পরিণত হলাম। আমার হক গুলোকে নাহক করা এবং আমাকে অপমাণিত ও বঞ্চিত করা আরম্ভ হতে থাকলো।…… বর্তমানে আমি এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ও সম্পূর্ণ তাদের টাকায় bondhon foundation নামে একটি সমাজ সেবামূলক প্রতিষ্ঠান আরম্ভ করি এবং মহান আল্লাহু তা’য়ালার অশেষ রহমতে প্রায় আট লক্ষ টাকা ব্যয়ে এর অফিস রুম প্রতিষ্ঠা করতে সমর্থ হই। এতে কোন টাকা বা সমর্থন আমার পরিবার কিংবা বংশ অথবা কোন আত্মীয়স্বজনের নেই। আপনজন যখন কোন কাজে সহযোগিতা করেনা তখন আসলে সে বিরোধিতা করে। প্রধানত এ কারণে প্রতিনিয়তই আমি শিশু থেকে গন্ড মূর্খ অথবা ধূরন্ধর সকলের নিকট তাদের ভাষায় ও ব্যবহারে অপমাণিত ও লাঞ্চিত হচ্ছি এবং পরিজনদের হিংসার পাত্রে পরিণত হয়ে গেছি অথচ প্রতিষ্ঠানটি দিয়েছি শুধুমাত্র মানব ও সমাজসেবার উদ্দেশ্যে। এইতো সেদিন আমার মোবাইলে থাকা সকল ইমো নাম্বারে অমাদের ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজ সাবস্ক্রাইব, লাইক…করার জন্য অনুরোধ করে ম্যাসেজ দিলে আমারই ভাতিজা অমাকে পাল্টা ম্যাসেজ দেয় যে, নেক্সটাইম তাকে এ ধরনের কোন ম্যাসেজ যেন আর না দেয়া হয়, ইত্যাদি। গ্রামের প্রায় দুই শতাধিক লোককে এ ম্যাসেজ দিলেও পাল্টা রিয়েকশান করেছে শুধু আমার বংশ থেকেই।  যাকে আমরা ভৃত্য বা চাকর বা অধিনস্থ হিসেবে পেয়েছি বা পাচ্ছি, তাকেকি জীবনে কখনো সম্মান দেয়া যায়!? এছাড়া আমাদের কতো স্বজনপ্রীতি! কতো গ্রুপিং! কতো সার্টিফিকেট! কতো সম্মান! কতো ক্ষমতা! দুনিয়াতে বড় হওয়ার জন্যে আমাদের কতো বাহুবল! আর নীল নকশা! অথচ সারা জীবন কাফেরী করে এমনকি মানুষ হত্যা সহ বড় বড় অপরাধ করে শেষ বয়সেও যদি কেউ ঈমান আনয়ন করে তাহলে ঐ ব্যক্তিকেও মহান রব আপনার মত!! ও একজন ভালো মানুষের মতোই সম্মান প্রদান করেন। কিন্তু হায় আফসোস!! যা আমি আর আপনি পারি না। এছাড়া গত প্রায় 22 বছরেরও বেশী সময় কাল ধরে 5 ওয়াক্ত ফরজ নামাজ আমি মসজিদে পড়ি, ঘরে পড়ি না; আগেও পড়তাম, তবে 5 ওয়াক্ত মসজিদে পড়তাম কিনা তা হয়ত ক্লিয়ার করতে পারছি না এবং আমার ছোট বেলা থেকে কোন মিথ্যা কথা বলেছি, আমার মনে হয় এলাকার কেউ এ প্রমাণ দিতে পারবে না; আমার ভাই-ভাতিজারাতো এ রকম নয়, তাহলে আমার স্বভাব সমষ্টি তাদের মত হবে কেন? কেন আমি তাদের নের্তৃত্ব মেনে নিবো,  আমার বর্তমানকার অবস্থা মনে হয় এ রকমই। এ ধরনের বিষয় গুলোই মনেহয় এ হিংসা-হিংসির মূল কারণ।

 তবে যেহেতু আমি আমার বংশ ও একজন আলেমের বিরুদ্ধে বলছি এবং ইহা আমার নিজের জন্যেও অপমাণজনক ও আমার বংশের জন্য একান্তই লজ্যাষ্কর বিষয় বিধায় আমার স্বভাবের সামান্য হলেও প্রকাশের প্রয়োজন মনে করছি। সাহিত্যিক ভাবধারায় ভাবগত ভাবে বললে বলতে হয়, দুনিয়ার কেউ আমার আপন নয়, কেউ আমার পরও নয়; আমি আপনার সুনাম কিংবা বদনামের জন্য কোন কাজ করি না; আমার ধন-সম্পদ, মা, বাবা, পুত্র, কন্যা, স্ত্রী, পরিবার পরিজন, বন্ধু বান্ধব, কেউ নেই (কারণ আল্লাহু তা’য়ালার জন্য আমি সবাইকে উৎস্বর্গ করে দিয়েছি); আমি একা এবং আমার জন্যেও আমি বাঁচি না, আমার জীবন, আমার মরণ, আমার ধন-সম্পদ, আমার মা-বাবা, আমার স্ত্রী,পুত্র,কন্যা, আমার সকল আত্মীয় এবং আমার বেঁচে থাকা সবই মহান আল্লাহু তা’য়ালার জন্যে। সারা দুনিয়ার সবাই আমার আপন এবং সবাই আমার পর। কেবলমাত্র সত্যই আমার সাথী, আবার আমি শুধু সাওয়াবের মোহ্তাজ নই। আমার রব একমাত্র মহান আল্লাহু তা’য়ালা, আর আমি মুধুমাত্র তাঁরই গোলাম। আল্লাহু আকবার। বেহেশত দোজগের হিসেব করার আমার সময় নেই। মহান আল্লাহু তা’য়ালার ভালোবাসাময় পদতল পাই কিনা; মানুষ না বুঝলেও এটিই আমার জীবনের যে কোন আমলের উদ্দেশ্য। তাঁর জন্যই আমার যত দোস্তি এবং তাঁর জন্যই আমার যত দূষমনি। আমি শুধু আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা এবং মানুষের খেদমত করতে চাই। এ অবস্থাটিটে যাতে অটল থাকতে পারি,  মহান রবের কাছে এ আমার প্রার্থনা। এক্ষণে বেশী পান্ডিত্য জাহির করে এবং আমার গরীবি অবস্থা প্রকাশ করে বিচারককে প্রলুব্ধ করতে চাইনা। আমি জানি আমার এ নিবন্ধটির ভাষা আজকে জটিল হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু কী করবো, সহজ কথা বলতে পারি সহজে, বাট লিখতে পারি না সহজে। তবে স্মরণ রাখতে হবে এ লিখা জাস্টিজদের জন্য, যাতে দুর্জন বলতে না পারে, দুনিয়ার শ্রেষ্ঠতম আদালত মানব মস্তিষ্ক!! আর এ সব উন্নত! ও শ্রেষ্ঠ মস্তিষ্কের বিচারে আমার বিদ্যা, বুদ্ধি নেই বলে চতুর্দিক থেকে [ শিশু এবং অবোধ বা নির্বোধ ব্যক্তিগণ কর্তৃকসহ অনেক সময় অনেক লজ্যাস্কর ভাবে অহরহ অযথা পরিক্ষায় পড়েছিলাম; আমাকে উদ্দেশ্য করে বালক ছেলেরা ও অনেক সময় বড়রাও একজন একজনকে উপমা দিয়ে, তুই-তোয়াঙ্গারী করে উদ্দেশ্যগত ভাবে আমাকে পরীক্ষা করতো, ভয় দেখাতো; অথচ আমি পাগল ছিলাম না, আমার এ বিশেষ অবস্থাটিতে আমি কিছু জানি না, পারি না, রোগী, সহজ-সরল সমাজে এ কথা গুলো ছড়িয়ে দেয়ার জন্য আমার মনে হয় আমার ভাইগণই সবচাইতে বেশী দায়ী এবং এর শুরু থেকে, অর্থাৎ গত 21 বছরে কী হয়েছে না হয়েছে ইনশা’আল্‌লাহু তা’য়ালা তার প্রায় পুরোটাই আমি বলতে পারবো। এ অবস্থাটিতে আমারই বড় ভাই, বিশেষ করে জেঠাতো ভাই কর্তৃক আমার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হয়েছিলো নির্মম, আক্রমণাত্মক ও প্রচন্ডভাবে, অনেকটাই অমানবিক আকারে জুলুমের মতো করে। তার উদ্দেশ্য ছিলো মনে হয় পরবর্তী জীবনে আমার উপর ভীতির সঞ্চার করা। তারা অনেকটা সমর্থও হয়েছিলো, নাহয় চিকিৎসা কোনদিন কারো উপর এভাবে অত্যাচার করে করে না। এছাড়া যতটা না বাস্তব তার চাইতে অনেক অনেক বেশি অপপ্রচারের কারণে আমি প্রায় বিপদসংকুল হতাম। হয়ত একজন অবোধ রিক্সার ড্রাইভার কিংবা অবুজ শিশু আমাকে পরীক্ষা করে দেখলো যে আমি উগ্র অথবা কিছু বুঝিনা, অমনি অগা মগা সহ সবাই তিরষ্কারের হাসি হাসতে থাকলো। যেহেতু তাদেরও (মানে মানুষের) মস্তিষ্ক হচ্ছে শ্রেষ্ঠতম আদালত!! আর এ জন্যেই মনে হয় দুনিয়াতে অনেক নিরপরাধ ব্যক্তি শাস্তি ভোগ করে; কিন্তু সাবধান! কাল কেয়ামতে আপনার এ বিচারটি আবার করা হবে; এক্ষণে আমি আপনাকে প্রশ্ন রাখি, সেখানে কি আপনি বলতে পারবেন, আপনার মস্তিষ্ক (মানে মানুষের) শ্রেষ্ঠ আদালত ছিলো? কারণ বিভিন্ন মানুষের আদালতরুপী মস্তিষ্কের বিবেচনায় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জনের কাছ থেকে আমি যন্ত্রণাদায় কষ্ট পেয়েছি। যেহেতু আমি মানুষকে অতি ভালোবাসি, তাই এ যন্ত্রণা তীব্ররুপে আঘাত করেছে আমার দেহ, মন ও ব্রেনে। কখনো প্রতিউত্তর দিতে পারতাম না। কারণ আমি নিজকে নিজেই শুধু ব্যক্তিত্ববান মনে করতাম! আর মানুষদের একপক্ষতো আমাকে কোনরুপ মূল্যায়ণই করতো না এবং এখনো করে না।  আপনাদের স্মরণ থাকা উচিৎ আল কোরআন বলছে মানুষকে খুব সামান্যতম জ্ঞান দেয়া হয়েছে। আর দুনিয়া-আখিরাতের আদালত একমাত্র মহান আল্লাহু তা’য়ালার, যেহেতু মানুষের অপরাধের শাস্তি মহান আল্লাহু তা’য়ালা নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন এবং মানুষের যে কোন বিচারের  রায়, শুধুমাত্র তাঁরই হুকুমের বাস্তবায়ন। মানে আলকোরআনের  বিচারের রায় মেনে নেয়া। অন্য দিকে মানুষ নিজের কর্মফলই শুধু নিজে ভোগ করবে, এখানে কেউ কারো জন্য দায়ী নয়; এ জন্যেই আমরা পাপীকে নয়, শুধুমাত্র তার পাপকেই ঘৃণা করবো ] আমাকে আঁটকিয়ে দেয়া হচ্ছে; অথচ হাকিম হতে হলেতো এ রকম ভাষা আপনাকে বুঝতে হবে। যাক এবার ঐ দুই অপরাধী কর্তৃক আমার বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘঠনের মাধ্যমে কীভাবে মসজিদ, নামাজ এবং সমাজকে কূলষিত করছে তার বিবরণ দিচ্ছি। আমার বিশ্বাস এ রকম বা বিভিন্ন ধরনের জুলুম নির্ভর অপরাধ বাংলাদেশ সহ যে কোন সমাজে ঘটছে। তাই গুগলের প্রতিষ্ঠান সমূহকে আন্তরিক সাধুবাদ ও ভালোবাসা জানিয়ে (যেহেতু তাদের মাধ্যমেই আমি, এ অবহেলিত জীবন ও পরিজন কর্তৃক চাপা দিয়ে, প্রতিভাকে বিনষ্ট ও পদ দলিত করে এবং আঁটকিয়ে রাখতে চাওয়ার বিপরীতে সম্মানজনক জীবনের স্বপ্ন দেখছি এবং এটিও সত্য যে, আমি নিমক হারাম নই) বিশ্বের যে কোন সমাজের মানুষকে এ পরিস্থিতি নিরসনকল্পে উদ্যোগী হতে আহবান জানিয়ে এ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম সমূহে কলম ধরলাম। আশা করি আমাদের চ্যানেল,পেজ, গ্রুপ, ব্লগসাইট এবং ওয়েবসাইট ভিজিট ও ফলো করবেন এবং ভালো লাগলে সাব্সক্রাইব, লাইক, শেয়ার ও কমেন্টস করে মানুষের উপকার করবেন। our website: www.bondhonfoundation.com  youtube channel: bondhon foundation education, bondhon foundation official facebook page: bondhon foundation education, bondhon foundation official, knowledge of islam facebook group: bondhon foundation group & google address: bondhon foundation

 If you know for more information about us, please search in the those online platforms. অনলাইনের যে কোন সাইড়ে আমাদের ল্যাগো একটিই, যা দেখে আপনারা চিনতে পারবেন।

যাক এবার আবেদনকৃত অভিযোগের মূল বিষয়ে আসি। সে দিন মসজিদে তারাবির নামাজের পর রাত্রে মসজিদের পরিচালক, আমার ইমিডিয়েট বড় ভাই, আমাকে যাকাত দিচ্ছে এ কথাটি প্রকাশ করে, আমার দিকে যাকাতের 5000/- টাকা তুলে দিচ্ছেন এবং এর বেশী দেয়া যাচ্ছে না, কারণ অনেককে দিয়ে দিছেন বা দিতে হচ্ছে, এ কথাটিও বল্লেন তিনি। উল্লেখ্য যে, এ পর্যন্ত  আমাকে যাকাত দেয়ার প্রয়োজন কারো হয়নি, কারণ মানুষ আমাকে কর্ম দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করার উদ্দেশ্যে ও সমাজের উন্নতির লক্ষ্যে টাকা দিয়েছে। আর আমার এ ভাইটি কর্মের জন্য এ পর্যন্ত অন্যান্য মানুষের মত কোন টাকা না দেয়নি। এখন মসজিদে আমাকে যাকাত দিতে আসে (এখানে যাকাত নেয়াটাকে আমি অপমাণ মনে করছি না, গরীব হলে সে যাকাত নিবে, ইহা তার হক। আমিও গরীব, কিন্তু আমার কাছেতো টাকা রয়েছে)। উনার ঘর আমার ঘরের সাথে, তিনি মসজিদে টাকাটা না দিয়ে আমার ঘরেওতো দিতে পারতেন। আর যাকাত দিচ্ছি এ কথা প্রকাশ করার কী দরকার ছিল তার। আমি আমার এ ভাইটিকে অতি মুহাব্বত এবং অতি শ্রদ্ধা করতাম ও আলেমদেরকে অতি ভক্তি করতাম। যার জন্য আগে অনেক কিছু বুঝতে পারলেও কখনো এভাবে প্রতিবাদ করিনি। ঠকে গেলেও সয়ে গেছি। এখানেও হয়তোবাএর বিপরীত হতো না, যদিনা দেখতাম মসজিদের (মিস্টার!) হুজুরটি আমার দিকে চোখ রাঙ্গাচ্ছে, আর আমার ভায়ের মুসকি হাসির আভা বেরুচ্ছে (এ ছিলো তখনকার ঘটমান পরিস্থিতি)। টাকা গুলো লওয়ার জন্য, ভাই এবং তাকে নম নম করার এবং পরবর্তী জীবনেও তাদের দু’জনের অধীনতা শীকার করার, এ বিষয়ে তাদের দুইজনের একটা ফরমান ক্লিয়ারলি ভাবে আমি বুঝতে পারলাম। তা নাহলে হুজুরের তখন সেখানে কী কাজ ছিলো এবং তিনি সেখানে কেন অবস্থান নিচ্ছিলেন? তার মনোভাব এবং দৃষ্টিভঙ্গিইবা কেন এ রকম ছিলো এবং অন্য সময়েও তার দৃষ্টিভঙ্গি, মনোভাব এবং আমার সাথে তার ব্যবহার এ রকম কেন হয়? তার মনে কষ্ট যাবে এ রকম ব্যবহারতো কই কখনো আমি তার সাথে করিনি! তাহলে তিনি আমার সাথে এ রকম ব্যবহার  করবেন কেন? অবশ্য তখন মসজিদে আমাদের নিকটে হুজুর ও একটু দূরে এতেকাফের তিনজন লোক ব্যতিত আর কোন লোক ছিলো না। তবে বাহির থেকে হয়তোবা বিষয়টি অনুধাবন করা যাচ্ছিলো। এ দিকে এতেকাফ থেকে বের হয়ে যেখানেই যাই সেখানেই দেখি, সবাই আমাকে অসুস্থ মনে করছে এবং আমি হিম্মত হারা হয়ে একধম সোজা হয়ে গেছি; সবাই যার যার মতো করে এ বিষয় দু’টি সহ আমার সার্বিক দিক ফরখ করছে। এ যেন আরেক নতুন যন্ত্রণা! বুঝতে বাঁকি থাকলো না। আমার ভাইদের এ গ্যাংটি আমাকে কারাগারের অবর্ণনীয় কষ্ট দিয়ে বাহিরে প্রকাশ করেছে আমি অসুস্থ হয়ে গেছি এবং হিম্মতহারা হয়ে গেছি। এ জন্যে বাহিরের লোকগণ ও আমাদের প্রতিষ্ঠানের সদস্যগণ আমাকে ট্রাই করতে চাচ্ছে। চাইবেই কারণ তাদের অনেকগুলো টাকা আমার কাছে জমা আছে। আমাকে নিয়ে তারা স্বপ্ন দেখে। তাহলে ভাবনার বিষয়, কেন সবগুলো ভাই, প্রায় সব গুলো আত্মীয় আমার বিরোধিতা করে, তাহলেকি আমার ঐ বিশেষ অবস্থাটির সময় এমন কিছু ঘটেছিলো যা আমার প্রতি অত্যাচার বা ঝুলুমের পর্যায়ভূক্ত ছিলো? যা প্রকাশিত হয়ে গেলে আমার সকল আত্মীয় দোষী সাব্যস্ত হয়ে যাবে? তাহলে আমার জমি গুলোকি না বিক্রি করলেও হতো? আমাকে এতো হাসপাতালে না রেখে, এত ঔষুধ না খাইয়ে, এত শক্তি প্রয়োগ না করে, এত কষ্ট না দিলেও কি হতো? আমি অতীতকে নিয়ে কখনো ভাবিনি, ভাবতে চাইওনি এবং এখনো ভাবি না। কারণ আমি জানি অতীতের গ্লানি যদি আমাকে মূহ্যমান করে, তাহলে ভবিষ্যতের উদ্ভাসিত আলোতে পৌঁছতে তা একটি বাধা হিসেবে আমাকে পীড়া দিবে এবং এটি ভবিষ্যতে আমার উজ্জ্বলময় নবদিগন্তের দ্বার উম্মোচনে অনগ্রসরতার একটি কারণ হবে। 

আর তাই অতীতকে নিয়ে আমি অযথা কখনো ভাবি না, ইহা আমার একটি স্‌বভাব । কিন্তু মসজিদে কেন এ হলিখেলা? আপনাদের জানা উচিৎ ছিলো, এটি আমার রবের ঘর, এখানে আপনাদেরকে আমি মানবো না। বুদ্ধিটা মনে হয় আপনাদের সঠিক ছিলো না। আর তাই মহান আল্লাহু তা’য়ালার ভয় ও ভালোবাসার কারণে আত্মীয়তা ছিন্নকারী বেহেশতে যাবে না ও অলেমগণ পয়গম্বরগণের ওয়ারিশ এ বিষয়গুলো আমাকে ধরে রাখতে পারেনি এবং আমি জেনে শুনেই তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলাম। পাগলামি করে নয়। এবার আমার এটিচূডের কারণে তিনি তৎক্ষণাৎ দ্রুতবেগে সেখান থেকে বেরিয়ে যান। যাক এভাবে বুঝি আপনারা বিভিন্ন কায়দা করে দূর্বল, নির্বোধ, অবলা আর শক্তিহীন মানুষদের উপর নীল নকশা করেন ও এ ধরনের অসহ্য যন্ত্রণা দিয়ে বুঝি আপনারা জাতীর কাছে জ্ঞানী আর সম্মানী হন।চিন্তা করুনতো, কবরে যাবেন না!? এখন আপনাকে সারা দুনিয়ার বাদশাহী আর ক্ষমতা দিলে আপনিকি সাপ-বিচ্ছু ভরা বিছানায় শুধু একটি রাত অথবা শূধু একসেকেন্ড থাকবেন। আপনারকি মনে হয় না এগুলো আসলে আপনার অর্থ, ক্ষমতা আর সম্মান নয়; এগুলো আসলে সাপ, বিচ্ছু আর গণগণে তীব্র আগুন ছাড়া আর কিছুই নয়। এই শুনুন আপনাকেই বলি, আসলে আমি কলম ধরলে সেটি চলতে থাকে। একসময় আপনাদের ধৈর্যচ্যূতি হয়ে যায়। তারপরও আমার উত্তরটা দিয়ে যান। আদালতে যেমন একজন মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মিথ্যা স্বাক্ষী দিয়ে প্রতিপক্ষকে ফাঁশির রশিতে ঝুলিয়ে, মানে মানুষ হত্যা করে, টাকা পকেটে নিয়ে বাড়ি যায়; আপনারাওকি সে রকম না? তাহলে মসজিদে এসে সাধারণ মানুষদেরকে কী দেখান এবং মহান আল্লাহু তা’য়ালাকে কী বলেন। আসলে আপনারা বলেন কী, আর করেন কী? এটা কি মুনাফেকী আমল না? 

মানুষের সাথে নয়তো, সরাসরি আপনার রবের সাথে মিথ্যা বলছেন। আমারতো মনে হয় আমরা মসজিদে যাই ঠিক আদালতের মত, মহান হাকিমের নিকট হাজিরা  ও জবানন্ধী দিয়ে আসি। কাঁদের ফেরেশতাদের নিকট যা রেকর্ডেড থাকে এবং স্বাক্ষী হিসেবে থাকে মহান আল্লাহু তা’য়ালার প্রতিনিধিবৃন্দ। এখন বিশ বা ত্রিশ মিনিটের মিথ্যা আর লোক দেখানো হাজিরাইকি আপনার কেইস থেকে মুক্তির সমাধান? মহান আল্লাহু তা’য়ালাকি আপনাদের মনের আসল খবর বুঝেন না? তাহলে  দশ বা বিশ মিনিটের মসজিদে আপনার মিথ্যা স্বাক্ষীর উপস্থিতি, কী করে আপনার জীবন সমাধান হবে? কেইস থেকে মুক্তি যদি মিথ্যা জবান বন্দী দিয়ে না হয়, তাহলে মানুষের জন্য দূর্ভিসন্ধী মাখা এ নামাজ আর দুনিয়াবী উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ধর্মীয় দায়িত্‌ব পরিচালনা করে, কেমন করে আপনারা মুক্তি পাবেন? তাই যারা মসজিদ নিয়ে, নামাজ নিয়ে তামাসা করছেন এবং নিরপরাধ মানুষদেরকে নিয়ে হোলি খেলছেন, আপনারা একটু চিন্তা করুন; আর যদি দোষী হন তবে অবশ্যই, তাওবা করুন। নিশ্চয় মহান আল্লাহু তা’য়লা তাওবাকারীকে বড়ই ভালোবাসেন। এবার আপনাকে প্রশ্ন রাখি, আমার লিখাগুলো পড়ে এবং কথাগুলো শুনে আমাকেকি পাগল বা নির্বোধ বা বোকা মনে হয়। তাহলে কেন আমি এ সমাজ দ্বারা বাধাগ্রস্থ হয়ে, অবোধ আর সোজা পরিচয়ের খেতাব পেয়ে, আমার ইচ্ছা গুলোকে হারিয়ে ফেলবো। মহান আল্লাহু তা’য়ালার পক্ষে আমাকেকি কেউ সহযোগিতা করবেন না? আর যদি কেউ সহযোগিতা করতে আসে, তারাকি শুধু স্বার্থের তাগিদে আসবে? আমাকে যেমন এ সমাজের অনেকগুলো মানুষ বুঝে না, ঠিক তেমনি আমাদের এ প্রতিষ্ঠান টিকেও গুটি কতক সংখ্যাক মানুষ ব্যতিত আর কেউ বুঝে না। তাই আমাদের গঠনতন্ত্রটি পড়ার জন্য, অনলাইন কার্জক্রম সমূহ ভিজিট করার জন্য ও আমাদের অফিসে এসে সবাইকে চা খেয়ে যাওয়ার জন্য দাওয়াত প্রদান করলাম। এবার আমার সে বিশেষ অবস্থাটির সামান্য একটু বর্ণনা দিই, নয়তো আপনাদের মনে প্রশ্ন থেকে যাবে। আমি নারায়নগঞ্জের বন্দর থানাধিন একটি হাইস্কুলে শিক্ষকতা করতাম। ধীরে ধীরে আমি কোরআন শুদ্ধ করা, বেশী বেশী নামায পড়া, সহ শিক্ষা পরিত্যাগ করার প্রবণতা এবং আমার চাকুরীর প্রতি অনুৎসাহ (যেহেতু সহশিক্ষা ছিলো), জিকির-আজগার, দুনিয়াবী বিভিন্ন কাজ থেকে মন উঠে যাওয়া ইত্যাদি বাড়তে থাকলো। এক পর্যায়ে আমার জাগতিক ব্রেন কমতে থাকলো। কিন্তু ধর্মীয় অনুভূতি বাড়তে থাকলো। ঘন্টার পর ঘন্টা কোরআন শরীফ তিলাওয়াত করতে থাকলাম। অনেকটা অটোভাবেই দাঁড়ি রেখে দিলাম। অর্থাৎ কোন ধরনের মানষিক জেহাদ আমাকে করতে হয়নি বরং ধর্মীয় এ কাজ গুলোতে আমি আনন্দ পেতাম। ধর্মের দিকে এত বেশী ড্রাইভ হয়ে গেলাম যে, লোকেরা মনে করলো আমার সাথে কিছু একটা আছে। না হয় হঠাৎ করে দুনিয়া থেকে এ লোক এত উদাসিন হয়ে যাবে কেন? ইতিমধ্যে চাকুরী ছেড়ে দিয়ে বাড়ি চলে এলাম। চলতে থাকলো আমার বিষয়ে পরীক্ষা। যে যার মত করে পরীক্ষা করে উত্তর জানাতে থাকলো ও তার বিপরীতে আমার উপর চলতে থাকলো কষ্টের রোলার। এরপরও ভাই, আমি কারো উপর খুব একটা চড়াও হইনি। হয়ত কখনো মজলুম হয়ে সামান্য একটু-আধতু হয়েছি। অতীষ্ট হয়ে একদিন আমার বড় ভাইকে বললাম, আমাকে রাস্তার পাশে একটি ঘর করে দেন, আর কিছু দিন আমাকে এ ঘরে একাকী থাকতে দেন। একটি ছোট বাচ্চা দিয়ে আমার ভাত পাঠাবেন। ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা আমি সুস্থ হয়ে যাবো। তিনি রাজি হলেন না। তো আমি যতটা না দুনিয়াবী জ্ঞান হারিয়েছি অতি আখেরাত মূখী হয়ে, তার চাইতে সহস্রগুণ হারাচ্ছিলাম মানুষের অজ্ঞতা আর বিজ্ঞতার অত্যাচারে। অচিরেই তারা দেখতে পেলো তাদের কারো নের্তৃত্ব বা সাপোর্ট আমি মানছি না। আমি তাদের সবাইকে বলি মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়তে; তারা কেউ শুনেনা। এ ধর্মীয় কারণে তাদের সাথে ছিলো আমার বিরোধ। কতো শব্দের গতি, আর কতো ভাবে সইতে হলো অত্যাচার। এ মানষিক রোগের কী নাম হবে, তা আমার জানা নাই। শুরু হলো আমার সাথে থাকা জ্বীন বা ফেরেশতাটিকে তাড়ানোর বিভিন্ন প্রচেষ্টা (তাদের জ্ঞান মতে)। কারণ আমি তাদের কাউকে মানিনা, বরং বিভিন্ন উপদেশ দিতে থাকি। যাক আলহামদুলিল্লাহ! আমার বড় ভাইকে দেখানো সে জায়গায় আজ আমরা বন্ধন ফাউন্ডেশনের অফিস দিতে সমর্থ হয়েছি এবং এ অফিস থেকেই আমার কার্জক্রম সমূহ আরম্ভ হয়েছে এবং আজকের এ লিখা ও ভিডিও এখোন থেকেই। যেমন এখন রাত বাজে একটা, বাড়িতে থেকে আমি কখনোই এভাবে লিখতে পারতাম না। এক্ষণে আমি বিষয়টি পরিষ্কার করে দিই। আমার সাথে যদি কিছু থেকেই থাকে, তাহলে রয়েছে  শুধুমাত্র মহান আল্লাহু তা’য়ালার  একারই সহযোগিতা। আর দ্বিতীয় আমার কাছে কোন কিছু নাই। আর আপনি যদি একনিষ্ঠভাবে রোগে, শোকে,সুখে,দুখে; শুধুই মহান আল্লাহু তা’য়ালার দিকে রুজু থাকেন; তাহলে আপনিও এ ধরনের সহযোগিতা পাবেন। তবে মহান আল্লাহু তা’য়ালা কখন কয়টা ফেরেশতা দিয়ে আপনাকে সহযোগিতা করবে, সেটা তিনিই ভালো জানেন। এখানে এই বলার সুযোগ 

নাই যে, আমাকে একটা ফেরেশতা স্ফেসালি ভাবে দিয়ে দেয়া হয়েছে। যেটি আমার বিষয়ে অনেকে কল্পনা করেন। অথবা আমি কোন এ ধরনের কিছু ভাবি কিনা, তা বিভিন্ন ভাবে আমাকে পরীক্ষা করেন। কথায় কথায় আসলে আমি অনেক কথা বলে ফেলেছি। তাই আবার কাজের কথায় ফিরে আসলাম। তো আমাকে হেয় বা পদদলিত করে রাখার এ নীল নকশাটি হয়তোবা তখনো বুঝতাম না যদিনা এ অপরাধটি মহান আল্লাহু তা’য়ালার ঘরে সংঘঠিত না হতো এবং যদিনা সেটি সম্ভাবনাময় শবে কদরের রাত্রিতে সংঘঠিত না হতো। অথবা যদিনা একজন আলেমের কাছে তার রিজিক পেতে মানুষই প্রাধান্য পায়; মানুষের তাবেদারী, মানুষের তোষামদী, পদ বাঁচাতে মানুষের সাথে অবৈধ গ্রুপিং, সর্বোপরী রিজিক মানুষ কেন্দ্রিকই হয়, এ লজ্যা জনক ও মহা পাপময় বিষয়টি না দেখতাম এবং প্রাণপ্রিয় নবীজির অবর্তমানে তাঁদেরকে ওয়ারিশ ঘোষণা না করা হতো। মুমিনতো সে মুসলমানদের দূ:খ দূর্দশায় যার হ্নদয় কাঁদে এবং তা নিরশনে সাধ্যমত যে প্রচেষ্টা চালায়; মুমিনতো সে পাশ্ববর্তী অভূক্তকে রেখে যে 

খেতে পারে না;  মুসলিমতো সে নিজের জন্য যা পছন্দ করে, তার ভাইয়ের জন্য তা পছন্দ করে; অথচ গত প্রায় 15 মাস যাবত আমার কোন ইনকাম ছিলো না। এর আগেও আমার ঐরকম কোন ইনকাম ছিলো না। এপিন্ডিসাইটিসের ব্যাথায় ঘরের মেঝে ক্যাসোড়ের মত গড়ালেও আমার কোন ভাই আমার নিকট আসেনি হাসপাতালে নেয়ার জন্য। অথচ এর আগে আমার এ মসজিদ কমিটির পরিচালক!!! ভাইটি কত্তো আমাকে হাসপাতালে নিলো। তাই এখন আমি চিন্তায় মগ্ন হই, আসলে কি ভাই আমার উপকার করলো; না আমার চিকিৎসার নামে বাবার জমিগুলো রেজিস্ট্রি করে নিলো! পরিণামে মনে হয় আমার বড় ভাইটি তখন থেকেই হয়ে গেলো আমার শত্রু বা হিংসুটে ভাবাপন্ন। ডায়রিয়ায় হাসপাতালে যাওয়ার পর আমার কোন ভাই আমাকে দেখতে যায়নি। কর্ম করে জীবন-যাপনের উদ্দেশ্যে বিক্রির জন্যে মসল্লা তৈরী করা হলে তাদের কেউ কিনতে চায়নি। আমার থাকার ঘর দেয়ার সময় ভিটি ভরাটের জন্য আমারও সমান মালিকানার বাড়ির সামনের পুকুর থেকে সামান্য একটু মাটি আনতে গেলে আমারই বড় ভাই আমাকে মাটি আনতে দেয়নি; তার কাছে পুকুরটি লাকিট, এ ওজুহাতে। অথচ পরবর্তী একসপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে আমার জেঠাতো ভাই ঐ পুকুর থেকেই বিনা বাধায় মাটি নেয়। আমি একটি মুদি দোকান দিয়ে ছিলাম; অনেক রিকোয়েস্ট করেও আমার বড় ভাইকে একদিনের জন্যেও আমার দোকানে নিতে পারিনি। অধিকন্তু আমার দোকান থেকে আমার জেঠাতো ভাই 

সামান্য পরিমাণ মসল্লার গুড়ো আনলে আমার বড় ভাইয়ের ঘর থেকে তা ফেরত দেয়া হয়। বন্ধন ফাউন্ডেশনের অফিস ভবন নির্মাণের সময়, প্রথম যেদিন ইট আনয়ন করি; সেদিন আমার বড় ভাই ক্ষিপ্ত বেগে রাগান্বিত ভাবে এসেলেবারদের উপর চড়াও হয় এবং তার জমির পাশের প্রায় রাস্তার উপরের অল্প কয়েকটি তার লাগানো পাট গাছ (খাওয়ার) তুলে ফেলার কারণে তিনি লেবারদেরকে একধম অপমাণিত করে বকাঝকা করেন। একপর্যায়ে তিনি বলেন, এটা কি তোমরা তুলেছ; না এ (আমাকে দেখিয়ে)  বলেছে। যাহোক সেদিনকার ভায়ের ব্যবহারে আমি অনেক কষ্ট পেয়েছি। এর কয়েকদিন আগে এ ভবনের কাজ আরম্ভ করলে তিনি এতে বাধা দেন। দু’এক দিন কাজ বন্ধ থাকে। এ ভবনের সম্ভবত 0.17 শতাংশ জায়গা তার ব্যক্তিগত নামে। তিনি সেটি দিতে চাচ্ছেন না। এর আগে অবশ্য আমি আভাস পেয়েছিলাম তিনি দিবেন। দেখুন বাড়িতে তার জায়গা আমাদের অন্য দুই ভায়ের চাইতে বেশি। তিনি সে জায়গাটি পুষিয়ে দিতে আমাকে পাতা বোনের মধ্যে দিয়েছেন। কিন্তু এতে কুলায়নি আমি আরো জায়গা পাই। এখন সেটি তিনি কোথা থেকে দিবেন। অবশেষে তাকে আবার পারমিশন দিতে হলো!! এরপর আমি অনেক কষ্ট করে ভবনটি করতে সমর্থ হলাম। বিভিন্ন ধরনের কষ্টের মধ্যে একটি বিশাল কষ্ট এই ছিলো যে, বাড়ির প্রায় সকলের নেগেটিভ দৃষ্টিভঙ্গির এবং অনেক সময় এটা সেটা প্রশ্ন করে বিব্রত করানোর মাঝে কাজটি চালিয়ে গিয়েছিলাম। সাথে লেনদেনের ভোঝাতো আছেই। আমার অনেক কষ্ট হয়েছিলো তখন। আমার জন্য কারো দয়া-মায়াও তখন আমি দেখতে পাইনি। আবার এখন আমার বৃদ্ধা মা ও স্ত্রী আমাকে প্রায় ভয় দেখাচ্ছে; কেউ বলছে রেজিস্ট্রি দেবে না বলে তারা জানাচ্ছে। আবার কেউ বলছে ভায়েরা খুব গরম। আমার মা আর স্ত্রীতো ভয়ে অনেক সময় আমাকে জালাচ্ছে। আবার এ জেঠাতো ভাইয়ের (উপরে উল্লেখিত) প্রায় 20 বছরের ছেলে যখন আমার 5 বছরের ছেলেকে তাদের ছাদের উপরে রশি দিয়ে বেঁধে নিচে ফেলে দিবে বলে ভয় দেখায় এবং তখন একই সাথে আমার ছেলের ও আমার বড় মেয়ের কান্নায় বাতাস ভারি হওয়ার কথা শুনি এবং এ বিষয়ে তার নিকট এর বিচার দিতে গেলে, সে ‌উল্টা আমার বিরুদ্ধে রেগে গিয়ে চিৎকারের সহিত বলে, তুই বাড়িতে বেশি করতেছস! তুই বাড়ি থেকে বাহির হ!! আর এ কথা গুলো যখন বাহিরে একটু একটু বলা আরম্ভ করি তখন আমাকে শুনিয়ে ও উদ্দেশ্য করে তার ছোট ছেলে মেয়েরা, যাদেরকে স্নেহ ধন্য মনে করতাম, তারা একজন একজনকে বলে চিকা আসতেছে, চিকা! উপ গন্ধ! ইত্যাদি! ইত্যাদি!! সেদিন পিছনের পুকুর থেকে মাত্র তিনজন লেবার দিয়ে সামান্য একটু মাটি কাটাই, লেবারগণ পরে আমাকে বলেন, সারাদিন একবারও এলেন না, আপনারকি এ পুকুরে মালিকানা নেই? আপনার জেঠাতো ভাই আমাদেরকে বার বার বাধা দিয়েছে; এদিকে কাটলে, ঐদিকে দেখায়, ঐদিকে কাটলে এদিকে দেখায় ইত্যাদি। অথচ এর পর ঐ পুকুর থেকে কত মাটি কাটা হলো। তখন আমি লেবারদেরকে বললাম, তাহলে হিংসা-হিংসি বুঝতে পারলেন। তারা বলল, হ্যাঁ, বুঝেছি। ঘরে গিয়ে যখন স্ত্রীকে কোন বিষয় জিজ্ঞাসা করি, সে বেঁচে থাকার তাগিদে অনেক সময় অনেক কিছু অস্বীকার বা গোপন করেছে। এ অবস্থায় পাইনি স্ত্রী থেকেও সম্মানজনক উপযুক্ত কোন সার্ভিস! এর প্রধান  একটি কারণ এই ছিলো যে, আমি আমার ভাই এবং বাড়ির সবাইকে অতি ভক্তি ও অতি স্নেহ করতাম। অপরদিকে সম্ভবত আমার প্রতি তাদের রিপ্লে ছিলো এর বিপরীত বা অনেক কম। তাই অনেক সময় অনেক কিছু হয়তো আমার বুঝে ধরেনি। কারণ হয়ত এমন কিছু ঘটতো যা বা যে নেগেটিভ চিন্তা আমার মনে দিলে স্থানই পেতো না। এ জন্য সীমাহীন যন্ত্রণা নিজ ঘর থেকেও আমাকে সইতে হয়েছে? আর আমার বড় জেঠাতো ভাই সব কিছু দেখে শুনে তাদেরকেই বন্ধু রুপে গ্রহণ করেছে। আমি গরীব বিধায় আমাকে বরং অবহেলা ও তাচ্ছিল্লের সহিত তার ভাষা ব্যবহারে মানুষের নিকট তিনি আমাকে অগ্রহণযোগ্য করেই রাখতে চেয়েছে। যেহেতু আমার প্রতি তার ব্যবহার, আমার কাছে ভালো লাগতো না এবং আমার প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে তার কোন সহযোগিতাও ছিলো না। অবশ্য আগে তিনি ঢাকা থাকতেন। আসলে এত  কথা লিখার প্রয়োজন ছিলো না; যদিনা অভিযোগটি আমার পুরো বংশের বিরুদ্ধে না হতো, বাড়ির পাশের মসজিদের ঈমামের বিরুদ্ধে না হতো। কারণ মানুষদেরকেতো বুঝিয়ে দিতে হবে যে, বাড়ির সবাই এবং প্রায় সকল আত্মীয় কেন আমার বিরোধিতা করে। আবার উপরন্তু মসজিদের ঈমাম সাহেবও কেন বিরোধিতা করছে। আবার লিখাটি আমার পুরো বংশ এবং সমাজের মানসম্মানের বিরুদ্ধে। কারণ মসজিদের ঈমাম একজন সমাজের ঈমাম। তাই ধৈয্য ধরে একটু বুঝতে চেষ্টা করুন। না হয় এটি উল্টা আমারই বিপদের কারণ হতে পারে। কারণ আপনি না বুঝেই হয়তো আমাকে ভূল বুঝতে পারেন। এ বিচারের আবেদনের মূল কারণ শুধুমাত্র এটি নয়। তিনি হুজুর, তার কথা, তার ইঙ্গিত সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করে। মানুষের এ সরল বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে তিনি বিভিন্ন অপকৌশলে ও ইশারা ইঙ্গিতে আমার গ্রামের প্রচুর সংখ্যক সাধারণ ও নিম্নমূখী লোকের নিকট আমি খারাপ লোক হিসেবে, বুজর্গ দাবী করছি সে হিসেবে অথবা আওলিয়া দাবী করছি এ হিসেবে হয়তোবা বুঝাতে সক্ষম হয়। আমার সম্মানিত ভাইটি! বা ভাইগণ! আর কাকে কাকে এ বিষয়ে সেট করেছে আমি ঠিক জানিনা। যে লোকটি আমার স্নেহধন্য অথবা শ্রদ্ধাশীল ছিলো সে এখন আমাকে দূর দূর করে, চারদিক থেকে বিভিন্ন শব্দ, হাঁচি, কাশি ইত্যাদি আমার বিরুদ্ধে পড়তে থাকে। বেশ কিছুদিন যাবত 

আমি ঘরে সুন্নাত পড়া আরম্ভ করি, অনেকটা মসজিদের পরিবেশ আমার অনুকলে না থাকাতে। মসজিদে শুধু ফরজ পড়তাম। অবশ্য এখন স্বভাবে পরিণত হয়ে যাচ্ছে। এতেকাফের সময় আমি যেন কয়েদি হিসেবে ছিলাম। নামাযের ভিতরেই মুসল্লিরা যেন হাঁছি, কাশি, বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি দিয়ে একে অপরকে প্রতিউত্তর দেয়। আর আমি না দিতে পারলে তখন আমি বোকা বা তাদের মস্তিষ্ক অনুযায়ী সাব্যস্ত হই। একদিন আমার সামনে আমাকে উদ্দেশ্য করে প্রতিবেশী এক বালককে হুজুর বলতেছে, লাইট ঐটিতে আলো বেশি (মানে আমার কাছে); ছেলেটি সামান্য উত্তেজিত হয়ে বলে, মানে!!! নামাযের মধ্যে জেনারেলী আমি কোন ধরনের পার্টিচিপেট করি না; কিন্তু সেদিন হুজুর কেরাতের মধ্যে জান্নাতী নামে একটি শব্দ উচ্চারনের সময় আমার ঘাড়ের উপর যেন একটা মোশা বা এ জাতীয় কিছু বসলো; আর আমি সহ্য করতে না পেরে, অনেকটা তাদের যন্ত্রণায় অতীষ্ট হয়েই সামান্য একটু জোরের সহিত অমার গর্দানের উপর হাত নেই, তখন আমার মনে পড়েছিলো, জান্নাত আপনার গর্দানের যেন তরোয়ালের নিছে; এই ছিলো আমার দূর্বলতা ও ভূল। এর পর দেখি হুজুরের কেরাতে অনেকটাই প্রফুল্য ভাব এবং নামায শেষে হুজুর আনন্দের সহিত খুশি জাহির করে মুনাজাত করছেন। অন্য একদিন হঠাৎ বিদূৎ চলে গেলে একটি আইপিএসের বাতি জ্বলছিলো; এদিকে হুজুর এবং আরো কয়েকজন সহ ব্যস্ত হয়ে গেলেন, আমাকে খুশি করার জন্য, তাড়াতাড়ি উঠে সুইসবোর্ডের কাছে গিয়ে, এ লাইটটি জ্বালাও এটি নষ্ট হয়ে গেছে, আর সবাই আমার দিকে ইঙ্গিত করতে থাকলেন। অবশ্য মসজিদের বাহিরেও ব্যস্ততার কারণে এবং পার্সোনালিটি রক্ষায়  আমি মানুষের সাথে এত বেশি পার্টিচিপেট করার সুযোগ পেতাম না। আর পরিণামে আমি ক্ষত বিক্ষত হতাম। আমি মসজিদের শান ও মান এবং নামাযের গুরুত্ব ও মর্যাদা অনুযায়ী ক্ষমতাধর ও মসজিদের প্রশাসক থেকে এ ধরনের ঘৃন্য কার্যকলাপ হওয়ায় চুপচাপ শুধু সহ্য করতাম, যা আমার মন ও ব্রেনে প্রচন্ডভাবে আঘাত করতো। আমার ভাইটিকে একদিন বললাম, বাথরুমের জন্য কয়েক জোড়া জুতা কিনে দিলে ভালো হতো। উঁনি আমাকে বলেন, তুমি কিনে দাও। এ বিষয়ে এর বেশি বর্ণনা দিতে চাচ্ছিনা। কারণ এমনিতেই অনেক বেশি লিখে পেলেছি। সম্মানিত সুধি, এ পর্যায়ে আপনাদের প্রতি আমার প্রশ্ন ,মসজিদ কি একটি খেলার মাঠ? একপক্ষ হারবে, আর একপক্ষ জিতবে? ঈমাম সাহেব এবং মসজিদের পরিচালক কি এর একটি পক্ষ হিসেবে থাকবে? মসজিদ পরিচালনা করে সমাজে সম্মানিত হওয়া অথবা সম্মানিত হওয়ার জন্যেই কি মসজিদ পরিচালনা করেন আপনারা? আর এর ঈমামগণওকি শুধু অর্থ আর সম্মানের জন্য মসজিদ ও সমাজের এ মর্যাদাপূর্ণ পদটিকে কলংকিত করছে? তাদের বন্ধুত্ব, ভাবের বিনিময়, সালাম আদান-প্রদান কি শুধু ধনীদের সাথে হবে? বাস্তব জীবনে ও মানুষের মাঝে আমলে পরিণত না করে সমাজের এ অহমিক শ্রীঙ্খলের যাঁতাকল এবং পাপের স্বর্গরাজ্য থেকে উত্তরণের দীশা, তাঁরা বুঝি শুধু ওয়াজ-নচিহতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখবে? একজন আলেম বুঝি শুধু চাকুরি করবে! অর্থ আর সম্মানের ধান্দা করবে! আর নিজের পরিবারস্থ দু’চার জনের ভরন-পোষণ দিবে! এই বুঝি শুধু তার কাজ? সম্মানিত ভিউয়ার ও পাঠকবৃন্দ আমি মনে করি, আপনার সমাজেও এ ধরনের অহমিক, ঘৃন্য, হিংসাত্মক ও স্থানীয় অপ-রাজনীতি দ্বারা মসজিদ কূলষিত। আপনারা নিচ্ছয় জানেন, প্রতাপশালী বাদশা আবরাহার শক্তি ও ক্ষমতাধর  হস্তী বাহিনীকে মহান আল্লাহু তা’য়ালা ছোট ছোট অতি ক্ষুদ্রাকৃতির পাখি দ্বারা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নুড়ি পাথরের নিক্ষেপে শেষ করে দিয়েছিলেন। আর 

পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানের এ মসজিদ গুলো মক্‌কায় অবস্থিত সে মাসজিদুল হারাম শরীফ সূত্রেই গ্রোথিত। তাই মসজিদ এবং মুমিন ব্যক্তিদেরকে নিয়ে যদি কোন তামাসা করেন, তাহলে এখনো তাওবা করেন। তা নাহলে মহান আল্লাহু তা’য়ালার আজাব ও গজব হয়তো আপনাকে বা আপনাদেরকে প্রত্যক্ষ করতে হবে। এক্ষণে এ ঘুণে ধরা অবস্থা থেকে উত্তরণে আমি প্রাথমিক প্রতিবিধান হিসেবে ব্যাখা বিহীন (যেহেতু নিবন্ধটি দীর্ঘায়ীত হয়ে যাচ্ছে) কয়েকটি সুপারিশ পেশ করলাম-

  1. 1.সম্ভবমত বাড়িতে সুন্নাত পড়ে মসজিদে শুধু ফরজ পড়ুন এবং আসা-যাওয়ায়, মানুষের সাথে কথা-বার্তায়, নামাযের ভাব গাম্ভির্জতা বজায় রাখুন।

  2. 2.মসজিদের আলো কমিয়ে দেন, রাত্রে জামাতের সময় শুধু  ডিম লাইট জ্বালান। যাতে একজন একজনের মুখ চাওয়া চাওয়ি-করতে না পারে বা প্রতি উত্তর দিতে বাধা গ্রস্থ হয় ।

  3. 3. যদি সম্ভব হয় তবে মসজিদে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করুন এবং মুসল্লিদেরকে জানিয়ে দিন যে, অপনাদের কথাবার্তা, চালচলন, গতিবিধি রেকর্ড হচ্ছে।

  4. 4.জামাতের সময় মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখার জন্যে নেটওয়ার্ক ইরেজার ব্যবহার করুন এবং নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখুন।

  5. 5. সমাজে কে বা কারা নামাজ পড়ে না, রোজা রাখে না বা প্রকাশ্য গুনাহের কাজ করে বা কার সাথে কার হিংসা এবং কেন এই হিংসা তা খতিয়ে বের করা অথবা কার দেনা-পাওনা কে দিচ্ছেনা বা কার হক, কে না হক করছে ইত্যাদি নিরশন  কল্পে মসজিদের ঈমাম সাহেবকে সেক্রেটারী করে এবং মুসল্লিদেরকে সদস্য করে প্রত্যেক মসজিদের সাথে একটি সমাজকল্যাণ সংস্থা প্রতিষ্ঠা করুন। এ প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পার্সোনালী ভাবে কাউন্সিলিং করুন এবং মুসল্লিগণ সহ মসজিদ এলাকায় দাওয়াতের কার্জ পরিচালনা করুন। এ প্রতিষ্ঠানটি মসজিদেরই একটি অংশ হিসেবে থাকবে এবং এর কার্জক্রম নামাজ কায়েম করার সাথেই সম্পর্কিত হবে। আর কোন মসজিদে এ ধরনের কোন প্রতিষ্ঠান না থাকলে অথবা নূন্যপক্ষে অন্তত এর কোন কার্জক্রম না থাকলে, তাহলে আমি মনে করি ঐ সমাজে মহান আল্লাহু তা’য়ালার নামাজ কায়েমের যে ফরজিয়ত হুকুম তা আদায় হচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে মসজিদ কমিটিকে আমি স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে, নামাজ পড়ার জন্যে আপনারা মসজিদ পরিচালনা করতেছেন ঠিক আছে, তবে নামাজ কায়েমের জন্য আপনাদের কী কী উদ্দেগ ছিলো, আমার মনে হয় এ প্রশ্নের উত্তর মহান রবকে আপনাদের দিতে হবে।

  6.  6. বিবিধ

বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয়: ইদানিং আমি আরেকটি নতুন গীবত ও ফেৎনার সম্মুখীন হয়েছি যে, আমি নাকি আমার ভাইদের সাথে কথা বলি না। ইহা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। বরং তারা আমার সাথে কথা বলেনা এবং আমাকে ধরাশায়ী করার এটি তাদের আরেকটি ধূম্রজাল। আমি হাদিস শরীফের প্রতি দূর্‌বল। এজন্যে আমাকে দোষী সাব্যস্ত করার লক্ষ্যেই বুঝি আমার বিরুদ্ধে এ মিথ্যা প্রপাগান্ডা! তারা কি বলতে পারবে, তারা কথা বলতে এসে তারা কখনো ফিরে গেছে; আর আমি কথা বলিনি? পারবে না। দেখুন, আমার মায়ের ঔষুধের খরছ আমি চালাই, গত মাসেও যখন হিসাব শেষ করলাম, আমি তাদের ভাগে কত এসেছে তা মুখে বলেছিলাম। অথচ আমি মুখে কিছু না বলি, আমাকে ফাঁদে ফেলার উদ্দেশ্যে এটি তারা চেয়েছিলো; আমি তাদের মুখাকৃতি দেখে (বড় ভায়ের) স্পষ্ট বুঝতে পেরেছিলাম। আমি আমার বড় ভাইকে বেশ কিছুদিন সালাম দিইনা, এটাও আমার বিরুদ্ধে তিনি দাঁড় করাতে পারেন। আমি সূদীর্ঘ প্রায় বিশ বছর উনাকে ছালাম দিয়েছি, উনিকি আমাকে শুনিয়ে ঠিকমত এর উত্তর দিয়েছেন? দেননি। সর্বশেষ যেদিন থেকে সালাম দেয়া বন্ধ করলাম; সেদিন তাকে সালাম দিলে তিনি অনেকটাই ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখালেন । সালামের প্রতিউত্তর না দিয়ে সালাম প্রদানকারীর হক নষ্ট করলেন, কিন্তু ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখালে, তাহলে আমি মনে করি মহান আলল্লাহু তা’য়ালার রাসূল (সা:)কেই  অপমাণ করলেন। সেদিন থেকে তাকে সালাম প্রদান আপাতত বন্ধ রেখেছি। আমি মানুষকে সালাম একটু বেশি দিতাম, এজন্য জেঠাতো ভাই অনেক সময় আমাকে বলতেন, এত ঘন ঘন সালামের দরকার নাই। বেশ কিছুদিন যাবৎ আমার মা, আমাকে বলতেছিলেন, ভায়েরা আমার উপর খুব গরম এবং সবাইকে আমি ড়েকে এনে বন্ধন অফিস রুম দেখাচ্ছি, তাই বড় ভাইকেও যেন ড়েকে এনে দেখাই; আমি তাকে ডাকিনা কেন, এটি নাকি আমার বড় ভাই বলেছে। আমার ভায়েরা আমার চাইতে অনেক অনেক শক্তিমান, তাই আমার মা এবং স্ত্রী ডরে ভয়ে অনেক সময় বিভিন্ন ভাবে আমাকে জালাত, হয়তো তাদের শান্তিপূর্ণ বাসযোগ্যতার জন্যেও করতো কিনা জানিনা। যাহোক, মূলত আমি মনেকরি, আমার বড় ভাইটি চেয়েছিলো আমাকে দূর্বল করতে ও তার নিকট নতজানু হয়ে তার কাছে দূর্বল থাকতে এবং পরিণামে আমাকে অনগ্রসর করে দিতে। ইহাই আমি বুঝতে পেরেছিলাম। তাছাড়া তিনিতো  তার এক্টিভিটিজ দ্বারা এ প্রতিষ্ঠানের বিরোধিতার পরিচয় দিয়েছেন। এ শর্তে তিনি আমার ভাই হলেও এ প্রতিষ্ঠানের একজন বিরোধি শক্তি। আমার মেঝ ভাইতো অনেক (যার সাথে এখনকার সমস্যা) সময় এসেছে, কই তিনিতো ড়েকে আনার বায়না ধরেন নাই। আবার ভাতিজাদেরকে  যেদিন বললাম, এখানে আসতে হলে অন্যান্য  মানুষদের মত একাউন্ট খুলতে হবে (আত্মীয়তার হক থেকে বলেছিলাম), সেদিন থেকে একদিনের জন্যেও তাদের কেউ আর এখানে আসেনি। আমার জেঠাতো ভাইয়ের নিকট যখন বিচারের আবেদন করে প্রত্যাখাত ও অপমাণিত হলাম, তখন তাকে বললাম, আপনি আর আমার সাথে কথা বলবেন না; তিনি তার ছেলে-মেয়েদের নিকট রিপ্লে করলো, হের সাথে কথা না বললে আমার কী আসে যায়। এ কথার অর্থতো এই না যে, তিনি কথা বললে আমি বলবো না। আসল কথা মনে হয়, আজ যদি একটু না এগুতাম, ব্যাকওয়ার্ডে পড়ে থাকতাম, তাহলে আমার বিরুদ্ধে হয়তো এ অভিযোগটি উঠতো না যে, আমি সুন্নাত লঙঘন করছি, তিনদিনের বেশি কথা বলা বন্ধ রাখছি; তাহলে আমি কিসের মুমিন হলাম। আর আমার এগুনোর মধ্যে তথ্য ডিসপ্লে করার মাধ্যম ছাড়া অন্য কোন অর্থনৈতিক বা প্রাতিষ্ঠানিক উন্নতিতো এখনো নেই। এ জেঠাতো ভাইটির কী অধিকার ছিলো আমাকে বাড়ি থেকে বের হতে বলার? কী অধিকার ছিলো আমাকে বদমাশ হিসেবে উল্লেখ করে গালি দেয়ার? আর কেনইবা আমি বিচার না পেয়ে মুজলুম হওয়ার মত করে প্রত্যাখাত হলাম? এ বিষয়গুলো আমি জানি না। এ প্যারাগ্রাফটি আমি লিখতাম না; কিন্তু যখন দেখলাম, ভাইদের সাথে আমি কথা বলিনা,এটি আমার দোষ হিসেবে সমাজে ছড়াচেছ এবং যেহেতু এ বিষয়ে কলম ধরেছি; তাই, সে সাথে উনার আরো দু’একটি কথা লিখছি। উনাকে যখন, দাঁড়ি রাখার জন্য বার বার রিকোয়েস্ট করতে থাকলাম (আমার বিশেষ অবস্থাটির মধ্যে), তখন তিনি বিভিন্ন যুক্তির বানে এবং অনেকটা আক্রমাণাত্মক ভাবে আমাকে জর্জরিত করতে থাকলেন ও একপর্যায়ে বললেন, তোর দাঁড়িতে আগুন ধরামু। তখন আমি মিচাওয়াক একটু বেশী করতাম, কেন যেন তিনি আমার সাথে তর্ক জুড়িয়ে দিলেন এবং এক পর্যায়ে আমার মিচাওয়াক জোর করে কেড়েনিয়ে পুকুরে ফেলে দিলেন। এছাড়া যখনই কোন দিকে যাচ্ছি, তখন একধম মাতবর টাইপ অভিভাবকের মত, কোথায় যাচ্ছত ইত্যাদি বলে আমাকে শাষাতেন। অর্থাৎ আমাকে ভয়ের মধ্যে রাখতেন, আমার প্রতি তার এ ব্যবহারগুলো কেন হতো ঠিক আমি বুঝি না। যদি বলেন তিনি আমার অভিভাবকত্বপালন করেছে, তবে তিনি আমার উপর এ দায়িত্বের অধিকারী কিনা? সম্মানিত যুক্তিবিদগণ আসলে তিনি আমাকে কেন এভাবে ভয়ে ভয়ে রাখার চেষ্টা করতেন? অন্য একদিন আমি তাদের ঘরে ঘুমাচ্ছিলাম, ঘুম থেকে উঠে দেখি, আমার জুতার উপর কোরআন শরীফ। আর আমি যদি পা দিয়ে দিতাম, তাহলে আমার  সাথের ফেরেশতাটি চলে যেত। সম্মানিত ডাক্তার সাহেব গণ এটি কোন জাতীয় চিকিৎসা ছিলো? আমার মেঝ ভাইও (অভিযূক্ত ইনি) আমাকে বেশি দোয়া-দরুদ পড়তে দিতেন না। বাধা দিতেন। এগেুলো কেমন চিকিৎসা ছিলো তাদের? আর এমনিতেই আমি শুধু আখিরাত মূখি হয়ে যাচ্ছিলাম, দুনিয়ার জ্ঞান কমে যাচ্ছিল। এ মানষিক রোগটির নাম বর্তমান চিকিৎসা শাস্রে আছে কিনা আমার জানা নাই। সে যাই হোক, আমি আমার ভাইদের সাথে কথা বলবো। যদি প্রয়োজন পড়ে, তবে আসতে বলেন। অযথা আমি কেন তাদের সাথে কথা বলে, তাদের অহমিকার বলি হবো। আর আমি স্পষ্ট করে জানাচি্‌ছ যে, আমার সাথে তাদের সাথে কোন হিংসা বা শত্রুতা নেই। আমি শুধু পাপকে ঘৃণা করি, পাপীকে না।। তাই ভাই, ভাই হিসেবেই থাকবে অম্লান। আমার যত বন্ধুত্ব সব মহান আল্লাহু তা’য়ালার জন্য। আবার আমার যত শত্রুতা সবই তাঁর জন্য। এখানে ভাই, বন্ধু আপন পর বা দূরের কাছের বলতে কেউ নেই। সবাই আমরা এক আল্লাহু তা’য়ালার বান্দা। সবাই আমরা ভাই, ভাই। তবে মুমেন কখনো এক গর্তে দুইবার পড়ে না। তাই মসজিদকে যদি তারা কুলষিত না করতো, তাহলে এভাবে আমি চড়াও হতাম না। এখন যেহেতু আমি ওপেন হয়ে গেছি, সেহেতু আমাকে সতর্কতার সহিত পথ চলতে হবে। আর আমি জানিয়ে দেই যে, আমি শুধুমাত্র এ প্রতিবেদন লিখা ছাড়া; হিংসা হিংসি বা শত্রুতা বা নির্মমতা, এ ধরনের কিছু করবো না। কিন্তু তারা  শশুর বাড়ি (যা বর্তমানে খুবই প্রচলিত) থেকে আরম্ভ করে, তাদের যত লিংক আছে, সকল স্থানে হয়তবা আমাকে নেগেটিভ হিসেবে উপস্‌থাপন করবে। পারলে আরো এক বা একাধিক সন্ত্রাসিও নিয়োগ করবে।যেমন এখন করেছে। আমি কিন্তু এসব জীবনেও করবো না ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা। আবার দূষ্কৃতিকারীদের দূষ্কৃতির বিভিন্ন সিস্টেম এবং বিভিন্ন পথ রয়েছে। এছাড়া এ মূহুর্তে আমার নুন আনতে পান্তা পুরায়। তাই আগামী দু’একদিন পর এদিকে আর মনোনিবেশ করতে হয়ত আমি পারবো না। কারণ আমাকে রুজি-রোজগারের মাধ্যমে নিজ সংসার প্রতিপালন এবং প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম ও এ প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার বিরামহীন, রিক্সেবল এন্ড ভেরী ভেরী ডিপিকাল্ট  ও স্বপ্নময় এক দায়িত্ব পালন করতে হবে। যেহেতু ইহা একটি পারিবারিক, বংশীয় ও সামাজিক অতি সংবেদনশীল আবেদন এবং যেহেতু আমার অর্থনৈতিক, প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক অবস্থান অনেকটাই নাজুক; আবার রুজি-রোজগারও এ মূহুর্তে আরম্ভ করতে পারিনি; অপরদিকে মানুষের আমানত এবং লেনদেনের একটা গুরু দায়িত্ব আমার ঘাড়ে; তাই আমার ভাইয়েরা না চাইলে, তাদের বিপক্ষে এ বিষয়ে কোন বৈঠকে বসতে আমি অনিচ্ছুক।  তাই আপনাদের প্রতি আমার আশা আমাকে এদিক থেকে রিলিজ দিয়ে নিজ জ্ঞানে বুঝে নিয়ে আমাকে একটু সুযোগ দিবেন, যাতে জীবন-মরণের সীমানা ছাড়ায়ে এবং সব ধরনের রিক্স এবং বোঝা শুধুমাত্র নিজ স্কন্ধে তুলে (বর্তমানে) ও যে কোন ধরনের ত্যাগ স্বীকার করে হলেও এ প্রতিষ্ঠান নিয়ে মহান রবের নিকট যেতে পারি।   

সতর্কতা এবং অনুরোধ: গীবত-চোগলখুরী করতে অনেকের অজান্তেই তার কাছে ভালো লাগে। কিন্তু যার গীবত করছেন, সে তাওবা করে সহীহ হয়ে গেলে, তখন আপনার গীবত দ্বারা আপনিই ধ্বংস প্রাপ্ত হবেন, এতে তার বরং উপকার হবে। ধীরে ধীরে আপনি দুনিয়া-আখিরাত উভয় জাহানে ধরাশায়ী হবেন। গীবতকারীর বা সমাজের উপকার না হলে কারো দোষের কথা কেউ কারো কাছে বলবেন না। মজলুমকে সাহায্যকারী, অনীষ্ট হতে পারে এ রকম ব্যক্তি অথবা প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ ব্যতিত অন্য কাউকে কারো বিরুদ্ধে কিছু বলা যাবে না। মনেরাখতে হবে শুনা কথা আপনি যদি অমনি বিশ্বাস করেন, আর আরেকজনকে বলে বেড়ান বা আমলে পরিণত করেন, তাহলে আপনি মিথ্যাবাদী হিসেবে সাব্যস্ত হতে পারেন।মহান রব কর্তৃক অনুমান, ধারনা এবং সন্দেহ মূলক বিষয়গুলো থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে। এগুলোকে সরাসরি সত্য হিসেবে বিশ্বাস করতে নিষেধ করা হয়েছে। তবে শুধুমাত্র প্রয়োজন হলে তখন ক্রিমিনালের অপরাধ বের করতে বিভিন্ন ধরনের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে গবেষণা চালানো যাবে এতে আপত্তি নেই। কিন্তু স্থায়ীভাবে প্রমাণিত হওয়ার আগ পর্যন্ত, কোনকিছুতে বিশ্বাস স্থাপন করা যাবে না। সে সাথে এ বিষয়গুলো যথেষ্ট সেনসেটিভ। কারণ আপনাদের সামনেই উপস্থিত সিপ্পিনের যুদ্ধ ও উষ্ঠ্রীর যুদ্ধ রয়েছে ইত্যাদি। এছাড়া এ প্রবন্ধে লিখিত বিষয়টি অনেকগুলো মানুষের মান-সম্মানে আঘাত হানতে পারে। কিন্তু উপায় নেই, শেষ সময়ও যদি প্রতিবাদ না করি তাহলেতো দূষ্কৃতিকারীর বিজয় হলো, আর ভূক্তভূগি মানুষ তার কর্মের ও দোষীদের উপর নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলল অথবা সে নিজেই শেষ হয়ে গেলো। তদূপরী আমিতো এমনিতেই যে পরিমাণ আঘাত খেয়েছি, সে পরিমাণ আঘাত প্রদান করার অধিকার আমার থাকে। আবার এটি শিক্ষণীয় বা দৃষ্টান্ত স্বরুপ হয়ে অনেকের উপকারও হতে পারে। তাই ক্ষুদ্র কিছুর জন্য বড় কিছু সবাইকেই ছাড়তে হবে। তবে আমি কারো নাম ও পরিচয় প্রকাশ না করায় আশা করি ইহা কারো ক্ষতি করবে না। যেহেতু ইহা টেক্সট ও ভিডিও আকারে বাহিরে প্রকাশ করবো, তাই আমার এলাকার জ্ঞাত ব্যক্তিদের প্রতি অনুরোধ একান্ত প্রয়োজন না হলে এ প্রবন্ধে উল্লেখিত আমার বংশের  কারো নাম ও পরিচয়, এ এলাকার বাহিরের কারো কাছে প্রকাশ করবেন না। সে সাথে আমার শশুর বাড়ির লোকজনদেরকেও স্পষ্ট করে বলতে চাই, বর্তমান স্বার্থাম্বেষী সমাজের যে একটি প্রচলিত নিয়ম, নিজের রক্তের স্বজনদেরকে পর করে, শশুরবাড়ির লোকদেরকে আপন করা; আমি কিন্তু ঐ রকম লোক নই। আর আপনারাওতো আমাকে এ প্রতিষ্ঠানের জন্য কোন ধরনের সহযোগিতা করেননি। তাইনা? তবে সত্য ও ন্যয়ের জন্য কথা বলুন, তা আপনার বিপক্ষে যাক বা আমার বিপক্ষে যাক অথবা আমার পক্ষে আসুক বা আপনার পক্ষে যাক।

ঘোষণা: আমার এ লেখায় এবং ভিডিওতে আমি যা লিখেছি ও বলেছি, আমার মন ও ব্রেন অনুযায়ী সত্য লিখেছি ও বলেছি এবং এটি কারো প্ররোচনায় লিখিনি। যেহেতু আমি ভুক্তভূগি,তাই আমার পক্ষে কেউ আছে কিনা, এ ধরনের কোন গ্রুপিং বা লোবিং করে আমি ইহা লিখিনি। তবে মসজিদকে যদি কূলষিত না করতেন, তাহলে আমার এ দূর্বল অবস্হায় আমি হয়তো এভাবে চড়াও হতাম না। আমার এ ভাষায় বা লিখায় যদি কোথাও ভূল কিংবা মিথ্যা প্রমাণিত হয়, তবে তা আমার আম্মার জীবিত অবস্থায় সর্বোচ্চ তিন মাস পর আগামী 20.08.21 খ্রি. তারিখের মধ্যে আমাকে সমাজের  মান্য-গণ্য কমপক্ষে তিনজন লোকের বৈঠকে সামনাসামনি ডিসকাস করে বুঝিয়ে দিবেন এবং রাস্তায়, এখানে-সেখানে অন্য কাউকে উপমা দিয়ে বা সরাসরি বা একাএকি কোনকিছু না বলার জন্য বিনীত অনুরোধ রইলো। আবার এ তারিখের পরে কোন বৈঠকে বসতে আমি রাজি থাকবো না। কারণ আমার কাছে তখন সেটি দূর্ভিসন্ধী বিবেচিত হয়ে একটি টেনশন ফিল হবে। আমি চাই মহান রবের ঘরগুলো হবে তাঁর মর্জি মোতাবেক দুনিয়ার সর্বোত্তম শান্তিপূর্ণ ঘর এবং সুশীল সমাজের সুখময় বাসিন্দা হবো আমরা।

বন্ধন ফাউন্ডেশনের সদস্যদেরকে বিবৃতি ও মনোবল প্রদান: আপনারা আমার সালাম নিন এবং ভয় পাবেন না বা ভেঙ্গেও পড়বেন না। কারণ, ইসলামী প্রতিষ্ঠান; এ কথাটির নাম যে বা যারা উল্লেখ করবে তাকে বা তাদেরকে এক আল্লাহ ব্যতিত সে নিজকে এবং তার অন্য সব কিছু ছাড়তে হবে। আর এ পরিস্থিতিগুলো উক্ত যোগ্যতা হাছিলে সহায়কও হতে পারে। রবের লীলা আমাদের বুঝার কী কোন ক্ষমতা আছে? একটু চিন্তা করুন; প্রায় সব আত্মীয়স্বজনের বিরুদ্ধে বললাম, ঈমাম সাহেবের বিরুদ্ধে বললাম, নেই এ মূহুর্তে ইনকামের কোন পথ, চারদিক থেকে ঘিরে ধরলো বিভিন্নমূখী অপমাণ, লাঞ্চনা; টেনশন আর টেনশন। এ ধরনের সময় গুলোতে যে নীরব থাকে এবং কেবলমাত্র মহান আল্লাহু তা’য়ালার সাহায্য প্রার্থনা করে, সেই সফল হতে পারে ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা। তাই যুদ্ধ বিদ্ধস্থ হলেও আলহামদুলিল্লাহ! মহান আল্লাহু তা’য়ালার অশেষ রহমতে আমি ভালো আছি এবং সুস্থ আছি। সব দিক হিসেব করলে এ মহামারী করনা কালের অচালাবস্থায়, মহাস্থবিরতা এবং মৃত্যূভীতিলগ্নেও  আমাদের প্রতিষ্ঠান পিছনে সরেনি, বরং সামনে এগিয়েছে। আর এ লিখা বা ঘটমান বর্ণনা দেখে আপনারা ঘাবড়ে যাবেন না। এটি মূলত আমার গত প্রায় 22 বছরের চাপা কান্নার সংক্ষিপ্ত রুপ। ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা এ দীর্ঘমেয়াদী চাপাকান্না, সীমাহীন যন্ত্রণা এবং প্রায় মানবেতর জীবন-যাপনের পরেও যে রব আমার মাধ্যমে আপনাদের এ প্রতিষ্ঠানকে উন্নতি দিয়েছেন, সেটি আপনারা ইতিমধ্যে হয়তো প্রত্যক্ষ করেছেন; তাই আমরা যদি শুধুমাত্র  মহান রবের আইন অনুযায়ীই এবং কেবলমাত্র তাঁর ক্ষমতা ও শক্তির  উপর নির্ভর করেই আমাদের সকল কার্জক্রম পরিচালনা করি, তাহলে ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা আমাদের সাফল্য ও বিজয় আসবেই, এ আশা আমরা করতে পারি। তাই  ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা আমরা পারবো। আমরা হবো জয়ী। মনেরাখবেন সত্য সমাগত, মিথ্যা অপসৃত; আর সত্যের জয় অবশ্যাম্ভাবী।

 

সমাপ্ত

 [দায়বদ্ধতা, জবাবদিহীতা ও স্বচ্ছতা: এ পাঠটি আমার ওয়েবসাইট bondhonfoundation.com এ লিখিত আকারে এবং bondhon foundation education এ নামীয় ইউটিউব চ্যানেল এবং এ একই নামীয় ফেসবুক পেজে ভিডিও আকারে পোস্ট করা হবে ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা। এ প্রবন্ধ ও এর ভিডিও’র সম্পূর্ণ দায়ভার আমার নিজের।যেহেতু মানুষ ভূল-ত্রুটির উর্দ্ধে নয়, তাই ভূল-ত্রুটি সমূহ (যদি থাকে) সংশোধন করা বা আমাকে অনুপ্রেরণা দেয়ার লক্ষ্যে কমেন্টস দিয়ে, লাইক এবং শেয়ার করে ও ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে আমাকে উৎসাহ দেয়ার অনুরোধ রাখছি। আমার যে কোন লিখার এবং ভিডিও এর সংশোধন ও আপডেট এর বিষয়ে আমি শুধু আমার এ ব্লগসাইটটিতেই প্রকাশ করবো। তাই আমাকে দোষী সাব্যস্ত করার আগে অন্তত একবার আমার এ সাইটটিতে ক্লিক করে bondhonfoundation.com আপনার ঐ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন সংশোধনী বা আপডেট আছে কিনা তা দেখে নেয়ার জন্য এবং আমাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়ার লক্ষ্যে আমার সাথে যোগাযোগ করার জন্য বা যেকোন ভাবে আমাকে পরামর্শ প্রদানের জন্য ( 01718981344 (ইমু), 01781472355, ইমেইল: a30761223@gmail.com, web: bondhonfoundation.com )  বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হলো। আবার নরমালিই আমার যে কোন প্রবন্ধ আমার মূল সাইট, অর্থাৎ এ সাইটটি থেকে (ক্লিক করুন) bondhonfoundation.com পড়লে , তবে ইহা বেস্ট হবে বলে আমি মনে করি। অন্যদিকে অন্যান্য সাইট সমূহে হয়তো প্রত্যেকটি প্রবন্ধ বা ভিডিও সব সময় প্রকাশ করা সম্ভব হবে না বা বিচ্ছিন্ন ভাবে কোন একটি বিষয়ের কোন একটি পার্ট অনলাইনের যে কোথাও যে কোন কারণেই হোক না কেন হয়তো প্রকাশিত হতে পারে, এজন্যে পুরো বিষয়টি বুঝে না আসলে, এ ধরনের বিষয় গুলো সমাধানের লক্ষ্যে আপনাদের প্রতি আমার উপরোক্ত মূলসাইটে ভিজিট করার অনুরোধ রইলো। আর এমনিতেই আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো আমি লম্বা লম্বা ভিডিও পোস্ট করি, যাতে আপনাদের ধর্জচ্যুতি হয়। তাই কোন  একটি বিষয় যদি আপনার বুঝে না আসে, এজন্যে সংশ্লিষ্ট ঐ বিষয়ক পরবর্তী বা পূর্ববর্তী প্রবন্ধ ও এ বিষয়ক ভিডিও  শুধুমাত্র bondhon foundation education অথবা bondhon foundation official এ ইউটিউব চ্যানেল বা ফেসবুক পেজ থেকে, ইউটিউব বা ফেসবুকে সার্চ করে] দু’টিই দেখার ও পড়ার (উপরোক্ত ওয়েবসাইট থেকে) অনুরোধ রইলো। আবার আমি পবিত্র কুরআন শরীফ, হাদীস শরীফ বা কোন দোয়া-দরুদ মুখস্থ করণ বা প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন বিষয়ক ভিডিও ব্যতিত অন্যান্য সকল ভিডিও রেকডিং এর পূর্বে অবশ্যই প্রথমে এ  বিষয়ক প্রবন্ধ লিখবো এবং এর পর সংশ্লিষ্ট এ বিষয়ে ভিডিও নির্মাণ করবো, যাতে লিখা ও বলা, উভয় মাধ্যমে কোন একটি বিষয়কে আমি কী বলতে চাই, তা ভালো ভাবে বোঝানো যায়। যাক লিখা আর লম্বা না করে কলম, কালি, ইসলাস শিক্ষা, ইসলাম প্রচার ও মানব সেবা; এ কর্মগুলোর মধ্য দিয়ে জীবন অতিবাহিত করতে পারার জন্য মহান রবের নিকট আমার জন্য সকল পাঠক, শ্রোতা ও দর্শকবৃন্দকে দোয়া করতে সবিনয় অনুরোধ করছি।]

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বন্ধন ফাউন্ডেশন: