নিপীড়ন, নির্যাতন, অত্যাচার এবং জুলুম এর বিবরণ ও এ থেকে মুক্তির আবেদন।

09 শাওয়াল 1442 হি:, 22 মে 2021 খ্রি:, 08 জৈষ্ঠ্য1428 বঙ্গাব্দ ,

বরাবর,

আমার প্রভূ মহান আল্লাহু তা’য়ালা,

আউজুবিল্লাহি মিনাশ্শাই ত্বোনির রাজীম। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। সমস্ত প্রশংসা একমাত্র তোমার জন্যে, আলহামদুলিল্লাহ! এবং শত-কোটি দরুদ ও সালাম পেশ করছি মানবতার মুক্তির দূত আখেরী নবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সা:) এঁর উপর। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সম্মানিত ও প্রিয় পাঠক ও ভিউয়ারবৃন্দের প্রতি রইলো আমার স্ব-শ্রদ্ধ সালাম ও মোবারকবাদ।আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। প্রথমে গুগলের প্রতিষ্ঠান সমূহের প্রতি ও এর সমস্ত কলা-কৌশলীর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জ্ঞাপন, শান্তি ও আন্তরিক  অভিনন্দন কামনা করে ( আপনাদের প্রতি শান্তি এর প্রতিশব্দ সালাম ব্যবহার করলে, আমার স্ব-জাতি হয়ত আমাকে যন্ত্রণাদায়ক আজাবে নিপতিত করতে চেষ্টা করবে। আপনাদের থেকে উপকার ভোগ করে আপনাদের প্রতি একটু শান্তি কামনা করলে সেটিও অপরাধ হবে, এ যুক্তি আমার বুঝে আসে না। ) আরম্ভ করছি। সম্মানিত  পাঠকদের প্রতি অনুরোধ,  বর্তমানে আমি মজলুম, তাই আমার কথা গুলোর সূত্র যাচাই করে লিখতে অক্ষম ছিলাম । এ বিষযে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। কারণ মজলুম হওয়া ছাড়া আল কোরআন ও আল হাদীসের তথ্য, উপাত্ত, ইতিহাস ও বিধানাবলী সূত্রবিহীন বলার বা লিখার কোন অধিকার কারো নেই।  এবার কী লিখছি, তা মনযোগ সহকারে পড়ুন, গবেষণা করুন ও সংশোধিত হোন এবং ভালো কাজে সহযোগিতা করুন ও মন্দ কাজে বাধা প্রদান করুন, এ আপনাদের সকলের প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ । দেখুন, মানুষের সাথে ফেরেশতা ও শয়তান উভয়টিই থাকে। [ কেবলমাত্র হযরত ঈসা (আ:) ও  হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সা:) ব্যতিত। অবশ্য আমাদের নবীজী (সা:) তাঁর সাথে থাকা ইবলিশটিকে মুসলিম  বানিয়ে ফেলেছিলেন। দুনিয়ার আর কোন মানুষ এটি পারবেনা] কোন মানুষই  এ নিয়মের ব্যতিক্রম নয়। আবার বিশ্বের সব গুলো মানুষের যে কোন কাজ  ফেরেশতার সহযোগিতায় ও ইবলিশের বাধাগ্রস্থতার মধ্যদিয়ে সম্পন্ন হয়। এর বিপরীত আর কোন মানুষ নেই। যারা ফেরেশতা এবং ইবলিশ বলতে কিছু নেই , এ কথায় বিশ্বাসী; তাদের যুক্তি খন্ডনের জন্য আমি আজকের এ লিখা লিখছি না।যুক্তি খন্ডনের  বিষয়ে আমি পরে লিখবো ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা। আজকের লিখাটি মূলত আমার অভিভাবক মহান রব আল্লাহু তা’য়ালার প্রতি আমার পক্ষ থেকে আমার প্রতিবেশী ও স্ব-জাতির বিরুদ্ধে একটি বিচারের আবেদন । (মহান রব আল্লাহু তা’য়ালা তাঁর মুমিন বান্দাদের অভিভাবক) যদি সুস্থ থাকি এবং সময়, সুযোগ ও সামার্থ থাকে এবং মহান আল্লাহু তা’য়ালা যদি জ্ঞান প্রদান করেন (সমস্ত জ্ঞান মহান আল্লাহু তা’য়ালার পক্ষ থেকে, যা আমরা কিতাবের মাধ্যমে পড়ি, কিন্তু সে জ্ঞান মাথায় বুঝিয়ে দেন মহান আল্লাহু তা’য়ালা তাঁর কুদরতী ইশারায়। তবে পড়ার কোন বিকল্প নেই; পড়তে আপনাকে হবেই। কম্পিউটারে যেমন ইনপুট না দিলে, প্রসেসিং হয়ে আউটপুট পাওয়া যায় না; ঠিক তেমনি বইতে না পড়লে, মহান আল্লাহু তা’য়ালা, মাথায় ঢুকিয়ে দিবেন; তা মানব সৃষ্টির স্বাভাবিক ও স্বাধারণ নিয়মের বিপরীত। আর গাদা গাদা বই পড়ার পরও যদি  নিয়ত সহীহ না থাকে, বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব না থাকে অথবা তখনকার সমযের প্রতি বা যিনি পড়াচ্ছেন তার প্রতি (যদি কেউ পড়ায়) কোন হিসেব বা সম্মানবোধ না থাকে; আর এভাবে হাজারো পড়লেও ঐ পড়াটি বুঝতে পারবেন বলে মনে হয়না।এক্ষণে এ বিষয়ক শাস্তি দাবী করে বিচারের বিষয়াবলী কী তা লিখছি।

বিষয়: নিপীড়ন, নির্যাতন, অত্যাচার এবং জুলুম থেকে মুক্তি চাই ও একই সাথে আমার নেক মনবাঞ্চনা  সমূহ কবুলের জন্য বিনীত প্রার্থনা করছি।

ইয়া আল্লাহ! আমি যখন এতেকাফে যাই বা যখন কোন ভালো কাজ করি ; আলহামদুলিল্লাহ! তখন তোমার সহযোগিতার বিষয়টি আমি স্পষ্ট বুঝতে পারি। আর তখন আমার চারপাশের মানুষগুলো আমাকে বিভিন্ন ভাবে ভয় দেখিয়ে, ছলনা করে, উদ্দেশ্যমূলক ভাবে বিভিন্ন সূরতে অপমাণ মূলক কথা ও ব্যবহার করে এবং আমার প্রাপ্য হক গুলোকে যথা সময়ে না দিয়ে গড়ি-মছি করে আমাকে সীমাহীন যন্ত্রণা ও অবর্ণনীয় দূর্ভোগে নিপতীত করে এবং আমার যে কাজ এক ঘন্টায় হয়ে যাওয়ার কথা, তা অযথা অনেক সময় কয়েক ঘন্টা লেগে যায়। এতে আমার বিপুল পরিমাণ অর্থ, সময় ও শ্রমের অপচয় এবং অবচয় হচ্ছে ও এ কারণে আমার দেহ, মন এবং ব্রেনে প্রচন্ড ও যন্ত্রণাদায়ক কষ্ট অনুভব হচ্ছে। তাছাড়া এ সময়গুলোতে অনেক সময় আমার ইন্দ্রিয় গুলো অতীন্দ্রিয়তে পৌঁছে এবং আমি আন ব্যালেন্সড হয়ে যাওয়ার উপক্রম হই। আমি জানি না, তুমি আমাকে হায়াত কত বছর দিয়েছ। তুমি ঠিক করেই জান জীবনে আমার অনেকগুলো নেক ও মহৎ উদ্দেশ্য রয়েছে। আর যদি আমার কোন নেক ও সহীহ্ নিয়ত পূর্ণ করা, ইহা আমার হায়াতে-দমে না কুলায়; তবে আমি এ কাজ এবং এর সাওয়াব এদের থেকেই আদায় করার জন্য আপনার নিকট আবেদন করছি ও আমার গুনাহ্ সমূহ এদের কাঁদে তুলে দেয়ার জন্য আপনার নিকট বিনীত প্রার্থনা করছি। যেহেতু এরা আমাকে কষ্ট দিচ্ছে এবং আমার মূল্যবান সময়কে অপচয় করিয়ে দিচ্ছে। অতএব এ কারণে  আমি এদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তির আবেদন করছি। ইয়া আল্লাহু তা’য়ালা! আমি গভীর উদ্বেগ ও দু;খ ভরে খেয়াল করেছি যে, এরা মুসলিম হয়ে, তুমি আল কোরআন ও আল হাদীসের  মাধ্যমে বিধানাবলী দিয়েছিলে যে, অনুমান-ধারনা হতে সতর্কতা অবলম্বন করতে এবং একে সত্যে রুপান্তরিত না  করতে ও মানুষের শরীর থেকে পঞ্চইন্দ্রীয়ের মাধ্যমে যে ইশারা, ইঙ্গিত, অঙ্গ-ভঙ্গি, খাউজানো, চুলকানো, হাঁচি-কাশি ইত্যাদি যে লক্ষণ গুলো বের হয়, আর এগুলো প্রকাশিত হওয়ার পর মানুষের মন-মগজ হতে সৃষ্ট বেহুদা ও অযথা কোন ভাবার্থ ও কুসংষ্কারে বিশ্বাস  না করতে; অথচ আমি স্পষ্ট বুঝতে পেরেছি, এদের প্রায় সবাই এগুলোতে বিশ্বাস করে। শুধু তাই নয়,  কুরআন ও হাদীস কর্তৃক আন-সার্টিফাইডেড ও নিষেধাজ্ঞাকৃত শুধুমাত্র এ সব কুসংস্কার ও গুজবে বিশ্বস্থ  হয়ে আমার মনে হয় মানুষ আমার প্রতি এমন একটি সিরিয়াস বিষয়ে বিশ্বস্থ হয়েছিলো যে, আমার কাছে মনে হয় তাদের রিজিক আছে এবং তাঁদেরকে (এঁরা আমার স্ব-জাতি!!!) এমন লোভে ধরেছিলো যে, গ্রীষ্মের ভর দূপরের কাঠ ফাটা রোদে তপ্তময় বালুকা রাশিতে একজন বদ্ধপাগলকে দড়ি দিয়ে হাত,পা এবং সমস্ত শরীর শক্ত করে বেঁধে রেখে হলেও তার সকল মনি-মাণিক্য নিয়ে নিবে এরা অথবা এ অবস্থায় তার প্রাণ যায় যায় অবস্থা হলেও মানুষরুপি জানোয়ারের এ দলটি ঐ অসহায়, নিরীহ, অবহেলিত ও নির্দোশ পাগলটিকে কখনো আগুন, কথনো পানি, কখনো মাটি আবার কখনো কাঁটা নিক্ষেপ করে দেখতে চাইবে তার কারেকটার; তাকে শেষ করে দিয়ে হলেও, তারা তাকে পরীক্ষা করবে। যেহেতু তার কাছে মনি-মাণিক্য রয়েছে বলে তাদের ধারনা। অথবা জিরু ডিগ্রী তাপমাত্রার শীতের রাত্রিতে একজন ভদ্র, সভ্য,অবলা আর অসহায় নারীকে একা পেয়ে মানবতা আর বর্বরতার অতলে ফেলে দিয়ে হলেও সে যে আসলে মানুষরুপি একটি জানোয়ার, তার পরিচয় দিতে সে কুন্ঠাবোধ করবে না; সমাজের বর্তমান অবস্থা এ রকম বলেই আমার মনে হয়েছে।  আমি আমার সেনসেটিভ কেইস ওয়ান এর মধ্যে মসজিদ কমিটির পরিচালক ও ইমাম সাহেবের বিরুদ্ধে বিচারের যে আবেদন জানিয়ে ছিলাম ( তা এ ব্লগ সাইটেই রয়েছে) আমি অসহায় এবং আমার কাছে মনি-মাণিক্য রয়েছে  তাদের এ ধারনা বিধায় আমি এ বিচার না পাওয়ার আশংকা করছি। ঐ বিচারটিও আমি আপনার নিকট পেশ করলাম। যখনই আমি আমল-ইবাদত বেশি করতাম, তখনই আমার শারীরিক লক্ষণ বা প্রকাশিত বিভিন্ন উপসর্গ অবলোকন করে আমার স্ব-জাতিবৃন্দ আমার নিকট থেকে মনি-মাণিক্য পাওয়ার জন্য আমার উপর যে অত্যাচার করলো, তাতে আমার মনে হলো এরা শেরেক, রিয়া, লোভ, হিংসা, দম্ভ, গায়েবে বিশ্বাস, জুলুম ইত্যাদি বড় বড় গুনায় নিমজ্জিত। আমার খুব খারাপ লাগলো এদের গায়েবে বিশ্বাসের অবস্থা দেখে। আর যদি তুমি এ সময়ে দার্জ্জ ালকে পাঠাতে তবে এদের কয়জন বেহেশতে যেতে পারে, এ বিষয়ে আমি যথেষ্ট ভয় করছি। ইয়া রব! তোমার নিকট আমার অনেক গুলো নেক নিয়ত রয়েছে, তার মধ্যে একটি নিয়ত এই ছিলো যে, কেয়ামত পর্যন্ত আগত কোন মানুষকে তুমি তোমাকে স্পষ্ট করে না চিনিয়ে তুমি কাউকে দোজগে ফেলবে না এবং আমাকে তাওফিক দিবে ইসলাম যে সত্য ধর্ম এবং হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সা:) যে তোমার নিকট থেকে  মানুষের মধ্য হতে প্রেরিত সর্বশেষ একমাত্র সত্য নবী ও রাসূল, তা আমার কলম পরিচালনার (লিখনী ও ভিডিও এর সাহায্যে) মাধ্যমে এবং বাস্তব ফিল্ডে রাসূলুল্লাহ (সা:) এর সুন্নাত অনুযায়ী দাওয়াত প্রদানের মাধ্যমে এ কাজটি সম্পন্ন করতে। এ লক্ষ্যে আমার পরবর্তী উদ্দেগ এ ব্লগ সাইটে এবং ইউটিউব ও ফেসবুকের bondhon foundation education এ চ্যানেল ও পেজ এর মাধ্যমে প্রাথমিক ভাবে সেনসেটিভ কেইস (জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী), একমাত্র সত্য ধর্ম ইসলাম ও ইসলামের পরিচয় এ তিনটি বিষয়ে লিখার ও ভিড়িও আপলোড করতে তাওফিক দেয়ার জন্য তোমার  নিকট বিনীত প্রার্থনা করছি এবং এ বিষয়ে তোমার হয়ে মানুষের নিকট আন্তরিকতা, ভালোবাসা ও সহযোগিতা কামনা করছি। ইয়া আল্লাহু তা’য়ালা তুমি অনেক দয়ালু। ইহা আমাদের জন্য একটি বিশাল এসেট। আলহামদুলিল্লাহ!  না হয় সমাজের এ অবক্ষয় মূহুর্তে  আমাদেরকে এ দায়িত্ব নিতে আবেদন করার জন্য হয়ত তুমি তাওফিক দিতে না। আমার বিশ্বাস, বিশ্বে এ দায়িত্ব আরো অনেকেই পালন করছে। আমার একান্তই অনুরোধ তাদের সাথে আমাকেও এ দায়িত্ব পালন করার জন্য এবং এতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করার জন্য তাওফিক দিবে এবং আমার এ লিখা ও ভিডিও গুলো বিভিন্ন ভাষায় অনুদিত করে কেয়ামত পর্যন্ত আগত পুরো বিশ্বের সবগুলো মানুষের নিকট তা পৌঁছে দিবে। আর এ কাজটি যে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সম্পন্ন করার জন্য তোমার নিকট দরখাস্ত করেছি, যেহেতু  ইতিমধ্যে আরম্ভও করে দিয়েছি সে প্রতিষ্ঠান, অর্থাৎ আমাদের কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত bondhon foundation কে এর সমস্ত নিয়ম-কানুন সহ তুমি এ মহা বিশ্বে অত্যন্ত সুনামের সহিত প্রতিষ্ঠিত করে দিবে। আর এ প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা ইহা আমার একটি জীবন-মরণ অর্থাৎ আমরণ সংগ্রাম। ইহা তোমার নিকট আমি পেশ করলাম। যদিও আমি অর্থনৈতিক ভাবে গরীব হই, আর যেহেতু  ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা আমি তোমার মুমিন বান্দা এবং যেহেতু তোমার কাছে অসম্ভব বলতে কিছু নেই; তাই তুমি আমার উপরে উল্লেখিত এ দু’য়ার সাথে জীবনের বিভিন্ন সময়ে পেশকৃত বিভিন্ন দুয়া সমূহ কবুল করবে এবং নতুন নতুন মানুষের জন্য কল্যাণকর আরো অনেক অনেক দুয়া করার তাওফিক দিবে ও আমার সবগুলো দুয়া কবুল করবে এবং মানুষদেরকে এ বিষয়ে তোমার হয়ে আমাকে সম্ভবমত সহযোগিতা করার তাওফিক দিবে। ইয়া রব! উপরের আবেদনকৃত বিষয়ের আলোকে যদি বন্ধন ফাউন্ডেশনের কেউ দোষী হয় তবে তাদেরকে সংশোধিত হওয়ার তাওফিক দিবে। হে আল্লাহু তা’য়ালা মানব সৃষ্টির বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী আমার সাথে স্পেশালী ভাবে আর কিছু আছে কিনা বা থাকতে পারে কিনা এ বিষয়ে আলেমদেরকে লিখনি, ওয়াজ, নছিহত. ভিডিও ইত্যাদির মাধ্যমে মানুষদেরকে বুঝিয়ে দেয়ার তাওফিক দিবে। এ বিষয়টি নিয়ে আমি গত প্রায় বিশ বছর যাবত চরম সমস্যা ফিল করছি। তোমার নিকট আমার বিশেষ আবেদন, এ সমস্যাটির তুমি শান্তিময় সমাধান কর অথবা যদি মনে কর হিজরত করলে সুন্নাত হিসেবে আরো সহজ, শান্তিময় ও উত্তম হবে তবে আমার জন্য সে সহজ ব্যবস্থা কর অথবা তুমি আমার অভিভাবক, আমার জন্য তুমি যা শান্তিময়, সহজ ও ভালো মনে কর, তাই কর। ইনশা’আল্লাহু তায়ালা এ তৃতীয় আবেদন মঞ্জর হইলেই আলহামদুল্লিাহ আমি বেশি খুশি হবো এবং আশা করি এতে তোমার রহমতে ও তোমার শক্তিতে আমাকে শতভাগ তোমার আনুগত্যশীল হিসেবে পাবে।   এছাড়া সম্মানিত আলেমদের  দ্বারা আমাদের এ প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন দিকে সহযোগিতা করবে। এ অনুরোধ তোমার প্রতি থাকলো। জীবনের অনেক সময় তোমার নিকট মৌখিক দুয়া করেছি, কিন্তু আজ মনে হলো, দুনিয়াতে আমাদের কর্মস্থলের উপরস্থ অফিসারদের নিকট গুরুত্বপূর্ণ  কিছু পেতে হলে লিখিত আবেদন করতে হয়। এতে প্রমাণিত হয় আমার চাকুরী, উপরস্থ কর্মকর্তা এবং যে বিষয়টির জন্য বা কোন কিছুর জন্য আবেদন করেছি তা। ঠিক একইভাবে মহান আল্লাহু তা’য়ালার নিকট উল্লেযোগ্য কোন কিছু পেতে হলে লিখিত আবেদন করাটাকেই আরো উত্তম বলে মনে হয় আমার কাছে। কারণ এতে আমাদের যে বিচার হবে (আখিরাতে) এবং বিচার প্রক্রিয়া চলবে  ও আমাদের রব যে রয়েছে তা আরো প্রাণবন্ত বলে মনে হয়। তবে এ লিখিত আবেদনের বিষয়টি আমি শুধুমাত্র দুনিয়াতে (কিছুতেই আখেরাতের জন্য নয়) আমাদের ঈমানের দৃঢ়তার প্রয়োজনেই আরম্ভ করছি এবং ইনশা’আল্লাহু তায়ালা ভবিষ্যতে আমি এভাবে আমার প্রভূর নিকট আরো আবেদন করবো এবং আমি স্বাক্ষ্য হিসেবে বিশ্ববাসীর সামনে  উপস্থাপন  করবো যে আমার রব রয়েছে, আর আমি তাকে মেনে চলি। আবার আমি বলছিনা যে (এবং এটি শতভাগ) সত্যি যে, মহান রবের কাছ থেকে কোন কিছু পেতে হলে লিখিত আবেদন করতেই হবে, বরং অন্তরের গহীন থেকে গহীনতর স্থান থেকে উৎপত্তিকৃত মূহুত্তের ইচ্ছা শক্তিটাই  মহান রবের নিকট আবেদন বা দুয়ার জন্য যথেষ্ট। আর এগুলো সম্পূর্ণ  নতুন বিষয় হওয়ায়, যেমন সেনসেটিভ কেইস ওয়ানের মধ্যে নামাজ কায়েমের বিষয়ে অন্যান্য কয়েকটি উপদেশের সাথে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি উপদেশ এই ছিলো যে, নামাজ কায়েমের জন্য, দেশ ও বিশ্বের প্রত্যেক মসজিদের সাথে একটি সমাজ কল্যাণ সংস্থা প্রতিষ্ঠা করার; তাই পরবর্তীতে প্রদানকৃত আমার এ জাতীয় আরো পরামর্শ নিয়ে আপনারা আমার সাথে দয়া করে কোন বৈরী আচরণ করবেন না। আমার কাজ হচ্ছে আমার মত করে উপদেশ প্রদান করা। আমি আপনাদের ইন্সপেক্টর নই। আর আমার চোখের সামনে এবং উপদেশ দেয়ার সাথে সাথে যদি বুঝে আসে তবে আমলে পরিণত করতে থাকুন। এতে বরং আমার উপকার হবে। আমি উৎসাহ পাবো। এখানে এই বলার সুযোগ থাকবে না যে, আমি ইদুর, আমি চিকা ইত্যাদি হয়ে যেতে পারি। আর যদি আপনারা এভাবে আমাকে চারদিক থেকে ভয় দেখাতে থাকেন, তাহলে আমি মসজিদেেই আসা বন্ধ করে দিবো। কারণ জামাত তরকের বৈধ ওজর ভয় এবং রোগ। আপনারা আমার এ দু’টি বিষয়েই সাপোর্ট দিচ্ছেন; আর আমার সাথে ক্রীড়নকের মত ব্যবহার করছেন। তাহলে আমার মসজিদে না যাওয়া কেন অবৈধ হবে? আর আমি জীবনে স্বাভাবিক হতে পারি কিনা তারওতো কোন নিশ্চায়তা নেই। কারণ যে রাস্তায় অথবা গোয়াল ঘরে কোরআন পড়বে সে কী করে স্বাভাবিক হবে আমারতো বুঝে আসে না? জ্ঞানবান ব্যক্তি নিশ্চয় বুঝে গেছেন কী বোঝাতে চেয়েছি। আপনি আমার ইশারা-ইঙ্গিতকে সম্মান করবেন, আর মাটিকে লাথি মারবেন; আপনি নিশ্চয় জানেন মানুষের ইশারা-ইঙ্গিত এগুলো মূলত দেহ নয়, প্রাণ থেকেই উৎসারিত। আর প্রাণ মানে রুহ! ইহা মহান আল্লাহু তা’য়ালার হুকুম ছাড়া আর কিছুই না। আপনাদের অনেকে রুহ কী, এ সম্ভন্ধে জানতে চান। আপনি কি জানেন আপনার এ দেহের কার্যক্রম পরিচালনা ও বাস্তবায়ন করতে রয়েছে অনেকগুলো ফেরেশতা। এখন কথা হলো ফেরেশতাকে কি দেখা যায়? যায় না। মানুষের রুহ বিষয়টি মানুষের দেহ পরিচালনায় নিয়োজিত সকল ফেরেশতার একটি সম্মিলিত রুপ,  আমি এটিই মনে করি। হয়ত এটি সত্য নাও হতে পারে। কারণ আমি কোন আলেম নই। আর আলেমগণও একধম নির্দিষ্ট করে এর কোন সঠিক উত্তর দিতে পারবেন বলে মনে হয়না। অন্যদিকে বিরুদ্দবাদিদের জন্য বা যারা এ বিষয়ে আরো বেশি জানতে চান, তারা  বন্ধন ফাউন্ডেশনের এ সাইটটি সহ সকল অনলাইন সাইট নিয়মিত ভিজিট করবেন এবং শেয়ার করবেন,  এ আমার অনুরোধ। এখানে এ বিষয়টি সঙ্গত কারণে লিখা হয়েছে। এবার বলুন ফেরেশতা বড়, না মানুষ বড়? মহান আল্লাহু তা’য়ালা কাকে অগ্রগামী রেখেছেন? ইশারা ইঙ্গিতই যদি বড় হয়, তাহলে আপনিতো হিন্দুআনি রীতি অনুযায়ী মানুষ ইন্তেকালের পর তাকে পুড়ে ফেলাটাকেই বৈধতা দিচ্ছেন। কারণ আপনারা প্রাণটাকেই মূল্যায়ন করছেন, দেহকে নয়। এ প্রাণটিকে মূল্যায়ন করতে গিয়ে, ধরুন আমার স্ত্রী ইশারা-ইঙ্গিত যে দিচ্ছে, তাকে তার সন্তানের সোহাগ করছে, আর মাটির মানুষটিকে জুতার বাড়ি দিচ্ছে (অন্যকোন অপমাণজনক ভাষা থাকলে তাও প্রয়োগ করতাম): এখন আপনারাই বলুন এখানে মাটির মানুষটি স্বামী, না কোন অতীন্দ্রিয় বিষয় স্বামী? যেহেতু একই দেহ থেকেই মুখের ভাষা এবং ইশারা-ইঙ্গিত দু’টোই বের হয়। হোমিও এর প্রতিষ্ঠাতা অনেক কষ্ট করে এমনকি দেশান্তরিত হয়ে এ উপসর্গ  গুলোকে মুখের ভাষায় প্রকাশ করে একটি চিকিৎসা বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠা করতে সমর্থ  হয়েছিলেন। আসলে এ উপসর্গগুলো একটি রোগ ছাড়া আর কিছু নয়। আপনাদের উচিৎ মুখের ভাষায় শুধুমাত্র প্রয়োজন অনুযায়ী কথা বলা এবং প্রয়োজন মিটানো। আর যদি কেউ যে কোন সার্ভিস হোল্ডার হন, তাহলে আপনার উচিৎ শুধুমাত্র সার্ভিস দেয়া। এর চাইতে বেশি কথা বলার বা চিন্‌তা করার মানে হচ্ছে আপনি হয় আপনার কাজে ফাঁকি দিচ্ছেন, না হয় মানুষদেরকে ঠকাচ্ছেন , না হয় জুলুম  করছেন। আপনাদেরকে প্রশ্ন করি, দেহ, মন এবং প্রাণ কি পৃথক কোন কিছু? তাহলে ইহা সু-স্পষ্ট যে, আপনারা মাটির মানুষটিকে  বিশ্বাস করতে পারছেন না? তাহলে মাটির মানুষটি এবার মাটির ঘরেই চলে যাক বা অন্য কোথাও? হে রব! আজ বেশ কিছুদিন তোমাকে একটি কথা বলতে চাচ্ছি যে, আমি যতক্ষণ আমাদের সম্প্রদায়ের মধ্যে থাকি, ততক্ষণ একটি মানষিক যন্ত্রণা অনুভব করি; কিন্তু যখন একাকী থাকি অথবা যখন ভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে যাই তখন মনে হয় একটু শান্তি পাই। তাহলে অজ্ঞতা, লোভ, হিংসা, রিয়া, শিরেক আর বিভিন্নমূখী পাপের কারণেই কি মানুষ আমার সাথে এ রকম করছে? আমি গত কয়েক ওয়াক্ত এবং এর আগে অনেক দিন মসজিদে যেতে পারিনি এবং এখনো পারছিনা। তুমি ভালো করেই জান, কাদের উৎপীড়নের কারণে আমি জামাতে যেতে পারছিনা; এর আগে আমি নিয়মিত জামাতে যেতাম; অতএব এ বিষয়ে আমার প্রথম কথা হচ্ছে, যেহেতু আমি জামাতে যেতাম, তাই মসজিদে না যাওয়া নামাজ সমূহের জন্য আমাকে জামাতের সাওয়াব দিবে। আর দ্বিতীয় কথা হচ্ছে যাদের কারণে আমি রোগী, আবুল, সোজা ইত্যাদি হয়ে আছি, আমার গুনা সমূহ তুমি তাদের ঘাড়ে দিয়ে দিবে। আর আমার  আরো একটি আবেদন এই যে, আমাকে অনেক সময় অনেকে যে কথাগুলো বলে এবং যে খাওয়ার গুলো খাওয়ায়, আমার মনে হয়, তা তাদের মন-মগজমত  (এমনকি ঘরের বউটিও) নিয়ত করে এবং তাদের হীন স্বার্থ অনুযায়ী প্রদান করে (তাদের ব্যবহার ও মুখাকৃতি দেখে ধারনা করতে পারি), এহেন পরিস্থিতিতে, মনে হয়ে এ কারণে আমি অনেক কষ্ট পাই। আসলে খাওয়ার ভিতরে কিছু আছে কিনা ইহা আমি বিশ্বাস করি না, আমি মনে করি সব তোমার হুকুমের মধ্যে। এ বিষয়ে তুমি আমাকে শান্তি প্রদান কর (হয়ত ইহা আমার ঈমানের দূর্বলতা। ইয়া আল্লাহ! আমাকে খাঁটি ঈমান প্রদান কর), আর যদি অন্য কারো বাজে নিয়ত বা তাদের যাদু এখানে থেকে থাকে, তবে আমার বিরুদ্ধে করা বর্তমানকার এবং ভবিষ্যতের সমস্ত বাজে নিয়ত অর্থাৎ আমার জন্যে করা মানুষের উদ্দেশ্য প্রণোদিত সকল নিয়ত বা দোয়া তুমি নিষ্ক্রীয় করে দিবে। ভবিষ্যতে যেন, এ ধরনের বিপদে আমি আর না পড়ি। অপরদিকে যদি মানুষের কারণে আমি এ ধরনের বিপদে পড়ি তবে তাদের জন্য এর সম পরিমাণ শাস্তি আমি প্রার্থনা করছি; যে বা যাদের কারণে আমি এ কষ্টগুলো পাচ্ছি। ইয়া রব! আমার দুনিয়ার পরীক্ষা সহজ কর। আমি সাধারণ মানুষ; হাফেজও নই, আলেমও নই। তুমি আমার রিজেক দাতা। আর কেউ নয়। ইয়া আল্লাহু তা’য়ালা! তাওয়াক্কুল এবং রিজেকের পরীক্ষা; এ পরীক্ষাগুলোকে আমি জটিল পরীক্ষা বলেই মনে করি। আমি এ ধরনের পরীক্ষাকে সব চাইতে বেশি ভয় পাই। যেহেতু আমার কাছে মানুষের অনেকগুলো টাকা রয়েছে। আমার ইনকাম বলতে গত প্রায় 14/15 মাস থেকে এখন পর্যন্ত কিছু নেই। আর চাহিবা মাত্র আমি মানুষকে টাকা দিতে বাধ্য।  আমি জানি অন্যান্য সকল মানুষের মত তুমি আমাকে পরীক্ষা না করে বেহেশত দিবে না। তারপরও এ ধরনের জটিল পরীক্ষায় তুমি আমায় ফেলো না, ইয়া আল্লাহ। অথবা আমার জন্য তুমি যা ভালো মনে কর তাই কর।

বন্ধন ফাউন্ডেশনের সদস্যদেরকে মহান আল্লাহু তা’য়ালার নিকট দোয়া করার জন্য অনুরোধ : আপনাদেরকে অত্যন্ত  দু:খের সহিত জানাচ্ছি যে, আমরা প্রায়   সবাই এমনকি হয়তবা আমি নিজেও ঈমান-আমলের চাইতে অর্থ ও ক্ষমতাকে প্রাধান্য দিচ্ছিলাম। আর তাই ব্যবসায়িক সাইনবোর্ডটি আগে বানিয়েছিলাম। কিন্তু প্রকৃতিগতভাবে আমি এ রকম নই। যা আমাদের এ প্রতিষ্ঠানের সূচনা ভিডিও দেখলেই আপনাদের তা অনায়াসে বুঝে আসবে। সেখানে বন্ধন অনলাইন এডুকেশান এর সাইন বোর্ডটি এক নাম্বারে দেখতে পাবেন। আপনারা নিশ্চয়ই বুঝতে পারেন মানুষের জন্য আগে প্রয়োজন ঈমান এবং আমল। আর ইহা সত্য যে, বক্তাকে দেখে শ্রোতাগণ যে রকম মনে করবে, বক্তা সে রকমই বলতে পারবে। তাহলে এখন, প্রথমে এভাবে লিখা-লিখি এবং কোরআন শরীফ হেফজ এবং ধর্মীয় শিক্ষা ও এ ধরনের বিভিন্ন ভিডিও আপলোড করে পরবর্তীতে লোকবল নিয়োগ দিয়ে একই সাথে ব্যবসা পরিচালনা এবং ধীরে ধীরে মাদ্রাসা-মসজিদ প্রতিষ্ঠার দিকে ধাবিত হওয়া। ইহাই আমার ইচ্ছা। ইয়া রব! তোমার কাছে  আমি এ প্রার্থনা করি এবং এ বিষয়ে বন্ধন ফাউন্ডেশনের সদস্যদেরকেও মহান আল্লাহু তা’য়ালার নিকট দোয়া করতে অনুরোধ করি।  

বিশেষ কথা: আসলে মানুষ হিসেবে আমার জ্ঞান-বুদ্ধি খুব সীমিত। উপরে লিখিত বিষয়গুলির মাধ্যমে আমি আসলে আমার নিজকে প্রকাশ করেছি। এখানে মহান আল্লাহু তা’য়ালার প্রজ্ঞাময় কিছু রয়েছে কিনা তা জানিনা।

অতএব, আমার প্রার্থীত বিষয় অনুমোদন করে আমাকে এই কষ্টের জীবন থেকে মুক্তি দেয়ার জন্য আমার প্রভূর পায়ে আমি সেজদা প্রদান করছি। অথবা আমার রব আমার জন্য যা ভালো মনে করেন আমাকে তাই প্রদান করবেন, আমার রবের নিকট এ আশাবাদ ব্যক্ত করছি। সে সাথে উপরের লিখায় যদি কোন ভূল থেকে থাকে তবে আমি তোমার নিকট ক্ষমা চাচ্ছি এবং আমার সাথে মানুষদেরকে ডিসকাস করে সংশোধন করিয়ে নেয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।

নিবেদক,

আপনার রহমত ও আপনার  ইচ্ছায় 

আপনার বাধ্যগত ও অনুগত গোলাম

মুহাম্মদ আরিফ উল্যাহ,

পিতা-মরহুম ছিদ্দিক আহাম্মদ,

প্রতিষ্ঠাতা, বন্ধন ফাউন্ডেশন।

[দায়বদ্ধতা, জবাবদিহীতা ও স্বচ্ছতা: এ পাঠটি আমার ওয়েবসাইট bondhonfoundation.com এ লিখিত আকারে এবং bondhon foundation education এ নামীয় ইউটিউব চ্যানেল এবং এ একই নামীয় ফেসবুক পেজে ভিডিও আকারে পোস্ট করা হবে ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা। এ প্রবন্ধ ও এর ভিডিও’র সম্পূর্ণ দায়ভার আমার নিজের।যেহেতু মানুষ ভূল-ত্রুটির উর্দ্ধে নয়, তাই ভূল-ত্রুটি সমূহ (যদি থাকে) সংশোধন করা বা আমাকে অনুপ্রেরণা দেয়ার লক্ষ্যে কমেন্টস দিয়ে, লাইক এবং শেয়ার করে ও ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে আমাকে উৎসাহ দেয়ার অনুরোধ রাখছি। আমার যে কোন লিখার এবং ভিডিও এর সংশোধন ও আপডেট এর বিষয়ে আমি শুধু আমার এ ব্লগসাইটটিতেই প্রকাশ করবো। তাই আমাকে দোষী সাব্যস্ত করার আগে অন্তত একবার আমার এ সাইটটিতে ক্লিক করে bondhonfoundation.com আপনার ঐ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন সংশোধনী বা আপডেট আছে কিনা তা দেখে নেয়ার জন্য এবং আমাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়ার লক্ষ্যে আমার সাথে যোগাযোগ করার জন্য বা যেকোন ভাবে আমাকে পরামর্শ প্রদানের জন্য ( 01718981344 (ইমু), 01781472355, ইমেইল: a30761223@gmail.com, web: bondhonfoundation.com )  বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হলো। আবার নরমালিই আমার যে কোন প্রবন্ধ আমার মূল সাইট, অর্থাৎ এ সাইটটি থেকে (ক্লিক করুন) bondhonfoundation.com পড়লে , তবে ইহা বেস্ট হবে বলে আমি মনে করি। অন্যদিকে অন্যান্য সাইট সমূহে হয়তো প্রত্যেকটি প্রবন্ধ বা ভিডিও সব সময় প্রকাশ করা সম্ভব হবে না বা বিচ্ছিন্ন ভাবে কোন একটি বিষয়ের কোন একটি পার্ট অনলাইনের যে কোথাও যে কোন কারণেই হোক না কেন হয়তো প্রকাশিত হতে পারে, এজন্যে পুরো বিষয়টি বুঝে না আসলে, এ ধরনের বিষয় গুলো সমাধানের লক্ষ্যে আপনাদের প্রতি আমার উপরোক্ত মূলসাইটে ভিজিট করার অনুরোধ রইলো। আর এমনিতেই আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো আমি লম্বা লম্বা ভিডিও পোস্ট করি, যাতে আপনাদের ধর্জচ্যুতি হয়। তাই কোন  একটি বিষয় যদি আপনার বুঝে না আসে, এজন্যে সংশ্লিষ্ট ঐ বিষয়ক পরবর্তী বা পূর্ববর্তী প্রবন্ধ ও এ বিষয়ক ভিডিও  শুধুমাত্র bondhon foundation education অথবা bondhon foundation official এ ইউটিউব চ্যানেল বা ফেসবুক পেজ থেকে, ইউটিউব বা ফেসবুকে সার্চ করে] দু’টিই দেখার ও পড়ার (উপরোক্ত ব্লগসাইট থেকে) অনুরোধ রইলো। আবার আমি পবিত্র কুরআন শরীফ, হাদীস শরীফ বা কোন দোয়া-দরুদ মুখস্থ করণ বা প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন বিষয়ক ভিডিও ব্যতিত অন্যান্য সকল ভিডিও রেকডিং এর পূর্বে অবশ্যই প্রথমে এ  বিষয়ক প্রবন্ধ লিখবো এবং এর পর সংশ্লিষ্ট এ বিষয়ে ভিডিও নির্মাণ করবো, যাতে লিখা ও বলা, উভয় মাধ্যমে কোন একটি বিষয়কে আমি কী বলতে চাই, তা ভালো ভাবে বোঝানো যায়। যাক লিখা আর লম্বা না করে কলম, কালি, ইসলাস শিক্ষা, ইসলাম প্রচার ও মানব সেবা; এ কর্মগুলোর মধ্য দিয়ে জীবন অতিবাহিত করতে পারার জন্য মহান রবের নিকট আমার জন্য সকল পাঠক, শ্রোতা ও দর্শকবৃন্দকে দোয়া করতে সবিনয় অনুরোধ করছি।]

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বন্ধন ফাউন্ডেশন: