সম্মানিত আলেম সমাজের প্রতি অনুরোধ

আউজুবিল্লাহি মিনাশ্শাইত্বোনির রাজীম। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। পরমকরুণাময় দয়ালু সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহু তা’য়ালার উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রেখে এবং তাঁর শুকরিয়া জ্ঞাপন করে আরম্ভ করছি। আলহামদুলিল্লাহ! সাথে সাথে মহানবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সা:) এঁর প্রতি দরুদ শরীফ পড়ে শুরু করছি আজকের বয়ান। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। ম্মানিত আলেম  ও মসজিদ, মাদ্রাসার হজুরবৃন্দকে সালাম জানিয়ে ছোট্ট একটি কথা লিখতে ও বলতে চাই। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। দেখুন ইসলাম অর্থ শান্তি । আর শান্তির পূর্ব শর্ত খাওয়া পরার টেনশন থেকে মুক্তি । তাই  ইসলামী অর্থ ব্যবস্থার উপর আপনাদের  ওয়াজ নছিহত ও সক্রিয় অংশগ্রহণ একান্তই কাম্য । কারণ সুদের টাকার খাদ্য খেয়ে ইবাদত করলে তো তা কবুল হবে না । তাহলে আপনারা বলুন সুদের বাহিরে এখন পৃথিবীর কোন দেশের কোন অঞ্চলের কোন প্রতিষ্ঠান রয়েছে বা থাকলেও কয়টি রয়েছে ? তবে এতো ওয়াজ নছিহত করে ফল কতটুকু হবে ? আমরা তো সুদের গেজা খাচ্ছি । সুদ একটি মারাত্মক হারাম। আর হারাম খাদ্যে পরিপুষ্ট শরীরের দোয়া ও ইবাদাত কবুল হবে না ও তা জাহান্নামের উপযুক্ত হবে। ইহা রাসূল (সা:) বলেছেন। এছাড়া বর্তমান বিশ্বের মানুষদের সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য আর উন্নতির মূল সোপান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়ন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় এই যে, এ দুটি বিষয়ে আপনাদের ওয়াজ নছিহত এবং সক্রিয় প্রচেষ্টা প্রায় নেই বললেই চলে । অতএব আপনারা কি মানুষের প্রয়োজনীয় এ দুটি বিষয়কে উপেক্ষা করছেন ?  মাইন্ড করবেন না বরং  আপনি নিজকে নিজে চিন্তা করুন, জীবনে বহুত ওয়াজ নছিহত করেছেন, মানব ও সমাজসেবা মুলক কর্মকাণ্ড করেছেন । কিন্তু মানুষের অতীব প্রয়োজনীয় এ দুটি বিষয়ে আপনার অবদান কতটুকু? সুদ থেকে মুক্ত হওয়ার প্রচেষ্টা না করে আপনার ওয়াজ শুনে আমার এবং আমার ভাইদের লাভ কতটুকু হবে বলুন ? এভাবে এ কথাটি আমি আপনাদেরকে বলতাম না । দেখুন  আপনারা বিচার করুন । গত কয়েক মাস আগে আমার কাছে আমারই বন্ধু সম  প্রতিবেশী লোন নিতে এসে উত্তেজিত হয়ে সামনাসামনি  লোনের চুক্তি লেখার জন্য প্রদত্ত স্ট্যাম্প ( ৩০০টাকার) ছিঁড়ে ফেলেছে । এরপর আমি তার জ্ঞানের অভাব দেখতে পেয়ে আমার এ অফিসের দু’পাশের মসজিদের দু’খতিব মহোদয়কে অনুরোধ করলাম, আপনারা  বাকিতে পণ্য কিনে কিস্তিতে পরিশোধ, অর্থাৎ লোন প্রদান এ বিষয়ে একটি জ্ঞান জুমার বয়ানের ( যেহেতু এ দেশে জুমার বয়ান করা হয়) মাধ্যমে আমাদেরকে প্রদান করবেন (অনুরোধক্রমে) । যাতে ইসলামী অর্থনীতির বিষয়ে কিছু জ্ঞান আমরা প্রাপ্ত হই। যাতে আমাদের মাঝে ঝগড়া বিবাদ  এর পরিমাণ কিছুটা হলেও কমে। কারণ,  লোন দেয়ার সময় আমাকে লোন গ্রহিতা বিভিন্ন ভাবে পেরেশান করে। যেমন, ওরা আমাকে বলে, টাকা দিচ্ছেন, টাকা নিবেন; এতো ভাউচার খুঁজেন কেন? মাল দেখে আপনি কি করবেন; আমি কি চুরি করছি? আপনি দেখেন না, আমি দোকান করছি। দোকানে অনেক মাল। কিন্তু আমি কোন মালটি তার নিকট বাকিতে বিক্রি বাবদ, মাল কিনে আনার জন্য টাকা দিচ্ছি এবং সে মালটিই আমি দেখতে চাই; ইসলামী অর্থনীতি অনুযায়ী আমার কাছে সন্দেহ হলে, তবে আমাকে আমার মাল দেখাতে হবে এবং আমিও দেখতে হবে বা স্বাভাবিক ভাবেই মালটি দেখা আমার জন্য অধিক উত্তম; মালের ভাউচার প্রদান করলেও। এ বিষয়টি আমি তাদেরকে বুঝাতে পারি না। উল্টা তারা আমাকে বলে,   তাহলে আপনি কি আমাদের জন্য সহজ নিয়ম চালু করছেন, না প্যাঁচাল ফারছেন?  কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো আমি অনুরোধ করার প্রায় আড়াই মাস পার হলেও আপনারা কেউই এ বিষয়ে কোনো বয়ান করেন নি এবং সাধারণত আপনারা এ ধরনের অর্থনৈতিক বিষয়ে তেমন কোন বয়ান  বা প্রদক্ষেপ নেন না। আর মানুষ গুলো মনে করে সুদ বিহীন অর্থ ব্যবস্থা সম্ভব নয়  অথবা একটি জটিল প্রক্রিয়া এবং পরোক্ষভাবে  ইসলামের এ বিধান সমূহকে  জটিল, কঠিন ও মানুষের জন্য কষ্ট দায়ক আইন ও ইসলামকে জটিল ও কঠিন ধর্ম হিসেবে মানুষ গুলো যার যার মতো করে বুঝে নেয় । ইসলাম সম্পর্কে মানুষের এ অজ্ঞতার বিষয়ে আপনারা কি একটুও দায়ী নয়? আপনাদেরকে আলেম হওয়ার তাওফিক কে দিয়েছে? এবং কেন দিয়েছে? আপনারা কি পারেন না, লোন দেয়ার সময় কেন আমরা ভাউচার খুঁজি? কেন আমরা মাল খুঁজি? বিদেশের ভিসা টিকেটের জন্য, ভাড়া বা লেবারের মুজুরির জন্য, কেন আমরা লোন দিতে পারি না? ইত্যাদি বিষয় গুলো বুঝিয়ে দিতে? যা খেয়ে আমরা জীবন ধারন করি, মানুষ বেঁচে থাকে; আর সে বিষয়টিকে পিউর করতে এবং সুদের মতো একটি মারাত্মক গুনাহ থেকে বাঁচিয়ে মানুষ কিভাবে সুদমুক্ত ঋণ পাবে ( লোন, এটি অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, একে অস্বীকার করা মানে মানুষকে বাঁচিয়ে রাখার প্রচেষ্টাকে অস্বীকার করা), সে বিষয়টি অন্তত আপনাদের জুমার বয়ান (যেহেতু এ দেশে জুমার বয়ান করা হয়) সহ বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলে থাকবে না, এর পিছনে কোন যুক্তি আমি খুঁজে পাই না। তাই আমি অনুরোধ করবো, এ বিষয়টিকে আপনারা প্রাধান্য দিয়ে এবং বিভিন্ন চেষ্টা তদবীরের মাধ্যমে মানুষকে হালাল ভাবে খাদ্য খাওয়াতে সচেষ্ট হবেন। ইহা আপনাদের প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ। এছাড়া আপনাদেরকে সহযোগিতার আহবান বা দাওয়াত করতে (লোন বা অন্যকোন বিষয়ে) আমাদের এখন ভয় করে, কারণ আপনাদেরকে গাড়ি করে আনতে হবে, সম্মানজনক হাদিয়া দিতে হবে (এ বিষয়টি লিখতাম না, তবে লিখেছি এ জন্য যে, আমাদের প্রতিষ্ঠানের গঠনতন্ত্রটি পড়ে সংশোধন করার জন্য কয়েকজন হুজুরকে প্রদান করলে, কিছু কিছু হুজুর তা ডিনাই করেছেন ও অবহেলা বা অপমাণ বশত: আমাকে তা ফেরত দিয়েছেন) । অথচ অর্ধ পৃথিবীর বাদশা খলিফাতুল মুসলিমিন হযরত ঊমর ফারুক (রা:) নিজ স্কন্ধে করে দু:খি মানুষের জন্য খাদ্য নিয়ে গিয়ে ছিলেন। আজ যখন আপনাদেরকেই বলছি, তখন আরো একটি বিষয় আপনাদেরকে বলি, হযরত মুহাম্মদ (সা:) সব সময় আগে সালাম দিতেন। তিনি পরিচিত অপরিচিত সকলকে সালাম দিতে বলেছেন। সালামের প্রচার প্রসার করতে বলেছেন। প্রাণের নবী (সা:) দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ হয়ে যে কাজটি করেছেন, আপনারা একটি মসজিদের ঈমাম বা মাদ্রাসার প্রধান হয়ে আপনার মুসল্লি বা অধীনস্থ বা সমাজে আপনার চাইতে ছোট ব্যক্তিদেরকে সালাম দেন না এবং আমি দিতে দেখিনা। (প্লিজ আমায় মাফ করবেন, আমি আপনাদের শত্রু নই। আপনারা আমার নিকট অনেক শ্রদ্ধাভাজন। মূলত আপনাদেরকে এভাবে দেখলে ভালো লাগতো, তাই লিখেছি। তাছাড়া সমাজে প্রচলিত এ অনৈসলামিক পরিবেশের কারণে  আমরা কমজোরি হওয়ায় হয়ত আমরা পারিনা। সেক্ষেত্রে আপনারাও যদি না পারেন; তাহলে এ ধরনের বিলুপ্ত প্রায় সুন্নাত বা আসার সমূহ, কি একদমই বিলুপ্ত হয়ে যাবে? এছাড়া রাসূল (সা:) ও তাঁর সাহাবী (রা:) এঁর সময়ে কি এরকম ছিলো যে, সকলে সকলকে শুধু সালাম দিতো? দম্ভ অহংকার কি একধমই ছিলো না? ধরে নিলাম ছিলো না বা কম ছিলো, তাহলেও কি এ সুন্নাত ও আসার সমূহ বিলুপ্ত হওয়ার বিষয়ে কোন ধরনের বৈধতা দিতে পারবেন? ভাই, শুনতে হয়তো মনে হতে পারে, সালাম আদান-প্রদান, এ তো শুধু একটি সুন্নাত মাত্র! আপনি একটু গভীর ভাবে বিশ্লেষণ ও অনুধাবন করলেই বুঝতে পারবেন, এ সালাম আদান-প্রদানের রীতি-নীতির মাধ্যমেই প্রকাশিত রয়েছে দম্ভ আর অহংকারের পরিচয়। আর এভাবে আপনারাও সাধারণের চোখে দাম্ভীক ও অহংকারী হিসেবে সাব্যস্ত হতে পারেন। আপনি কি মনে করেন, আপনাকে মানুষ হুজুর বা অলেম বলে সম্মান করছে? আসলে আপনাদের অনেকের ক্ষেত্রে আমার মনে হয়, মানুষ আপনাকে সম্মান করছে শুধুমাত্র আপনার চেয়ার ও পদবীর বা দায়িত্বের কারণে। একটি মুসলিম অধ্যুসিত অঞ্চলে মানুষের চোখে আলেম ও ভালো মানুষ হিসেবেই যদি সম্মান না পান, তবে মহান রাব্বুল আলামিন আপনাকে কি কবুল করবেন? আলেম হিসেবে আপনার জীবন কি সার্থক হবে? আমারতো মনে হয় না।  মনে রাখা দরকার, নবীজি (সা:) বলেছেন, যে আগে সালাম দেয় সে অহংকার মুক্ত। এ অহংকারের বিষয়ে সকলকে স্মরণ রাখা উচিৎ যে, নবীজি (সা:) বলেছেন, যার ভিতর অণু পরিমাণ অহংকার আছে, সে বেহেশতে যাবে না (হিসাবের সাথে সাথে)। দেখুন ইবলিশের দোষ কি ছিলো? সে অহংকার করেছে। আর এর পরিণামে সে কী হয়েছে? ভাবুন একটু! তাহলে আমার আপনার অহংকার আর দম্ভের পরিণাম কি কিছুই হবে না? আমায় মাফ করবেন, আমি আপনাদের চাইতে অনেক ছোট মানুষ। ইসলামকে ভালোবাসি বলে আপনাদের প্রতি লিখতে বসে, লিখায় লিখা আসে, তাই এতো লিখা লিখে ফেলেছি। না হয় আপনাদের প্রতি লিখার যোগ্যতা এবং অধিকার কোনটিই আমার নেই। তাই দয়া করে আমায় ক্ষমা করবেন। আবার বলি, আমরা কি শুধু আপনাদের ওয়াজ শুনে শুনেই শিখবো? ইসলামের এ শ্বাশত বাণী ও ইতিহাস গুলো আজ  শুধুই রুপ কথার গলে্‌পর মতই আমাদের কাছে  শ্রুত হয়। ফিরে আসি পূর্বের বিষয়বস্তুতে। আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, সমাজের অনেক মানুষ আমাদের মতো মানুষদের উপর ক্ষুব্ধ। কেন আমরা এ পথে আসলাম? লোন প্রদান কি একটি ইসলামী তরীকা? আমরা নামাজ পড়ে, দাঁড়ি রেখে কেন এ সুদের পথে (অজ্ঞতা, মূর্খতার কারণে তাদের ভাষায়) পা বাড়ালাম। আর তাই আপনারা কি পারেন না, সমাজকে এ বিষয়ক কোন জ্ঞান প্রদান করতে? না হয় আপনারাই বলুন আমি কি কোন পাপের কাজ করছি (যারা আমাকে চিনেন)? আর আমি তো বলিনি যে, বয়ানে আপনারা আমার  নাম প্রকাশ করুন (অর্থাৎ আমার পাবলিসিটি হোক, এর জন্য আমি বলিনি) । উল্লেখ্য যে, লোনের আবেদনকারী লোকটি আমার কাছ থেকে  লোন নিয়ে গাড়ি ভাড়া ও লেবারের মজুরি দিতে চেয়েছিল । আপনারা যদি লোনের এ বিষয় সহ ইসলামী অর্থনীতি সম্পর্কে আপনাদের ওয়াজ নছিহতে বলতেন বা সাধ্যমত সহযোগিতা করতেন তাহলে আমাদেরকে আজ এত কষ্ট বা মনোমালিন্য করতে হতো না। দেখুন  আজও সমাজের প্রায় সব গুলো মানুষ ইসলামী লোন নেয়ার সময় মাল দেখানো, ভাউচার প্রদান এসবকে শুধুমাত্র  ফরমালিটিই মনে করে । তাই আপনাদের নিকট আমার উদাত্ত  আহ্বান, আপনারা এ বিষয় গুলো সহ ইসলামী অর্থনীতির অন্যান্য দিক  মানুষের সামনে সহজ সরল ভাবে তুলে ধরবেন । কারণ খাদ্যই যদি হালাল না হয়, তাহলে (আপনাদের এ বিষয়ক ওয়াজ ব্যতিরেকে) অন্যান্য ওয়াজ নছিহতে উল্লেখ করার মতো কোন ফল আসবে বলে আমার মনে হয় না।আর তাই আপনারা যে যেভাবে পারেন সাধ্যমতো ওয়াজ-নছিহত, প্রবন্ধ-নিবন্ধ এবং বাস্তবে ঋণ প্রদান বিষয়ক প্রতিষ্ঠান গড়ে ও সে প্রতিষ্ঠানের গঠনতন্ত্র অনলাইন ও অফলাইন উভয় ভাবে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশ করলে, আমরা যারা প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে ঋণ প্রদান করতে গিয়ে বিভিন্ন মুখি সমস্যায় পড়ছি, আমাদের প্রভূত উপকার হতো। একই ভাবে আপনাদের জ্ঞান প্রদান ও সাপোটিং এর কারণে অনেকেই ইসলাম ভিত্তিক ঋণ প্রদান ও অন্যান্য ব্যবসায়িক ইসলামিক প্রতিষ্ঠান গড়ার সাহস, অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতা পেতো। অপরদিকে ঋণ গ্রহিতা গণও ইসলামী জ্ঞান ও আপনাদের সহযোগিতা পেয়ে ইসলামী নিয়মেই ঋণ গ্রহণকে সহজ মনে করতো ও বিষয়টিকে মেনে নিতো। আর এভাবে বিশ্বের অর্থনীতির চাকা একটু হলেও ইসলামের আলোয় উদ্ভাসিত হতো। আর কিছু না হলেও ইসলামী অর্থনীতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে ইসলামকে সহজ ও শান্তিময় ধর্ম হিসেবে বিশ্ববাসির সামনে উপস্থাপন করা, ইহা আপনাদের দায়িত্ব। বিশ্বের সকল প্রান্তের আলেম সমাজের প্রতি এ আশাবাদ ব্যক্ত করে এবং পরবর্তীতে ইসলামী অর্থনীতির অন্যকোন দিক নিয়ে আপনাদের সামনে আবার হাজির হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে ও আমার এ লিখা ও ভিডিও’র ভূল-ত্রুটি সম্পর্কে কমেন্টস দিয়ে সংশোধিত করার লক্ষ্যে সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা দেয়ার অনুরোধ করে আজকের মতো এখানেই শেষ করছি। সকলে সুখে থাকুন। সুন্দর থাকুন ও সুস্থ থাকুন। করোনার মতো এ মহামারি থেকে মহান রাব্বুল আলামিন আমাদের সকলকে মাফ করুক। গুনাহ মুক্ত, কর্মময় ও সাফল্যময় হোক আমাদের সকলের  স্বপ্নময় ভবিষ্যত। আল্লাহ হাফেজ।    

নিবেদক,

দোয়া ও ক্ষমা প্রার্থনায়-

মুহাম্মদ আরিফ উল্যাহ, 

প্রতিষ্ঠাতা: বন্ধন ফাউন্ডেশন (প্রস্তাবিত ও প্রচেষ্টারত)

গোবিন্দপুর, হাজীর বাজার, ফেনী সদর, ফেনী।

মোবা: 01781472355, 01718981344(ইমো ও ওয়াটস এপপ)

( এ লিখাটি ও সংশ্লিষ্ট এ ভিডিওটি দেখে আপনার যদি মনে হয় ইহা ছড়িয়ে দেয়া দরকার, তাহলে আমার অনুরোধ যে যেভাবে পারেন ইহা ছড়িয়ে দিন এবং আমাদের ইউটিউব চ্যানেল এবং ফেসবুক পেজ  bondhon foundation education ও bondhon foundation official   সাবস্ক্রাইব ও লাইক করে এবং ভিডিও গুলো শেয়ার করে আমাদের পাশে থাকুন। সে সাথে গুগল বা ক্রোম ব্রাউজারের মাধ্যমে bondhonfoundation.com এ ওয়েবসাইট ভিজিট করে আমাদেরকে  সাহস ও অনুপ্রেরণা প্রদান করতে বিনীত অনুরোধ করলাম )

[দায়বদ্ধতা, জবাবদিহীতা ও স্বচ্ছতা: এ পাঠটি আমার ওয়েবসাইট bondhonfoundation.com এ লিখিত আকারে এবং bondhon foundation education এ নামীয় ইউটিউব চ্যানেল এবং এ একই নামীয় ফেসবুক পেজে ভিডিও আকারে পোস্ট করা হবে ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা। এ প্রবন্ধ ও এর ভিডিও’র সম্পূর্ণ দায়ভার আমার নিজের।যেহেতু মানুষ ভূল-ত্রুটির উর্দ্ধে নয়, তাই ভূল-ত্রুটি সমূহ (যদি থাকে) সংশোধন করা বা আমাকে অনুপ্রেরণা দেয়ার লক্ষ্যে কমেন্টস দিয়ে, লাইক এবং শেয়ার করে ও ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে আমাকে উৎসাহ দেয়ার অনুরোধ রাখছি। আমার যে কোন লিখার এবং ভিডিও এর সংশোধন ও আপডেট এর বিষয়ে আমি শুধু আমার এ ব্লগসাইটটিতেই প্রকাশ করবো। তাই আমাকে দোষী সাব্যস্ত করার আগে অন্তত একবার আমার এ সাইটটিতে ক্লিক করে bondhonfoundation.com আপনার ঐ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন সংশোধনী বা আপডেট আছে কিনা তা দেখে নেয়ার জন্য এবং আমাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়ার লক্ষ্যে আমার সাথে যোগাযোগ করার জন্য বা যেকোন ভাবে আমাকে পরামর্শ প্রদানের জন্য { 01718981344 (ইমু), 01781472355, ইমেইল: a30761223@gmail.com, web: bondhonfoundation.com }  বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হলো। আবার নরমালিই আমার যে কোন প্রবন্ধ আমার মূল সাইট, অর্থাৎ এ সাইটটি থেকে (ক্লিক করুন) bondhonfoundation.com পড়লে , তবে ইহা বেস্ট হবে বলে আমি মনে করি। অন্যদিকে অন্যান্য সাইট সমূহে হয়তো প্রত্যেকটি প্রবন্ধ বা ভিডিও সব সময় প্রকাশ করা সম্ভব হবে না বা বিচ্ছিন্ন ভাবে কোন একটি বিষয়ের কোন একটি পার্ট অনলাইনের যে কোথাও যে কোন কারণেই হোক না কেন হয়তো প্রকাশিত হতে পারে, এজন্যে পুরো বিষয়টি বুঝে না আসলে, এ ধরনের বিষয় গুলো সমাধানের লক্ষ্যে আপনাদের প্রতি আমার উপরোক্ত মূলসাইটে ভিজিট করার অনুরোধ রইলো। আর এমনিতেই আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো আমি লম্বা লম্বা ভিডিও পোস্ট করি, যাতে আপনাদের ধর্জচ্যুতি হয়। তাই কোন  একটি বিষয় যদি আপনার বুঝে না আসে, এজন্যে সংশ্লিষ্ট ঐ বিষয়ক পরবর্তী বা পূর্ববর্তী প্রবন্ধ ও এ বিষয়ক ভিডিও [ শুধুমাত্র bondhon foundation education অথবা bondhon foundation official এ ইউটিউব চ্যানেল বা ফেসবুক পেজ থেকে, ইউটিউব বা ফেসবুকে সার্চ করে] দু’টিই দেখার ও পড়ার (উপরোক্ত ওয়েবসাইট থেকে) অনুরোধ রইলো। আবার আমি পবিত্র কুরআন শরীফ, হাদীস শরীফ বা কোন দোয়া-দরুদ মুখস্থ করণ বা প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন বিষয়ক ভিডিও ব্যতিত অন্যান্য সকল ভিডিও রেকডিং এর পূর্বে অবশ্যই প্রথমে এ  বিষয়ক প্রবন্ধ লিখবো এবং এর পর সংশ্লিষ্ট এ বিষয়ে ভিডিও নির্মাণ করবো, যাতে লিখা ও বলা, উভয় মাধ্যমে কোন একটি বিষয়কে আমি কী বলতে চাই, তা ভালো ভাবে বোঝানো যায়। যাক লিখা আর লম্বা না করে কলম, কালি, ইসলাস শিক্ষা, ইসলাম প্রচার ও মানব সেবা; এ কর্মগুলোর মধ্য দিয়ে জীবন অতিবাহিত করতে পারার জন্য মহান রবের নিকট আমার জন্য সকল পাঠক, শ্রোতা ও দর্শকবৃন্দকে দোয়া করতে সবিনয় অনুরোধ করছি।] 

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বন্ধন ফাউন্ডেশন: