ভূমিকা: পবিত্র কোরআন শরীফ তিলাওয়াত ও মুখস্থ করার বিষয়ে দেশী বিদেশী মুসলিম অমুসলিম ঢনাঢ়্য ব্যক্তিবর্গের নিকট আবেদন/ তারিখ- ২৬.১০.২০২১ খ্রি.

বিষয়:  শুদ্ধ রুপে কুরআন তিলাওয়াত শিক্ষার ধারাবাহিক কোর্স হিফজুল কুরআন সম্পন্ন করণ দুটি বিষয়ে একটি পরিপূর্ণ অফলাইন ভিডিও এপ্লিকেশন তৈরী গুগল প্লে স্টোরে তা প্রকাশের উদ্দেশ্যে দেশবিদেশের ঢনাঢ়্য, আগ্রহী ও দয়ালু ব্যক্তিদের প্রতি  ছাত্রপ্লেসমেন্ট এবং আনুষাঙ্গিক প্রাসঙ্গিক সুবিধাদির জন্য ও এ বিষয়ে আমাকে হিজরত করার জন্যে সুযোগ দেয়ার লক্ষ্যে সবিনয় আবেদন। (আজকের ভিডিওটি বা এ প্রবন্ধটি দয়াকরে স্কিপ করে না দেখে বা না পড়ে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরোটা পড়ার বা দেখার বুঝার বিনীত অনুরোধ করছি:)

বর্ণনা: বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। প্রিয় দর্শক ও শ্রোতা, আপনারা বেশ কিছু দিন ধরে লক্ষ্য করেছেন, bondhon foundation education এ ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক ফেজ হতে আমি শুদ্ধরুপে কুরআন তিলাওয়াত ও কুরআন মুখস্থ সহ বিভিন্ন ধর্মীয় ভিডিও প্রকাশ করে আসছি। যা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। আপনাদের সহযোগিতা পেলে ভিডিও’র মান এবং পাঠ্যসূচির মধ্যে ইনশাআল্লাহু তায়ালা ব্যাপক পরিবর্তন করা সম্ভব হবে। যেহেতু প্রতিনিয়তই বিশ্বব্যাপী কেউ না কেউ মুসলিম হচ্ছে এবং ছোট বেলায় ইসলাম থেকে যাকে দেখা গেছে একধম বিমুখ; সেও জীবনের কোন এক সময়ে ভালো ঈমান ও আমল ওয়ালা হয়েছে এর নজিরও কিন্ত কম নয়। আর আধুনিক সমাজে নানাবিধ কর্মব্যস্ততার মাঝে এ রকম একটি মোবাইল ও কম্পিউটার অফলাইন এপ্লিকেশন থাকলে তাহলে মুসলিম উম্মার প্রভূত কল্যাণ হবে বলে মনে করি। মূলত সে লক্ষেই আমার এ প্রচেষ্টা। ভাই, আমার আরো অনেকগুলো মহৎ উদ্দ্যেগ রয়েছে বা ছিলো। কিন্তু আমি একান্ত গরীব ও পরিস্থিতির স্বীকার হওয়ায়, বার বার হোচড় খাচ্ছি, পারছি না এবং আমি বর্তমানে যেখানে থেকে এ কাজটি আরম্ভ করেছি ও চালিয়ে যাচ্ছি [মনে হতে পারে এখানে তো অনেক কিছু আছে বা আমি গরীব নই। এগুলো আমি একক ভাবে ঋণ করে করেছি, একটি বড় ধরনের সমাজসেবা মূলক প্রতিষ্ঠান করার স্বপ্ন দেখে। আমার টোটাল সম্পদের চাইতে আমার ঋণ আরো অনেক বেশী। আমি ঋণী। কিন্তু এ ঋণ নিজের জন্য করেছিলাম না; মানব সেবার জন্য কিছু একটা করবো ( মানুষের অংশগ্রহণ দেখে) সে জন্য করেছিলাম। বর্তমানে আমার সংসার চালানোর মতো টাকাও আমার কাছে নেই]  ; এখানে থাকলে এ মূল্যবান কাজটি পারবো বলে মনে হয় না। কারণ আমি এখানে পড়াবো, আর বাহির থেকে কুৎসিত হাসি ও তিরস্কারের ধ্বনি শুনতে হবে এবং বাড়ি বা বাহিরে গেলে অপমাণিত হতে হবে, তবেতো আমাকে নির্জীব বা রোগী হিসেবেই সনাক্ত হতে হবে। কিভাবে আবার কোরআন শরীফের মতো এমন মূল্যবান বিষয়ে আমল করবো ? (প্রিয় দর্শক/পাঠক ঘাভড়ে যাবেন না এবং আমাকে ভূল বুঝবেন না; ভিডিওটি পুরো দেখুন বা প্রবন্ধটি পুরো পড়ুন)  আবার এখন আমি যখন হিজরত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তখন গতকাল মসজিদে ঢুকতেই পিছন থেকে একজন শুনালো, ঘর জামাইয়্যা এনা থাকে (প্রচলিত ভাষা), মানে স্বার্থ বিহীন কেউ আমাকে স্থান দেবে না। ফলে ফজরের নামাজে আমি আর যাইনি। এতে আমি যেমন জামাতের সাওয়াব পেলাম না, ঠিক তেমনি মসজিদও মানে এ সমাজও তখনকার সময়ের জন্য একজন মুসল্লিকে হারালো। তেমনি ভাবে বাড়িতে গিয়ে দেখি, আমার স্ত্রী আমার উপর যথেষ্ট সন্দেহ ও ভয় করে আছে যে, আমি অন্যের হয়ে যাবো, মানে বিয়ে করে কোথাও চলে যাবো। তাছাড়া তারা তো (মানে আমার চারপাশের) জ্ঞানী, আর আমারতো একটা ছোট খাট চাকরীও নেই।  প্রিয় দর্শক ও শ্রোতা মসজিদে কোন ধনী গরীব নেই, নেই কোন ভেধাবেদ। সবাই মুসল্লি, সবাই সমান; এ কথাটি আজ কতটুকু সত্য ? প্রিয় ভায়েরা একটু চিন্তা করলে এবং পুরো ভিডিওটি দেখলে বা পুরো প্রবন্ধটি পড়লে বুঝতে পারবেন, গত প্রায় ২১টি বছর আমি কেমন করে জীবন-যাপন করেছি এবং এরই মাঝে আমার কার্যক্রম গুলোও চালিয়ে গিয়েছি। তাছাড়া শ্রোতা যা শুনতে চায় না বা শ্রোতা যে বিষয়ে বক্তাকে যোগ্য মনে করে না অথবা কোন কর্মীর প্রতি আগ থেকেই সে পারবে না বা পাগল বলে ধারনা রাখা হয় অথবা তার ভিতরে কোন মূল্যবান ধন-রত্ন রয়েছে এ বিষয়ে ধারনা করে, এর ভাগ কে নিবে, এ বিষয়ে প্রতিযোগিতা বা প্রতিদন্দিতা করে [বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, বর্তমানে আপন জন বলতে পারষ্পরিক স্বার্থসম্পর্কিত নিজ পরিবারের স্ত্রী-পুত্র,কন্যা ছাড়া মনে হয় আর কেউ নয়! আর স্বার্থ না থাকলে তারাও আপন হতো কিনা, সে বিষয়েও বেশীর ভাগ মানুষের ক্ষেত্রে আমার সন্দেহ হয়!!  যেন বিলুপ্ত হলো ইসলামের সেসব শ্বাশত বাণী, সমস্ত মুসলিম উম্মাহ একটি দেহের মতো অথবা এক মুসলিম অপর মুসলিমের ভাই অথবা মুমিন মুমিনের আয়না স্বরুপ ইত্যাদি]  বা পরাস্থ হয়ে বিভিন্ন অপপ্রচার চালানো হয়, তাও আবার আপন জনদের দ্বারা; যাদেরকে বিশ্বাস করেছি এবং শ্রদ্ধা করেছি , যাদের বিরুদ্ধে কোন ধরনের বাক বিতন্ডা করা, এটি অপরাধ বলে স্বীকৃত, তাদের দ্বারা [আপনারা ইতিহাস পর্যালোচনা করলেই দেখতে পাবেন অতীতের অনেক কাছের মানুষকে হত্যা করেছে একান্তই তার কাছের মানুষ গুলো; বিশ্বাসঘাতক হওয়ার সুযোগ শত্রুরা পায়নি; পাশুন্ডের মতো বিশ্বাস ঘাতকতার পরিচয় দিয়েছে আপন জনেরাই। যাক বেশী কথা বললে আপনাদের ধৈর্যচ্যুতি হবে]। তাহলে এ ধরনের কোন মানব প্রেমী ব্যক্তির দ্বারা ঐ কথা বা কাজতো দূরে থাক, সে কথা বলতে পারবে , এ ধরনের কোন যোগ্যতা কোন মানুষের থাকবে বলে মনে হয় না অথবা সে অসুস্থ হয়ে যাবে। আর আমার ক্ষেত্রেও ঘটেছে ঠিক তাই এবং ইহাই পৃথিবীর প্রায় সবগুলো মানুষের মৌলিক বৈশিষ্ট্য। এ করুণ পরিস্থিতি ও চরম দারিদ্রতার মাঝে আমি যা করেছি, সম্মানিত দর্শক ও শ্রোতাকে দয়া করে ভিজিট করার জন্য এবং এ সিদ্ধান্ত প্রদানের জন্য অনুরোধ করছি যে, আসলে আমি পাগল কিনা বা আমার দ্বারা সম্ভব হবে কিনা। [ আমার নিজ হাতে তৈরী ও একক ভাবে পরিচালনা করা অনেকগুলো ইউ আর এল এবং নাম আপনারা এ ভিডিও’র শেষে পাবেন। ভিডিওটি বুস্ট করার নিয়ত থাকায় ডেসক্রিপশন বক্সে এগুলো লিখলতে পারলাম না। এ ইউ আর এল সমূহের মধ্যে আমার কর্মের মূল্যায়ন আপনারা করতে পারবেন]। আর যদি কেউ মনে করেন, আমাকে এ গুরু দায়িত্ব পরিচালনায়, আমার আবেদন অনুযায়ী সাড়া দিবেন, তাহলে আপনাকে মনে রাখতে হবে, ইহা কোন গরীব বা মিসকিনের কাজ নয়। কোরআন শরীফের কাজ কখনো আপনার চাইতে ছোট হতে পারে না। আপনি যত বড় ধনীই হন না কেন। [মুমিন বান্দার ইসলাম অনুযায়ী সমস্ত সেবা মূলক কর্ম আসলে পবিত্র কোরআন শরীফেরই ব্যবহারিক রুপ] । দূর্ভাগ্যক্রমে যদি আবারও এ পরিস্থিতির স্বীকার হই, তাহলে যিনি আমাকে দাওয়াত দিবেন বা যদি কেউ দেন, তবে তার মনে রাখা উচিৎ, আসলে এ কার্যক্রমে  ফন্ড শ্রম ছাড়া আর কিছু হবে না। আর আমিও অনেক কিছু করবো, আপনাদের নিকট সম্মানিত হবো, এ জন্যে এ দুনিয়ায় আসিনি। আমি এসেছি শুধুই মহান আল্লাহু তা’য়ালার গোলামি করতে। এ জন্যে গড়তে যদি আমি পারি, ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা ভাঙ্গতেও আমি পারবো। বুদ্ধিমান থেকে যদি মহান আল্লাহু তা’য়ালার উপর সন্তষ্ট থাকতে পারি, তবে বুদ্ধিহীন হয়ে মহান রবের নিকট সন্তুষ্ট থাকতে না পারলে তবে আমি কেমন ঈমানদার!!?  এছাড়া হিজরত এটি সুন্নাত। তাছাড়া এ মূহুর্তে ধর্মীয় এ দায়িত্বের সাথে সাথে আমার মান, ইজ্জত ও পরিবারের সদস্যদেরে ভরণ-পোষনের উদ্দেশ্যে ইহা আমার একান্ত প্রয়োজন। আর তাই আমি হিজরতের উদ্দেশ্যে দেশ-বিদেশের ঢ়নাঢ্য যে কোন মুসলিম অমুসলিম ব্যক্তিদের নিকট একান্ত ভাবে সহযোগিতা কামনা করছি। (সাধারণ মানুষের দ্বারা ইহা সম্ভব হবে বলে মনে হয় না। আর হলেও হয়তো আমার সব মিশন সম্ভব হবে না এবং অযথা সময় ক্ষেপণ হবে।)

   তো কেন এ আবেদন সে বিষয়ে সামান্য একটু বেকগ্রাউন্ড ডিটেইলস শুনুন। যাতে আপনারা বিষয়টি বুঝতে পারেন। 2000 ইং সনে নারায়ন গঞ্জের বন্দর থানায় অবস্থিত কলাগাছিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে ট্রেড ইন্সট্রাক্টর পদে শিক্ষকতা করতাম। হঠাৎ আমার এমন হলো যে, আমি ইসলামী শরিয়তে ১০০% প্রবিষ্ট হতে থাকলাম। যেহেতু আমি আলেম ছিলাম না, সেহেতু এ অবস্থাটি সকলের কাছে অস্বাভাবিক বলে মনে হলো । স্কুলের সভাপতি জনাব ওহাব সাহেব একদিন মিটিং এর মধ্যে বললেন, তোমাকে আধ্যাতিকতায় ধরেছে। তিনি আমাকে একজন আলেমের দরবারে ছয় মাসের জন্য পাঠাতে চাইলেন অথবা বিয়ে করতে বললেন। আমি রাজি হলাম না। উনার জন্য দোয়া করি। উনাকে মহান আল্লাহু তা’য়ালা জান্নাতুল ফিরদাউসের পদমর্যাদা দান করুক। তো বিভিন্ন দিকে তদবীর,  চিকিৎসা ও আমার এবং আমার পরিবারের সাংসারিক খরচ মেটাতে গিয়ে অর্থ সম্পত্তি প্রায় সবটুকুই বিক্রি করে ফেলতে হলো। বাবা থাকতে বাবা তার মালিকানা, মানে ভাই-বোনদের যৌথ সম্পত্তি থেকে অল্প কিছু জমি আমার চিকিৎসা খরচ মেটাতে বিক্রি করায় আমার বড় ভাই ক্ষুদ্ধ আর অসন্তুষ্ট হলো। যার ফলশ্রুতিতে এ ভাই আমার মুদি দোকানে [ পরবর্তীতে নিকটস্থ বাজারে একটি মুদি দোকান দিয়ে ছিলাম] বার বার আমন্ত্রণ জানানোর পরেও যত দিন এ দোকান আমি করেছি, প্রায় আড়াই বছরের মধ্যে একটি বারের জন্যেও আসেনি এবং আমার দোকান থেকে কোন বাজারও করেনি বরং কেউ আমার দোকান থেকে তাদের জন্য বাজার নিয়ে আসলে তা ফেরত দিয়েছে। এমনকি আমার থাকার ঘর দেয়ার সময় আমি সহ আমাদের সকলের মালিকানাধিন সামনের পুকুর থেকে সামান্য একটু মাটি এনে ভিটি ভরাট করতে গেলে, আমার বড় ভাই এতে বাধা দেয় এবং মাটি আনতে দেয়নি। তার অভিযোগ ছিলো পুকুরটি তার নিকট লাকিট ছিলো। অথচ তার অল্প কয়দিন পর আমার জেঠাতো ভাই ঐ পুকুর থেকেই  মাটি নিয়েছে। তাকে কিন্ত বাধা দেয়া হয়নি। আমার অসহায়ত্বের কারণে আমি নিজ ভাই হতে যে ন্যায্য হক পাইনি, আমার জেঠাতো ভাই সবল বিধায় তার হক কিন্ত ঠিকই পেয়েছে। সুস্পষ্ট বুঝতে পারছেন, হিংসা এবং শত্রুতা শরু হয়ে যায়। বড় ভাইর নিকট এর একটিই কারণ ছিলো, আমার মরহুম বাবা কেন আমার অংশ ভাগ করে দিয়ে শুধু আমার অংশ থেকে আমার চিকিৎসা খরচের জন্য জমি বিক্রি করলেন না (সর্বমোট না হয় ১৫ শতক জমি বিক্রি করেছেন); সকলের নাম থেকে কেন বিক্রি করলেন। এ ১৫ শতক জমির জন্য তার এতো বিরোধিতা!! এছাড়া তার বিরোধিতার আর কোন কারণ আমি খুঁজে পাইনি। সে যে শুরু হলো আমার বিরুদ্ধে হিংসা, অসহযোগিতা, গ্রুপিং, আমাকে দাবিয়ে রাখার বিভিন্ন ও অপমানজনক অপকৌশল (সবাই মিলে) তা আজও চলছে এবং এতে শামিল রয়েছে প্রায় আমার সকল আত্মীয়। সকলের চোখে একটিই অযুহাত আমি রোগী, আমি কেন এত দামী দামী কাজ ধরি, আর বড় লোকের মতো চলতে চাই। আমি ছোট, আমি সকলের সামনে নতজানু হয়ে চলবো, এ হচ্ছে তাদের যুক্তি!! এদিকে সমাজের কিছু লোক আমাকে সাপোর্ট দেয়ায়, ধীরে ধীরে অন্যান্য আত্মীয়দের ও তাদের গ্রুপের এ বিরোধিতা, হিংসা ও শত্রুতায় পরিণত হয়ে যায় অথবা এর আরেকটি কারণ এই যে, আমার দ্বারা কি তাদের আর কিছু হবে? এ অসহযোগিতা আর নির্মমতার বিষয়ে বর্ণনামূলক আরো কয়েকটি ভিডিও ও টেক্সট আমার ইউটিউব চ্যানেল, ফেসবুক ফেস ও ওয়েবসাইটে পাবেন। দয়া করে সেখান থেকে দেখে নিবেন। আর আমি যদি কোন কথা মিথ্যা বলি বা উদ্দেশ্য মূলক কাউকে ঘায়েল করার জন্য বলি, তাহলে ইহা প্রমাণে আমার মা জীবিত থাকতে বিডিওটি প্রকাশের পরবর্তী ৩ মাসের মধ্যে আমার মায়ের মাধ্যমে তা প্রমাণ করতে হবে। এ সময়ের পরে এ বিষয়ে আমি আর কোন অভিযোগ গ্রহণ করবো না। অপরদিকে আমার মেঝ ভাই আমার জন্য বিক্রী করা কিছু  জমি ক্রয় করলেন ও জমির মালিকানা বাড়ির অন্যদের তুলনায় তার একটু বেশি হলো এবং সকলে মিলে সমাজে প্রচার করতে থাকলেন, আমি পাগল, সোজা, বোকা, যাদুগ্রস্থ ইত্যাদি। আবার আমিও অর্থ ও স্বার্থের জন্য কোন মানুষকে সেজদা দেয়া, আবার একটু সবল হলে সে মানুষকেই লাথি দেয়া বা জীবনে বাঁচতে হলে কোন গ্রুপিংয়ে যোগদান করা, এগুলো কখনো করিনি। ফলে এ সমাজে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচারের কারণে আরো বেশি কষ্টের মধ্যে নিমজ্জিত হতে হলো। আমি যখন তাদের কোন কাজের বিরোধিতা করতাম (স্বভাবত), তখন তারা আমার এ রোগ অবস্থাতেই আমার রোগকে আরো বৃদ্ধি করে দিতো বিভিন্ন মুখী যন্ত্রণা দিয়ে এবং আমার বড় মন দেখে ধারনা করতে থাকতো তুই কোন রাস্তা দিয়ে এবং কার সাথে বড় হবি, বের হবি আমরা দেখবো; যা আমি স্পষ্ট বুঝতাম। যখনই কোন কাজে হাত দিতাম, তখনই এরা অপপ্রচার চালাতো, এমনকি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নিষেধ করে দিতো এ বলে যে, আমি বোকা, সোজা, অনেক বড় মন, অথচ কিছুই নেই আমার, মানে পাগল, আমি পারবো না, আমার দ্বারা স্বম্ভব নয়, ইত্যাদি। একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর এলাকাবাসীর একাংশ বুঝতে পারলো যে, ইহাতো সুস্পষ্ট হিংসা, স্বার্থপরতা, শত্রুতা, গ্রুপিং আর লবিং এর প্রতিফল।

এরই মধ্যে গত ৭/৮ বছর ধরে একটি অর্থলগ্নী ও সমাজ সেবা মূলক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে তাদের বিরোধিতার মুখে হলেও সমাজের ভালো, নিরিহ ও দয়ালু একাংশ মানুষের সহযোগিতায় টিকেছিলাম ও চালিয়ে যাচ্ছিলাম। সেখানেও সদস্যরা শুধু সম্ভব মতো সঞ্চয় দিবে এবং যখন চাইবে নিয়ম মোতাবেক তাদের টাকা তাদেরকে দিয়ে দিতে হবে, এই ছিলো শর্ত। প্রতিষ্ঠান করার নিয়ত শুধু আমার একক ভাবেই ছিলো। আর সে কারণে মার্কেটের সকল  পাওনা, খেলাফী ঋণ, সমস্ত খরচ, নিয়ম-কানুন, লোকসান, ঝুঁকি এবং প্রতিষ্ঠানের অফিস সহ যাবতীয় বিষয় আমার কাঁধেই ছিলো। কিন্তু এবার ব্যবসা করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ও ব্যবসায় লস খাওয়ায় এবং করোনার করাল থাবায় আমার চাকুরী হতে দীর্ঘ  ১৪ মাস কোন বেতন না পেয়ে ( আমি আই সি এসটি নামক ফেনীর একটি বেসরকারী পলিটেকনিক কলেজে শিক্ষকতা করতাম) আমি আঁটকে গেলাম। আমার মন ভেঙ্গে গেলো। নিজের টাকাতো একটাকাও ছিলো না। যে ভাই গুলো টাকা দিলো তারাও অনেকে টাকা তুলে ফেলার জন্য জোরালো ভাবে কখনো নির্মমতার সহিত আমাকে বিভিন্ন ভাবে আবেদন করতে থাকলো। আর আমিতো এখনো মার্কেটে প্রায় ৬/৭ লক্ষ টাকা পাবো। তারা আমার টাকা না দিয়ে যাদের সাথে সুন্দর ও স্বাভাবিক জীবন-যাপন করছে, তাদের চোখে আমি আজ ঘৃনিত হয়ে গেলাম।

 আগে যারা আমি কিছু পারি না, সোজা, সহজ-সরল, পাগল ইত্যাদি বলে ছিলো; এখন আমি জ্ঞান গর্ব অনেক কিছু করায় তারা আমার আরো হিংসুক ও শত্রুত্বে পরিণত হলো। অথচ তারা আমাকে কোন সুযোগই দেয়নি, এ জীবনে। কথা বলার ক্ষেত্র বা কথা শুনার কোন লোক আমার ছিলো না। এ এক মানবেতর জীবন যাপন। যাক গুগল, ইউটিউব ও ফেসবুক যদি না থাকতো, তাহলে কখনোই হয়তো আমি নিজকে প্রকাশ করতে পারতাম না। এ জন্য আমি তাদের কাছে ঋণী, তাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ। আমার এ অর্থলগ্নী প্রতিষ্ঠানের অফিস রুম দিতে, আমার দিকে তারা অপমানের চোখে চেয়ে থাকতো ও বিভিন্নমূখী বিব্রতকর প্রশ্ন করতো। এমনও বলতে শুনেছি, আমি এক পাগল, দিচ্ছি পাগলা গারদ। গত বার স্থানীয় মসজিদে এতেকাফে গেলে, তারা আমার গভীর ইবাদতকে পাগলামী আখ্যায়িত করে আমাকে প্রায় আনব্যালেন্সড করে দিলো। কারণ আমাকে পাগল সাব্যস্থ করাতে পারলে তাদের আর কোন সমস্যা বা বদনাম নেই। তাছাড়া বাঙ্গাল কিভাবে নামাজে কাঁদে, সে ইসলামের কী বুঝে; সে তো আসলে পাগল। আপনাদেরকে অনুরোধ করবো, আপনারা আমার bondhonfoundation.com ও আমার ইউটিউব চ্যানেল, ফেসবুক ফেস, ফেসবুক গ্রুপ ইত্যাদি ভিজিট করে সিদ্ধান্ত প্রদান করুন, আমি কী আসলে পাগল ? হয়তো আমি একটু মানবেতর জীবন-যাপন করছি ও অতিরিক্ত মানসিক পরিশ্রম করছি এবং মানসিক চাপ সইছি। আমার এ বিষয় গুলো কতটুকু জ্ঞান গর্ব ও সমাজের জন্য কতটুকু উপকারী আর তারা কী বিষয়কে বিরোধিতা করলো (!) তা অনায়াসে বুঝতে পারবেন। তাদের হিংসার এবং আমি বড় কাজ ধরে মানুষের নিকট ও সাধারণ কিছু জনতার কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ায় তাদের চক্ষুশুল হলাম এবং এর একটি নমুনা এই যে, আজ প্রায় ২০ মাস আমার কোন ইনকাম নেই। মানুষ চারদিক থেকে টাকা চাচ্ছে। পকেটে টাকা নেই, ঘরে বাজার নেই, খাবার নেই। আমার ছোট ছোট ছেলে মেয়ে। আজ অনেক দিন বাজার করতে পারি না। আমি সহজ সরল মানুষ। এ অবস্থায়ও তাদের সহযোগিতার কোন হাত আমার প্রতি নেই। রোগে শোকে হাসপাতালে গেলেও তাদের কোন প্রতিক্রিয়া হয় না। অথচ সমাজের কত কত দায়িত্ব পালন করে তারা!! তারা তো মুমেন, অথচ সমাজের শান্তি রক্ষায় তাদের মতো মানুষদের জন্যেই প্রয়োজন হয় পুলিশ, রেব আর মানুষের চক্ষু!! এখন কথা হলো আমি কেন আপনাদের সাথে এভাবে বক বক করছি। আপনাদেরকে এভাবে বুঝিয়ে না বললে বা কমন কথা গুলোও যদি না বলি তবে তো আপনারা বুঝবেন না, কেন আমি আমার নিজ মাতৃভূমি ছেড়ে দিতে চাচ্ছি। আমার কি মাতৃভূমির প্রতি কোন দয়া-মায়া নেই। প্রায় সাড়ে ৮ লক্ষ টাকা ব্যয় করে ও সীমাহীন অপমাণ সহে মনমুগ্ধকর যে ঘর দিলাম এবং আমার প্রাণ প্রিয় মা এবং সন্তান-সন্ততি রেখে আমি এখন হিজরত করবো (পারলে তাদেরকে সহ নিয়ে যাবো)। এখানে একটি কথা আপনাদেরকে জানাতে চাই যে, আপনারা যদি কেউ আমাকে আমন্ত্রণ জানান, আর আমি যদি যাই, তাহলে এখান থেকে আমাকে কেউ বাধা দিবে বলে মনে হয় না। বরং তারা খুশি হবে। কারণ আমিতো যাবো মূলত তাদেরকে টাকা দেয়ার জন্য ইনকাম করতে অথবা ভালো কাজ করতে।

 আর তাই এ পরিস্থিতিতে এখানে থেকে পবিত্র কোরআন শিখানোর মতো এ ধরনের কাজ গুলো আমি চালাতে অনেকটাই পারছি না। এ জন্যে আমি ভালো কথা বললেও এখানকার অনেকে এগুলো প্রতিহিংসা বা গ্রুপিং এর কারণে এবং আমার কাছে টাকা পাবে সে কারণে দেখেও না। বরং টিতকিরি করে। কটুক্তি করে। অথচ আমার কোন দোষ নেই। আর এখনো যাদেরকে টাকা দিতে পারছি না, তাদের কাছ থেকে টাকা ভক্ষণ করার জন্যে যেমন তাদের সঞ্চয় সমূহ নিইনি, তেমনি অসদুপায় বা দূর্ভিসন্ধি এসবের কারণে সঠিক সময়ে দিতে পারছি না, এমনও নয়। আমার পকেটে মূলত টাকাই নেই। তবে প্রতিষ্ঠানটি যদি আল্লাহু তা’য়ালার উদ্দেশ্যে আরম্ভ করি, তাহলে ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা তিনি তা পরিশোধের ব্যবস্থা করবেন।

অন্যদিকে আমাকে যারা বিরোধিতা করে তাদের অনেকে গ্রুপিং এর কারণে হোক বা কারো কাছে কিছু শুনে হোক, সে যে কোন এক সময় আমার বিরোধিতা করেছে, মানুষের কাছে কালারিং হয়ে যাওয়ায়, আর সে ভুলতে পারেনি, পরিণত হয়েছে আমার স্থায়ী হিংসুকে, এটাই তাদের বৈশিষ্ট দেখলাম। এহেন পরিস্থিতিতে আমি এখান থেকে হিজরত করতে চাই। প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি অফিস দিয়ে ছিলাম আমি নিজে এ প্রতিষ্ঠান থেকে আমার নামে লোন নিয়ে। কিন্ত প্রায় সব সদস্যই তা মানে নি। ফলে সব দায়ভার আমার কাঁদেই উঠে। পাশে একখন্ড জমি ছিলো তা বিক্রি করে অনেককে টাকা দিয়ে দিয়েছি। আর জমিও নেই। জমি থাকলে কাউকে কিছু বলতাম না। বিক্রি করে সকলের টাকা দিয়ে দিতাম এবং এখনো ঘর ভিটার পাশে এক শতক জমি আছে তা বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছি। কিন্তু জলের দামে তো আর বিক্রি করতে পরি না! তাছাড়া আমার স্ত্রী এ বিষয়ে যথেষ্ট ঝামেলা করছে এবং সে বড় অসহায়ত্ব ফিল করছে। আমার তিন মেয়ে এক ছেলে। এ অবস্থার প্রেক্ষিতে কোরআন তিলাওয়াত, কুরআন হিফজ এ প্রোগ্রাম গুলো আমার স্ত্রী, পুত্র, কন্যারাই  আর ঠিকমতো মানছে না। কারণ তাদের আগে প্রয়েজন খাদ্য। ফলে আমি বিশাল বিপদে পড়ে গিয়েছি। অসহায় হয়ে গিয়েছি। মানুষের মধ্য হতে আমার কোন সাহায্যকারী নেই। অথচ আমি মানুষের জন্য কাজ ধরে ছিলাম। ওয়েবসাইট বানানো, সফটওয়্যার ক্রয়, নিয়ম-কানুন ঠিক করা, বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরী ইত্যাদি বাবদ প্রচুর টাকা ও শ্রম ব্যয় করেছি। আমি কী পরিমাণ এবং কতটুকু মানসম্মত ও সমাজসেবা মূলক কাজ ধরেছিলাম এবং এখনো করে যাচ্ছি, তা আমার ওয়েবসাইট, ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজ ভিজিট করলেই বুঝতে পারবেন। তাই  আমাকে এখান থেকে দেশ বিদেশের অন্য কোথাও কাজ করার সুযোগ দেয়ার জন্য ঢ়নাঢ্য মুসলিম ভাইদের নিকট বিনীত প্রার্থনা করছি। মজলুম হয়ে এতোদিন চলতে পেরেছি। প্রায় রোগী হয়ে গিয়েছি। তবুও কোন দিকে যাইনি বা যাওয়ার কথা বলিনি। কিন্ত মানুষের পাওনা টাকা , তাকে দেবো দেবো বলে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে নিজের কাছে নিজেই হেরে যাচ্ছি। নিজের কাছে নিজকেই অপরাধী মনে হচ্ছে। কেবলই মনে হচ্ছে, আমি মানুষকে কষ্ট দিচ্ছি। ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা ফ্রিল্যান্সিং করে পাওনাদারদের সকল পাওনা শোধ করতে পারবো। সবমিলে আনুমানিক ৮/১০ লক্ষ টাকা আমার কাছে সঞ্চয়কারীগণ পাবে। অতএব আমি দেশ-বিদেশের যে কাউকে অনুরোধ করবো, আমাকে ২/৩ জন ছাত্র দেন এবং তাদেরকে শুদ্ধরুপে কোরআন তিলাওয়াতের ও কুরআন হেফজ বা বিভিন্ন দোয়া দরুদ মুখস্থ করানোর এ অনলাইন ক্লাসগুলো চালানোর সুযোগ করে দেন। আমার ২টি প্রধান মিশন ১।  শুদ্ধরুপে কোরআন তিলাওয়াতের ভিডিও কোর্স কমপ্লিট করা ২। ভিডিও’র মাধ্যমে সম্পূর্ণ কুরআন শরীফ হেফজ করানো। তবে এ বিষয়ে যে কারো পরামর্শ গ্রহণ করলেও ক্লাস শুধুমাত্র আমার সিদ্ধান্তেই চলবে। কারণ কারো ননির পুতুল হওয়া আমার দ্বারা সম্ভব হয় না। এ কার্যক্রম গুলো অলরেড়ি আমার bondhon foundation education চ্যানেলে আরম্ভ করেছি। আপনাদেরকে অনুরোধ করবো চ্যানেলটি ভিজিট করার জন্য। শুধু ইউটিউবের সার্চবারে  bondhon foundation education লিখে সার্চ করলেই চ্যানেলটি ওপেন হবে।  এবং তাদেরকে পড়ানো বাবত আমার  থাকা ও খাওয়ার সম্মানজনক ব্যবস্থা করার আবেদন জানাচ্ছি। এদের সাথে আমার ছোট ছেলেটা থাকবে ইনশাআল্লাহু তা’য়ালা। এতে প্রতিদিন গড়ে ২/৩ ঘন্টা করে পড়াবো ও ভিডিও রেকডিং, এডিটিং, পাবলিশিং এবং আমার অন্যান্য অনলাইন কার্যক্রম ও ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করবো। কোন মেয়ে মানুষকে পড়াতে পারবো না। আমি পর্দা মেনটেনেন্স করে চলি। মেয়েরা মায়ের জাত। আমার মেয়ে রয়েছে। সম্মানিত মহিলা গণের যদি কোন কিছু বলার প্রয়োজন পড়ে, তবে পর্দার আড়াল থেকে বলবে। আমি তাদের সাথে দেখা দিতে পারি না। আপনি কী মনে করেন জানি না। তবে স্বভাবতই ইহা আমি পারি না। ইহা আমার স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য।

এ বিষয়ে যদি কেউ সুযোগ দেন, তবে আমাকে দয়া নয়, আপনার সন্তানকে বা ছাত্রকে পড়ানো বাবত বিনিময় স্বরুপই দিতে হবে এবং নির্ভেজাল, একাকী ও নিরিবিলি রুমই আমার প্রয়োজন। যেখানে ওয়াইপাই, ইলেকট্রিক ফ্যান, লাইট এ গুলো দিন-রাত প্রায়  সারাক্ষণই চলবে। কোন খরচ আমি দিতে পারবো না বা এ বিষয়ে আপনার কালো মুখ আমি দেখতে পারবো না  এবং পড়ানো বিহীন আপনার বা আপনাদের অন্য কোন কাজ আমি করতে পারবো না এবং আমাকে এ সুযোগ দিয়ে আমার প্রতি আপনারা দয়া করেছেন, এ ধরনের ভাবনা ভাবতে পারবেন না। ছাত্র পড়াচ্ছি, আর বিনিময় স্বরুপ আপনারা আমাকে পারিশ্রমিক দিচ্ছেন, ইহাই থাকবে আমার প্রতি আপনাদের ধারনা। দয়ার পুরষ্কার আপনারা মহান আল্লাহু তা’য়ালার নিকট থেকে পাবেন। সে বিষয় একান্তই আপনার স্বতন্ত্র। আমি ৫ ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে পড়ি, এ বিষয়ে আমাকে ব্যবস্থা করে দিতে হবে এবং এ বিষয়ে কোন বাধা বা কোন ওজর আমার সামনে উপস্থিত করতে পারবেন না। আবার কোন পরীক্ষায়ও ফেলবেন না। কারণ পরীক্ষা দিতে দিতে ঝাঁঝরা হয়ে গেছি। এখন আমি হিজরত করতে চাচ্ছি কাজের জন্য, অযথা পরীক্ষা দিয়ে সময় অপচয় করার জন্য নয়। সে সাথে আপনাদেরকে আরো একটি কথা জানিয়ে দিই। আমি বিবাহিত। তাই বিয়ে- শাদী করতে পারবো না। এ ঝামেলাতে আমায় ফেলবেন না। কারণ আমাকে কাজ করতে হবে। উপার্জন করতে হবে। পরিশেষে সকলের উদ্দেশ্যে একটি কথা বলতে চাই, অর্থ ও ক্ষমতা কেন্দ্রীক সমাজ ব্যবস্থায় মানুষের ঈমান-আমল কখনো সঠিক ভাবে মূল্যায়িত হয় না। মানুষ কারো কাছ থেকে সে পরিমাণই পাবে বা তার বিষয়ে সে পরিমাণই জানতে পারবে; যে পরিমাণ সে ঐ ব্যক্তি সম্ভন্ধে ধারনা রাখে। যা রবের ক্ষেত্রেও সমভাবে প্রযোজ্য। আর এ যুক্তিতেই যেখানে গুণী জনের ক্বদর থাকে না, সেখানে গুণীজন জন্মাতে পারে না; মানে ঐ গুণীজন থেকে কিছু পাওয়া বা তার পরিচয় পাওয়া সম্ভব হয় না । কথাটি সকলে মনে রাখবেন। আর আমাকে যতই পাগল মনে করেন, আমার মনের কথা গুলো বলে দিলাম স্পষ্ট করে, অকপটে। কাউকে হিংসা করে নয় বা কারো ক্ষতি করার জন্যেও নয়। এতে যদি আমার এ আবেদনে কেউ সত্যিকার ভাবে সাড়া দিতে চান এবং আমাকে সহযোগিতা করতে চান, তবে আমার ০১৭৮১৪৭২৩৫৫ অথবা ০১৭১৮৯৮১৩৪৪ (ইমু, ওয়াটস এপপ) নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করছি। এ ভিডিওতে প্রদানকৃত আমার এ বক্তব্য আপনারা আমার ফেসবুক পেজ bondhon foundation education, ওয়েবসাইট bondhonfoundation.com  ও ফেজবক গ্রুফ bondhon foundation group এ প্ল্যাটফর্ম গুলোতে পাবেন।  আর আমাকে এ দায়িত্ব দিতে না চাইলে সকল মুসলিমের প্রতি অনুরোধ প্লিজ আপনারা আমার এ দায়িত্ব ২টির পাশপাশি প্রত্যেক উপজেলা অনুযায়ী আমার নিম্নোক্ত কর্ম গুলো সম্পাদনের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করুন। যা মুসলিম উম্মার জন্য যথেষ্ট উপকারে আসবে।

১। ক) সারা দেশের জন্য একটি ওয়েবসাইট তৈরী করবেন, যেখানে মানুষ সব ধরনের তথ্য পায়। যেমন কোন্ রোগীকে কোন্ হাসপাতালে নিতে হবে। হাসপাতাল, ডাক্তার ও ঔষধের দোকান গুলোর ফোন নাম্বার ও লোকেশান যেন লোকেরা খুব সহজে জানতে পারে।

খ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, ট্রেনিং সেন্টার, বিভিন্ন দোকান পাঠ ইত্যাদির অবস্থান ও ফোন নাম্বার যেন খুব সহজে পাওয়া যায়।

গ) রিক্সা ড্রাইভার, সিএনজি ড্রাইবার সহ বিভিন্ন পেশাজীবী ও ব্যবসায়ী ভাইদের পণ্য বা সেবার বর্ণনা, ফোন নাম্বার ইত্যাদি যেন লোকেরা সহজে পেতে পারে।

ঘ) চাকুরী প্রার্থীগণ যাতে এ ওয়েবসাইটে এসে তাদের চাকুরী খুঁজতে পারে এবং চাকুরী দাতাগণও যেন এ ওয়েবসাইটে এসে তাদের চাকুরীর বিজ্ঞাপণ গুলো অনায়াসে পাবলিস্ট করতে পারে।

ঘ) ইত্যাদি। ইত্যাদি।

২। ইসলামী অর্থনীতি বাস্তবায়নে প্রকৃত ইসলামী অর্থলগ্নী প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা। যেখান থেকে মানুষ নির্ভয়ে ও নির্ভেজাল ভাবে এবং সহজ শর্তে বিনা সুদে লোন পাবে ও সঞ্চয় জমা রেখে হালাল ভাবে মুনাফা পেতে পারবে।

৩। মসজিদ ভিত্তিক সমাজসেবা মূলক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা। যার উদ্দেশ্য হবে নামাজ কায়েম করা ও সমাজে শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং ইহা মসজিদের প্রতিষ্ঠান ও এর কার্যক্রম মসজিদের নিয়মিত কর্ম হিসেবে অন্তর্ভূক্ত থাকবে। যেখান থেকে নানাবিধ সমাজ সেবা মূলক কার্যক্রম পরিচালনা ও বাস্তবায়ন করা হবে।

৪। যুগ সমাধান কল্পে মুসলিম উম্মার নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ মিলে গ্রহণযোগ্য ফতোয়ার কিতাব প্রণয়ন করা।

৫। ঈমাম মাহাদি (আ:) এঁর আগমণকে স্বাগত জানিয়ে তাঁর কার্যক্রমের সমর্থক হিসেবে ও সাওয়াবের আশায় তাঁর জন্য একটি ফান্ড গঠন করা।

  আরো একটি কথা জানিয়ে দিচ্ছি আমি আমার ওয়েবসাইটটি হয়তো বন্ধ করে দিবো। কারণ এর ডেভেলোপার আমার মনে কষ্ট দিয়েছে। আমাকে এর সি পেনেলের পাসওয়ার্ড ও ইউজার নেম এখনও দেয়নি। আমি ফোন করলে সে ধরে না। আমি যতটুকু বুঝতে পেরেছি, এতে ওয়েবসাইটের যাবতীয় খরচ বহন করেছি আমি, অথচ এর ডোমেন ও হোস্টিং তার ইমেইলে কিনা। যে কোন প্রয়োজনে তার পিছে পিছে ঘুরতে হয়, অথচ সে ফোন ধরে না। এ পর্যন্ত তাকে আমি এ ওয়েবসাইট ডেভলোপিং বাবদ ৪৪০০০/- টাকা প্রদান করেছি। তার সাথে চুক্তি ছিলো প্লে স্টোরে পাবলিস্ট করবে। কিন্তু সে করেনি। ওয়েবসাইট দিয়ে কী করবো যদি সেটা গুগল রেংকিয়ে না আসে। নিজের ফোনেতো ফোন ধরে না, অন্যের ফোন থেকে কল দিয়ে কয়েক দিন আগে বললাম, গুগল এডসেন্স থেকে এবং গুগল কনসোল থেকে একটি করে ২টি এইচটি এম এল কোড দিয়েছে। আমার ওয়েব সাইটে পাবলিস্ট করার জন্য। যেহেতু তিনি আমাকে সি প্যানেলের পাসওয়ার্ড ও ইউজার নেম দেয়নি তাই এ ২টি পাবলিস্ট করে দিতে। কারণ ওয়েব সাইটটি আমি গুগলে রেজিস্ট্রিও করাতে পারছি না ; আর এডও দিতে পারছি না। তিনি দিবে বলে আজও দেননি। তাছাড়া গুগল কমসোল কী তা নাকি তিনি জানেন না। তাই তার সাথে আমি আর কোন কাজ করতে পারবো না। সে সাথে আমি সবাইকে জানিয়ে দিতে চাই যে, আমি যাই করি এবং যদি কোথাও যাওয়ার সুযোগ হয়; তবে আপনাদেরকে জানিয়ে, আপনাদের থেকে দোয়া নিয়েই যাবো, লুকুচুরি করে আমার ৪৬ কছর বয়সে এখন পর্যন্ত কিছু করিনি; ভবিষ্যতেও ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা কিছু করবো না। কারণ আমি মুসলিম। আমার এ ভিডিও প্রকাশের একটিই উদ্দেশ্য ছিলো, শুধুমাত্র সাওয়াব প্রাপ্তি। আর কোন উদ্দেশ্য ছিলো না। যেহেতু আমার উদ্দেশ্য ছিলো কেবলমাত্র সাওয়াব। তাই কেউ আমাকে এ কাজ প্রদান করলে যেমন খুশি থেকে মহান রবের শুকরিয়া জ্ঞাপন করবো, তেমনি না পেলে তাও রবের সিদ্ধান্ত হিসেবে ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা সন্তুষ্ট থাকতে পারবো। আর আজকের পর থেকে কারো সহযোগিতা না পেলে, বর্তমানকার এসব বিষয়ে খুব একটা ভিডিও প্রকাশ করতে পারবো না। কারণ আমার ও আমার পরিবারের সদস্যদের এবং বন্ধন পরিবারের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গেছে। এখন আমাকে শুধু ইনকাম নির্ভর কাজ করতে হবে। মানুষ ভূলের উর্দ্ধে নয়। তাই অনিচ্ছা স্বত্তে যদি কোন ভূল হয়, তবে আমি ক্ষমা প্রার্থী এবং কমেন্ট করে এ বিষয়ে পরামর্শ জানানোর জন্য সকলের প্রতি বিনীত অনুরোধ রাখছি। আর কী বলবো এমনিতেই অনেকক্ষণ বক বক করে আপনাদের বিরক্ত করেছি। আপনারা সকলে ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন। সুন্দর থাকুন। আল্লাহ হাফেজ। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বন্ধন ফাউন্ডেশন: